খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১৯ কার্তিক, ১৪৩৩

ভয়ংকর সাপ ধরেন এই নারী, তবে বেশি ভয় পান পুরুষদের

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভয়ংকর সাপ ধরেন এই নারী, তবে বেশি ভয় পান পুরুষদের

অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের সানশাইন কোস্টের ৪০ বছর বয়সী কোর্টনি ব্রাউন পেশায় একজন লাইসেন্সধারী সাপ ধরার কর্মী। বিশ্বের অন্যতম বিষধর সাপসহ বিভিন্ন প্রজাতির সরীসৃপ ধরে নিরাপদ পরিবেশে ছেড়ে দেওয়াই তার কাজ। তবে কোর্টনির কাছে সাপের চেয়েও বেশি ভয়ংকর অপরিচিত কিছু পুরুষের আচরণ।

লন্ডনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি স্টারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই সন্তানের মা কোর্টনি প্রায় তিন বছর ধরে পেশাগতভাবে সাপ ধরছেন। গরমের মৌসুমে দিনে তাকে প্রায় ১০টি পর্যন্ত সাপ ধরার ডাক সামলাতে হয়। বিষধর সাপের সামান্য অসতর্কতাতেই কামড়ের শিকার হওয়ার ঝুঁকি থাকলেও এ কাজকে তিনি ভয় পান না।

কোর্টনি জানান, অনেক সময় অপরিচিত মানুষের বাড়িতে তাকে একাই যেতে হয়। বেশিরভাগ মানুষ সহযোগিতা করলেও কিছু পুরুষ তাকে সন্দেহজনক বা নির্জন জায়গায় আসতে বলেন। ফলে প্রতিবার বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় নিজের নিরাপত্তার বিষয়টিও মাথায় রাখতে হয়।

এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের কাজের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করার কারণে কটূক্তি, অশালীন মন্তব্য ও অনলাইন ট্রলের শিকার হতে হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সাপ ধরার এই পেশায় আসার আগে করপোরেট চাকরি করতেন কোর্টনি। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করলেও সেই জীবন তাকে তৃপ্ত করতে পারেনি। ছোটবেলা থেকেই প্রাণী, বিশেষ করে সাপের প্রতি তার আলাদা আগ্রহ ছিল। অবসর সময়ে রাতে হাঁটতে বের হয়ে সাপ খোঁজা এবং স্থানীয় প্রজাতি সম্পর্কে জানার অভ্যাসও ছিল তার।

দুই মেয়ে বড় হওয়ার পর নতুন করে কর্মজীবনে ফেরার সুযোগ পান কোর্টনি। তখন শুধু অর্থ উপার্জনের জন্য নয়, অর্থবহ একটি কাজ করার সিদ্ধান্ত নেন। প্রশিক্ষণ নিয়ে শুরু করেন সাপ ধরার পেশা।

এই কাজের জন্য বিষধর সাপ ধরার বিশেষ প্রশিক্ষণের পাশাপাশি প্রাথমিক চিকিৎসা ও বিভিন্ন প্রজাতির সাপ শনাক্ত করার কোর্স করেন তিনি। প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র পাওয়ার পর শুরু করেন পেশাগতভাবে সাপ উদ্ধার।

কোর্টনির কাছে সবচেয়ে বেশি আসা ডাকগুলোর একটি কার্পেট পাইথন ধরার জন্য। আকারে বড় হওয়ায় এসব সাপ বাড়িতে ঢুকলে মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তবে কার্পেট পাইথন বিষধর নয় এবং সাধারণত মানুষকে আক্রমণ করে না।

এর পাশাপাশি ইস্টার্ন ব্রাউন স্নেক ও রেড-বেলিড ব্ল্যাক স্নেকের মতো অত্যন্ত বিষধর সাপও ধরেন কোর্টনি। এসব সাপ দ্রুত চলাফেরা করায় উদ্ধারের সময় তাকে বাড়তি সতর্ক থাকতে হয়।

কোর্টনির মতে, সাপকে ঘিরে মানুষের মধ্যে অযথা ভয় কাজ করে। তার ভাষায়, সাপ সাধারণত আক্রমণাত্মক নয়; বিপদ অনুভব করলেই আত্মরক্ষার শেষ উপায় হিসেবে কামড় দেয়।

