খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২ কার্তিক, ১৪৩৩

ভোলায় ভুয়া ট্যাক্স কালেক্টর চক্রের দুই সদস্য আটক, বাড়ি বাড়ি গিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৬:১৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভোলায় ভুয়া ট্যাক্স কালেক্টর চক্রের দুই সদস্য আটক, বাড়ি বাড়ি গিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ

ছবিতে অভিযুক্ত দুই প্রতারক

বি এম শামিম  হাওলাদার ।। ভোলা প্রতিনিধি:

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায়  হাসান নগর ইউনিয়নের  নিজেদের ট্যাক্স কালেক্টর পরিচয় দিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বসতভিটার কর আদায়ের অভিযোগে একটি চক্রের দুই সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। উপজেলার সাচড়া, কাচিয়া, পক্ষিয়া ও হাসাননগর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় টিনের ঘর থেকে ৩০০ টাকা এবং পাকা ঘর থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

আটক ব্যক্তিরা হলেন বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি থানার মো. মজিদুল ইসলাম (৩৮) এবং নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ থানার মাহবুব ইসলাম সাগর (২৪)। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাদের সঙ্গে অজ্ঞাতনামা আরও ছয় থেকে সাতজন জড়িত থাকতে পারেন। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করা যায়নি।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা নিজেদের ট্যাক্স কালেক্টর পরিচয় দিয়ে বোরহানউদ্দিন উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বসতভিটার কর দেওয়ার কথা বলে টাকা সংগ্রহ করতেন। টিনের ঘরের জন্য ৩০০ টাকা এবং পাকা ঘরের জন্য ৫০০ টাকা করে আদায় করা হতো বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে এসব টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার জন্য আদায় করা হচ্ছিল কি না, কিংবা তাদের কাছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বৈধ অনুমোদন ছিল কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ঘটনার সর্বশেষ পরিস্থিতি তৈরি হয় গতকাল উপজেলার হাসাননগর ইউনিয়নের বিভিন্ন বাড়িতে টাকা সংগ্রহ করতে গেলে। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন সচেতন নাগরিক তাদের পরিচয় ও টাকা আদায়ের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তারা কোন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ট্যাক্স আদায় করছেন এবং আদায় করা টাকা কোথায় জমা দেওয়া হবে, তা জানতে চান। কিন্তু স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা এসব প্রশ্নের সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি। এতে তাদের কার্যক্রম নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়। একপর্যায়ে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের আটকে রাখেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরবর্তী সময়ে গত রাতে তাদের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

এ ঘটনায় আরও অভিযোগ উঠেছে, অভিযুক্তরা স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, প্রশাসক ও সচিবের সঙ্গে যোগসাজশ করে কার্যক্রম চালাতেন। ইউনিয়ন পরিষদের চৌকিদারদের সহযোগিতা নিয়ে তাদের সঙ্গে বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে টাকা আদায় করা হতো বলেও দাবি করেছেন স্থানীয়রা। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধি, কর্মকর্তা কিংবা ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি। ফলে এ ঘটনায় সরকারি কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

বাড়ি বাড়ি গিয়ে ট্যাক্স আদায়ের এ অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাদের আশঙ্কা, সরকারি কর্মকর্তা বা ইউনিয়ন পরিষদের লোক পরিচয় দিয়ে কেউ টাকা চাইলে সাধারণ মানুষ সহজেই প্রতারণার শিকার হতে পারেন। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে সরকারি কর আদায়ের নিয়ম সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা না থাকায় অনেকেই পরিচয় যাচাই না করেই টাকা দিয়ে দিতে পারেন। স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের দাবি, সরকারি কর আদায়ের নামে এ ধরনের অনিয়মের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করতে হবে। একই সঙ্গে কারা টাকা আদায়ের অনুমতি দিয়েছিল, আদায় করা অর্থ কোথায় গেছে এবং এর পেছনে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে।

স্থানীয়দের মতে, শুধু আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করলেই হবে না; এ ঘটনার সঙ্গে কোনো সংঘবদ্ধ চক্র কিংবা অন্য কারও সম্পৃক্ততা থাকলে তাদেরও শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি যেসব ব্যক্তি টাকা দিয়েছেন, তাদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে আদায় করা অর্থের পরিমাণ নির্ধারণ এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা। সরকারি কর বা ফি আদায়ের ক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির পরিচয়, কর্তৃপক্ষের অনুমোদন এবং অর্থ জমা দেওয়ার নিয়ম স্পষ্ট করা হলে এ ধরনের প্রতারণা প্রতিরোধ করা সম্ভব বলেও মনে করছেন স্থানীয়রা।

এদিকে, আটক দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্ত, অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং কথিত চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত করার বিষয়টি এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগে আটক ব্যক্তিদের দোষী হিসেবে চূড়ান্তভাবে বিবেচনা করা যায় না। স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

পাইকগাছায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ২:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত

