খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ২১ কার্তিক, ১৪৩৩

শ্রমিকদের ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে রোডম্যাপ ঘোষণার আহ্বান এবি পার্টির

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৬ নভেম্বর ২০২৬, ৫:৩৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শ্রমিকদের ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে রোডম্যাপ ঘোষণার আহ্বান এবি পার্টির

নিজস্ব প্রতিবেদক:

শ্রমিকদের ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিকে গুরুত্ব দিয়ে আলোচনার মাধ্যমে বাস্তবায়নযোগ্য মজুরি বৃদ্ধির রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)। প্রয়োজনে ধাপে ধাপে মজুরি বাড়ানো হলেও প্রতিটি ধাপের পরিমাণ ও কার্যকর হওয়ার তারিখ নির্ধারণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শ্রমিকের মজুরি কমিয়ে কিংবা আন্দোলন দমন করে বাংলাদেশের পোশাকশিল্পকে দীর্ঘমেয়াদে টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। একইভাবে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতার মাধ্যমেও শ্রমিকের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা যাবে না।

এ বিষয়ে ব্যারিস্টার নোমান বলেন, শ্রমিকের অধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজন ন্যায়ভিত্তিক মজুরি, দায়িত্বশীল মালিকানা, দক্ষ ও উৎপাদনশীল শ্রমশক্তি এবং জবাবদিহিমূলক সরকার।

তিনি আরও বলেন, এবি পার্টি সংকট তৈরি হওয়ার পর প্রতিক্রিয়া দেখানোর রাজনীতি নয়, বরং সংকট তৈরির আগেই সমাধানের রাজনীতি চায়। শ্রমিকের মর্যাদা, শিল্পের সুরক্ষা এবং জাতীয় অর্থনীতির স্বার্থে দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত জাতীয় পোশাকশিল্প ও শ্রমনীতি প্রণয়ন করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ আল মামুন রানা ও এবিএম খালিদ হাসান, ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক সেলিম খান, মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুল হালিম খোকন, শ্রমিক পার্টির সমন্বয়ক জামাল শেখ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব বারকাজ নাসির আহমদ, সহকারী দপ্তর সম্পাদক আব্দুল হালিম নান্নু, মোহসীনুল হক চৌধুরী ও মশিউর রহমান মিলুসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

গাজীপুরের বাসনে এক নারী'র মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৬ নভেম্বর ২০২৬, ৯:২২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গাজীপুরের বাসনে এক নারী'র মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ

প্রতীকী ছবি

মাহবুবুর রহমান | গাজীপুর 

গাজীপুর মহানগরের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের নলজানি মধ্যপাড়া গ্রামে শাহিদা বেগম (নাম) নামে এক ভাড়াটিয়া নারী খুন হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে বাসন থানা পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করেছেন।

নিহত শাহিদা বেগম আব্দুল মতিন নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন। পাশাপাশি অবস্থিত ‘রাবেয়ার মা টেইলার্স’ নামের একটি দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন তিনি।

স্থানীয় ও আশপাশের ভাড়াটিয়াদের সূত্রে জানা যায়, নিহতের স্বামী পেশায় একজন রিকশাচালক। তিনি দুই সন্তানের জননী। তাঁর গ্রামের বাড়ি গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলায় বলে স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা গেছে।

স্থানীয়দের ধারণা, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে হত্যাকাণ্ডটি ঘটে। নিহতের পিঠে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। পাশের কক্ষের এক ভাড়াটিয়া প্রথমে দরজা খুলে মরদেহ দেখতে পান।

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে বাসন থানা পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাড়ির সংশ্লিষ্ট কক্ষটি ঘিরে রাখেন। তদন্তের স্বার্থে সাধারণ মানুষ ও গণমাধ্যমকর্মীদের সেখানে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। বাইরে উৎসুক জনতার ভিড় দেখা গেছে।

পুলিশ মরদেহ উদ্ধারের প্রস্তুতি নেওয়ার পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধান করছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