বিষধর সাপ ধরার সময় নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে বিশেষ হুক ব্যবহার করেন কোর্টনি। পরিস্থিতি অনুযায়ী সাপকে নিয়ন্ত্রণ করে নিরাপদ ব্যাগে ঢোকানো হয়। এ সময় সাপের নড়াচড়া ও আচরণ খুব সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করতে হয়।

এক মুহূর্তের অসতর্কতাই বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে। কয়েকবার অবিষধর সাপের কামড় খেলেও এতে আতঙ্কিত হননি কোর্টনি। কারণ সাধারণত কোন প্রজাতির সাপের সঙ্গে কাজ করছেন, তা আগে থেকেই শনাক্ত করতে পারেন তিনি।

উদ্ধারের পর সাপগুলোকে উপযুক্ত প্রাকৃতিক পরিবেশে ছেড়ে দেওয়া হয়। কোর্টনির দাবি, সঠিক পরিবেশে ছেড়ে দিলে একই সাপ আবার সেই বাড়িতে ফিরে আসার সম্ভাবনা খুবই কম।

গরমের মৌসুমে তার ব্যস্ততা বেড়ে যায়। দিনে প্রায় ১০টি পর্যন্ত সাপ উদ্ধারের ডাক আসে। একা কাজ করার কারণে একদিকে যেমন শারীরিক চাপ বাড়ে, অন্যদিকে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাপটিকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার চাপও থাকে।

তবে এত ঝুঁকিপূর্ণ কাজের মধ্যেও কোর্টনির কাছে সাপই সবচেয়ে বড় ভয় নয়। তার মতে, অপরিচিত মানুষের আচরণ এবং অজানা জায়গায় একা যাওয়ার ঝুঁকিই এই পেশার সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়।

সাপকে শান্ত ও ভুল বোঝা প্রাণী হিসেবে দেখেন কোর্টনি। মানুষের মধ্যে সাপ নিয়ে অযথা ভয় কমিয়ে সচেতনতা তৈরি করাই তার কাজের অন্যতম উদ্দেশ্য। তার মতে, সবাইকে সাপ ভালোবাসতে হবে না, তবে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সাপের গুরুত্ব সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকা জরুরি।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৯:২৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

ছবিতে গ্রেফতারকৃরা

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে নাশকতা, জুয়া ও অন্যান্য মামলায় মোট ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে ও বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।

থানা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের গড়েরআবাদ এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসআই নুরে আলমের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স অভিযান চালিয়ে টাকার বিনিময়ে তাস খেলার সময় ছয়জনকে আটক করে। এ সময় জুয়ার টাকা ও খেলার সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন-মৃত আবতাপ গাজীর ছেলে রশিদ গাজী (৫৫), আবুল কাসেমের ছেলে আমিরুল (৩৮), মৃত সামাদের ছেলে সফিকুল (৬০), জব্বার গাজীর ছেলে আব্দুর রহমান, জনাব মোল্লার ছেলে খানজাহান মোল্লা (৬২) এবং জামান মোল্লার ছেলে সাইফুল (৩৫)। এ ঘটনায় পাইকগাছা থানায় জুয়া আইনে মামলা হয়েছে। মামলার নম্বর ৪/২৬।

এদিকে, মঙ্গলবার রাতে নগরশ্রীরামপুর গ্রামের আব্দুল মজিদ হাজরার ছেলে হরিঢালী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মুজাহিদুল হাজরা (৪৮) এবং বুধবার সকাল ১১টার দিকে গদাইপুর ইউনিয়নের রফিকুল ইসলামের ছেলে ছাত্রলীগের সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মো. ফারজাহান পারভেজ ওরফে রুমি (২৫)-কে নাশকতা মামলায় আটক করা হয়েছে বলে জানিয়ে পুলিশ।

অন্যদিকে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে পরোয়ানাভুক্ত ও অন্যান্য মামলায় আরও ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।

পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবির আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মাদক ও জুয়া নির্মূলে পুলিশ সুপারের কঠোর নির্দেশনা বাস্তবায়নে পাইকগাছা থানা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করছে।

সিরাজগঞ্জে এসআরবি-১২ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৮:২৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সিরাজগঞ্জে এসআরবি-১২ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