হাত ধোয়া প্রদর্শনীর আয়োজন

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

"হাত ধোয়ার নায়ক হোন" প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে খুলনার পাইকগাছায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও হাত ধোয়া প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১০টায় উপজেলা প্রশাসন ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালি শেষে হাত ধোয়া প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মাওলানা আবুল কালাম আজাদ।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী প্রশান্ত কুমার পাল এর স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। এ সময় বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ্ব মাওলানা এসএম আমিনুল ইসলাম ও পৌর বিএনপির সভাপতি আসলাম পারভেজ।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা সাইদুর রহমান, সেক্রেটারি আলতাফ হোসেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আজহারুল ইসলাম, সমবায় কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির, প্রেসক্লাব পাইকগাছার সাধারণ সম্পাদক এম. জালাল উদ্দীন, সহসভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম, পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি মো. মিজানুর রহমান ও সাংবাদিক মো. রাজু আহমেদ।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন জামায়াত নেতা মো. আসাদুল ইসলাম, মো. শফিয়ার রহমান, মো. মুশরাফুল আলম, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী মোঃ মশিয়ার রহমান, সুশিলনের বিপ্লব কুমার৷ মন্ডলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থী এবং এনজিও কর্মীরা।

বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসের এ আয়োজনের মাধ্যমে হাত ধোয়ার সঠিক নিয়ম সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দৈনন্দিন জীবনে স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মাঝে সাবান বিতরণ করা হয়।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মেরিনা পারভীনের প্রার্থিতা ঘোষণা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১:৫৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মেরিনা পারভীনের প্রার্থিতা ঘোষণা

ছবিতে মেরিনা পারভীন

মোঃ হাসান মাহমুদ জয় ।। কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: 

আসন্ন কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কুড়িগ্রাম জেলা শাখার নারী শক্তির সদস্য সচিব ও  নারী উদ্যোক্তা মেরিনা পারভীন। 

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার সর্বস্তরের জনসাধারণ ও সুধীজনের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি এই ঘোষণা দেন। 

দীর্ঘদিন ধরে কুড়িগ্রাম সদর ও এর আশপাশের এলাকায় নানা কর্মসূচির মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত নারীদের নিজ হাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে স্বাবলম্বী করে তোলার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন তিনি। একজন সফল ট্রেইনার ও নারী উদ্যোক্তা হিসেবে সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জনপ্রতিনিধি হিসেবে জনগণের সেবা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী হলে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলাকে একটি আধুনিক, মানবিক ও মডেল জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি একগুচ্ছ জনকল্যাণমুখী পরিকল্পনা ও অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। তার মূল লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে নারী সমাজ, শিশু এবং প্রবীণ নাগরিকদের পূর্ণ নিরাপত্তা ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা এবং প্রান্তিক ও বেকার নারীদের জন্য উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরিতে সার্বিক সহায়তা প্রদান করা। পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়ে মানসম্মত শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখা এবং কুড়িগ্রাম সদর উপজেলাকে মাদকমুক্ত, বাল্যবিবাহহীন, যৌতুকমুক্ত ও নারী নির্যাতনমুক্ত একটি নিরাপদ এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে জনসচেতনতা সৃষ্টি করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এছাড়াও সমাজের অসহায়, স্বামী-পরিত্যক্তা, বিধবা, প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও সেবা প্রাপ্তি সহজলভ্য করতে তিনি সবসময় সহযোগিতা করবেন। যুবসমাজকে ধ্বংসাত্মক পথ থেকে দূরে রেখে তথ্যপ্রযুক্তিগত দক্ষতা, খেলাধুলা ও ইতিবাচক সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা এবং শতভাগ স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জনগণের সুচিন্তিত মতামতের ভিত্তিতে এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করাই তার অন্যতম ব্রত।

সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় মেরিনা পারভীন জানান, জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হোন বা না হোন—রাজনীতির গণ্ডির বাইরেও তিনি অতীতে সুখে-দুঃখে মানুষের পাশে ছিলেন, বর্তমানেও আছেন এবং ভবিষ্যতেও আজীবন জনগণের সেবক হয়ে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার মানুষের অধিকার আদায়ের প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর হিসেবে পাশে থাকবেন। উন্নয়ন, ন্যায়বিচার ও মানবিক সেবার মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা গড়ে তোলার এই যাত্রায় তিনি কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের দোয়া, ভালোবাসা ও মূল্যবান সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করেছেন।

গোপালগঞ্জ কাশিয়ানীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ আহত ৩

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ২:০৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জ কাশিয়ানীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ আহত ৩

ছবি যোগফল

সাইফুল ইসলাম ।। গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 

ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় ১ যুবক নিহত ও ৩ জন আহত হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালে ঢাকা খুলনা-মহাসড়কে উপজেলার ফুকরা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা ও ভাটিয়াপাড়া হাইওয়ে পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা দোলা পরিবহনের একটি বাস ফুকরা মিল্টন বাজার এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে মোটরসাইকেলটি দুমড়ে মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলে মোটর সাইকেলের চালক হামিম (২২) মল্লিক নিহত হয়। গুরুতর  আহত হয় মোটরসাইকেলের অপর আরোহী।

অপরদিকে এর আগে একই স্থানে সিমেন্ট বোঝাই একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে ট্রাক চালক ও হেল্পার আহত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও হাইওয়ে পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

নিহত হামিম গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের ইলিয়াস মল্লিক এর ছেলে।