তবে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, সে বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নোয়াখালীতে অটোরিকশার ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৬ নভেম্বর ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নোয়াখালীতে অটোরিকশার ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু

ছবি যোগফল

নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালীর সেনবাগে রাস্তা পারাপারের সময় অটোরিকশার ধাক্কায় মো.সামির (৭) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দুপুর ১টার দিকে সেনবাগ উপজেলার কেশারপাড় ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের দিঘিরপাড় পাকা সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত সামির ওই এলাকার উত্তরপাড়ার বাহাদুরের বাড়ির মো.সোহাগের ছেলে।  

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুরে সামির বাড়ির পাশের দিঘিরপাড় পাকা সড়ক দিয়ে রাস্তা পার হচ্ছিল। এ সময় দ্রুতগতিতে আসা একটি অটোরিকশার সঙ্গে তার ধাক্কা লাগে। এতে সে সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়। পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। শিশুটির এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.শাহজাহান কামাল বলেন, ঘটনার পরপরই অটোরিকশা পালিয়ে যায়। কোন অভিযোগ না থাকায় মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়া পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।  

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিত অলিম্পিয়াড

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৬ নভেম্বর ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিত অলিম্পিয়াড

ছবি যোগফল

সাইফুল ইসলাম ।।  গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো জাতীয় গণিত অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ গণিত সমিতি ও এ এফ মুজিবুর রহমান ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে ১৭তম জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াডের বরিশাল অঞ্চল পর্ব আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগ।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় জাতীয় সংগীত পরিবেশন, বেলুন উড্ডয়ন ও শান্তির প্রতীক পায়রা অবমুক্ত করার মধ্য দিয়ে অলিম্পিয়াডের উদ্বোধন করেন গোবিপ্রবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ আতাউর রহমান।

প্রতিযোগিতায় প্রাথমিক পর্যায়ে সারাদেশকে ৮ টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। যেখানে বরিশাল অঞ্চলের ১১টি জেলার ৪টি পাবলিক ও ৫টি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় এবং ১৭টি সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বরিশাল পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে মোট ১৪০ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধন করে।

এদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা চলে অলিম্পিয়াড পরীক্ষা। মূল্যায়ন শেষে বিকেল ৩টায় ফল প্রকাশ ও বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

বরিশাল পর্বের এই গণিত অলিম্পিয়াড আয়োজনে কনভেনরের দায়িত্ব পালন করে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মিনারুল ইসলাম।

অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশ গণিত সমিতির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহতাব উদ্দিন আহাম্মদ, উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. শাহানশাহ্ খান, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. বিজন কৃষ্ণ সাহা, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মোশাররফ হোসেন ও সরকারি ব্রজমোহন কলেজের সহযোগী অধ্যাপক গৌতম কুমার সাহা উপস্থিত ছিলেন।

গণিত অলিম্পিয়াডের কনভেনর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মিনারুল ইসলাম বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো জাতীয় গণিত অলিম্পিয়াড আয়োজন করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। এই আয়োজনে আমরা সবার সহযোগিতা পেয়েছি। আশা করছি এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আগামীতে আরো বড় পরিসরে আমরা গণিত উৎসব করতে পারবো।

উদ্বোধক অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ আতাউর রহমান বাংলাদেশ গণিত সমিতি ও আয়োজকদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বলেন, মেধার বিকাশের জন্য গণিত চর্চা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যার অন্যতম প্লাটফর্ম এই গণিত অলিম্পিয়াড। কেননা এর মধ্য দিয়ে জাতীয় পর্যায়ে সেরা মেধাবীদের বাছাই করা হয় এবং পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য দেশের প্রতিনিধি নির্বাচন করা হয়। 

তাই গণিতের আলোড়ন সৃষ্টির জন্য এই অলিম্পিয়াড যে অনবদ্য ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে, তা বলার অবকাশ থাকে না।