ছবিতে অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ

মনজুরুল ইসলাম ।। সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

আত্মসমর্পণকারী চরমপন্থীদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ১০৩টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটেলিয়ন (এসআরবি-১২)। উদ্ধার করা সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১ হাজার ১৩৬ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৫টি ম্যাগাজিন, ৯৫টি দেশীয় অস্ত্র ও ৮টি ওয়াকিটকি সেট। তিন জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্যের আত্মসমর্পণের পর তাঁদের দেওয়া তথ্য এবং নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় এসআরবি-১২-এর সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বাহিনীর অধিনায়ক অতিরিক্ত আইজিপি আতিকুর রহমান মিয়া।

তিনি জানান, গত রোববার (১ নভেম্বর) এসআরবি-১২-এর পৃষ্ঠপোষকতায় সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও রাজবাড়ী জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্য আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেন। তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য ও বাহিনীর নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালানো হয়।
এসআরবি-১২ অধিনায়ক বলেন, সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, উল্লাপাড়া ও সলঙ্গা এবং পাবনা জেলার সাঁথিয়া ও আতাইকুলা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।

উদ্ধার করা ১০৩টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রের পাশাপাশি ১ হাজার ১৩৬ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৫টি ম্যাগাজিন, ৯৫টি দেশীয় অস্ত্র এবং ৮টি ওয়াকিটকি সেট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এসব আগ্নেয়াস্ত্রের ধরন, উৎস ও সংশ্লিষ্ট অপরাধী চক্র সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়নি।
আত্মসমর্পণে নতুন প্রত্যাশা।

এর আগে ১ নভেম্বর দুপুরে এসআরবি-১২-এর সদর দপ্তরে ‘নতুন পথে প্রত্যাবর্তন—চরমপন্থি সর্বহারা সদস্যদের আত্মসমর্পণ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিন জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্য আত্মসমর্পণ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মিজ্ ফারজানা শারমিন।
আত্মসমর্পণকারীরা চরমপন্থী কর্মকাণ্ড থেকে সরে এসে স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেন। তাঁদের পুনর্বাসন ও সমাজের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগও এ কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।

দীর্ঘদিন ধরে চরমপন্থী তৎপরতার ইতিহাস রয়েছে এমন জনপদে অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার রোধ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। আত্মসমর্পণকারীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধারের এ অভিযান ওই অঞ্চলে অবৈধ অস্ত্রের সন্ধান ও অপরাধী নেটওয়ার্ক শনাক্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে চরমপন্থীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের সমন্বিত উদ্যোগ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা জোরদার করেছে।

বাঁশখালীতে বন বিভাগের উচ্ছেদ অভিযানে হামলা, ৫ বনরক্ষীসহ আহত ৬

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৮:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাঁশখালীতে বন বিভাগের উচ্ছেদ অভিযানে হামলা, ৫ বনরক্ষীসহ আহত ৬

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন বন বিভাগের পাঁচ সদস্য ও পুলিশের এক সদস্য। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে বাঁশখালী ইকোপার্কের জঙ্গল শীলকূপ মৌজার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের করলাশিয়া নামক পাহাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন ওয়াইল্ডলাইফ স্কাউট তোফাজ্জল হোসেন (৪৫), জুনিয়র ওয়াইল্ডলাইফ স্কাউট অঞ্জন দে (৩৫), সুভাষ চন্দ্র লস্কর (৪২), পাহারাদার দেলোয়ার হোসেন (৪৫), শামসুল আলম (৪৫) এবং পুলিশের এক সদস্য। আহতদের উদ্ধার করে বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে।

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বাঁশখালী ইকোপার্ক সংলগ্ন সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও সরকারি জমি দখল করে একটি প্রভাবশালী মহল অবৈধভাবে পাকা ও আধাপাকা স্থাপনা নির্মাণ করে। খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে বন বিভাগ ও থানা পুলিশের একটি যৌথ দল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালাতে যায়। এ সময় অভিযানের খবর পেয়ে একদল ব্যক্তি সংঘবদ্ধ হয়ে বন বিভাগের সদস্যদের ওপর হামলা চালায়।

বাঁশখালী সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জানান, দুপুরের দিকে বন বিভাগের আহত চার সদস্যকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

বাঁশখালী ইকোপার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও জলদী অভয়ারণ্য রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. ইসরাইফিল হক বলেন, বন বিভাগের জায়গা দখল করে বসতঘর নির্মাণের খবর পেয়ে সকালে সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় স্থানীয় লেয়াকত আলী ও কালুর নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ হামলা চালানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে আত্মরক্ষার্থে শর্টগান থেকে দুটি ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হক বলেন, হামলার খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম