খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১৭ আশ্বিন, ১৪৩৩

সাঁথিয়ায় ভিমরুলের কামড়ে প্রাণ গেল ২ শিশুর

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ অক্টোবর ২০২৬, ১:২৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাঁথিয়ায় ভিমরুলের কামড়ে প্রাণ গেল ২ শিশুর

নিহত দুই শিশু

এম এ হাই |সাঁথিয়া (পাবনা) সংবাদদাতা :

পাবনার সাঁথিয়ায় ভিমরুলের কামড়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এরা হলো উপজেলার ভুলবাড়িয়া ইউনিয়নের গয়েসবাড়ি গ্রামের নয়ন হোসেনের ছেলে রোহান হোসেন (৩) এবং একই এলাকার সুজন হোসেনের ছেলে আরাফাত হোসেন (৪) ।

নিহতদের পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রোহান ও আরাফাত তারা দুজন বাড়ির পাশে বাগানের মধ্যে খেলা করার সময় ভিমরুলের মাটির বাসায় পাট কাঠি দিয়ে আঘাত করার ফলে বিপুল পরিমাণ ভিমরুল বাচ্চা দুটিকে আক্রমণ করে। বাচ্চাদের চিৎকারে পাশে থাকা একটি বাচ্চার মা তাদের বাঁচাতে এগিয়ে এলে তাকেও আক্রমন করে ভিমরুল। কোনমতে পরবর্তীতে বাচ্চা দুটিকে নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যান সেই মা। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদেরকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। 

পরেদিন বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বাচ্চা দুটির মৃত্যু হয়। এঘটনায় একটি শিশুর মা গুরুতর আহত অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছে। 

আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুই শিশুর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

যোগফল | অনলাইন | নিউজ ডেস্ক 

নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৬৮

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৬৮

ছবিতে কিশোরগ্যাং সদস্যরা

নোয়াখালী প্রতিনিধি :

নোয়াখালীর বিভিন্ন থানা এলাকায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৬৮ জনকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে দুজনকে আগের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এ ছাড়া ছয়জনকে ৩৪ ধারায় গ্রেপ্তার এবং ৬০ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এর আগে, বুধবার জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধ, কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া রোধ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সুধারাম মডেল থানায় ১১ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজনকে নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে এবং অপর নয়জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। কোম্পানীগঞ্জ থানায় ২১ জন, বেগমগঞ্জ মডেল থানায় পাঁচজন, চরজব্বর থানায় ছয়জন, চাটখিল থানায় আটজন এবং কবিরহাট থানায় ছয়জনকে আটক করে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সোনাইমুড়ী থানায় আটক ১১ জনের মধ্যে ছয়জনকে ৩৪ ধারায় গ্রেপ্তার এবং অপর পাঁচজনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ার আরও বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি কিশোরদের সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করে জনসচেতনতামূলক ও সামাজিক প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

যোগফল | অনলাইন | নিউজ ডেস্ক 

নোয়াখালীতে খাবার অপচয় রোধে মতবিনিময় সভা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৫৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নোয়াখালীতে খাবার অপচয় রোধে মতবিনিময় সভা
নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর জেলা শহর মাইজদীর ১০টির বেশি হোটেল ও রেস্তোরাঁয় প্রতিদিনের খাবার অপচয়ের হিসাব রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অপচয়ের পরিমাণ ভোক্তাদের সামনে তুলে ধরা, প্রয়োজন অনুযায়ী খাবার অর্ডারে উৎসাহিত করা হয়।  

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে মাইজদীর নাইস গেস্ট হাউজ-২-এ খাদ্যক্ষয় ও অপচয়বিষয়ক আন্তর্জাতিক সচেতনতা দিবস উপলক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। খাদ্য নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক খানি বাংলাদেশ ও পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাকশন নেটওয়ার্ক প্রান যৌথভাবে সভাটির আয়োজন করে।

সভায় বক্তারা বলেন, প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাবার অর্ডার, বেশি রান্না এবং অবশিষ্ট খাবার সংরক্ষণ না করায় অপচয় বাড়ছে। কোনো কোনো হোটেলে প্রতিদিন প্রায় ৫০ কেজি বা তারও বেশি খাবার নষ্ট হয়। অপচয় কমাতে ভোক্তা সচেতনতা, কর্মীদের প্রশিক্ষণ ও পরিমাণ অনুযায়ী খাবার পরিবেশনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে নোয়াখালী জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সুমধু চক্রবর্তী বলেন, শুধু আইন প্রয়োগ করে খাদ্য অপচয় রোধ সম্ভব নয়। শৈশব থেকেই খাবারের মূল্য ও অপচয় রোধে সচেতনতা তৈরি করতে হবে।

এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন, এনজিও বন্ধন'র ইডি আমিনুজ্জামান মিলন, প্রান'র কর্মসূচি সমন্বয় প্রধান উম্মে সালমা পপি, পপিপার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাকশান নেটওয়ার্ক- প্রান'র মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন অফিসার নুরে আলম সিদ্দিকি রনি, প্রথম আলো নোয়াখালীর নিজস্ব প্রতিবেদক মাহবুবুর রহমান, আরটিভি ও দৈনিক আগামীর সময়ের নোয়াখালী প্রতিনিধি গিয়াস উদ্দিন রনি।  

সভা শেষে রেস্তোরাঁ প্রতিনিধিদের মধ্যে ‘ফুড ওয়েস্ট’ পোস্টার ও টেবিল স্ট্যান্ড বিতরণ করা হয়। এসবের মাধ্যমে প্রতিদিন ও মাসে কী পরিমাণ খাবার অপচয় হচ্ছে, তার হিসাব রাখা এবং ভোক্তাদের সচেতন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

যোগফল | অনলাইন | নিউজ ডেস্ক 

অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে, দায় নিতে হবে অপশক্তিকেই: প্রধানমন্ত্রী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১ অক্টোবর ২০২৬, ৯:২৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে, দায় নিতে হবে অপশক্তিকেই: প্রধানমন্ত্রী

যোগফল প্রতিবেদক:

একটি রাজনৈতিক দলের কতিপয় অপশক্তি ও ‘দুষ্টু চক্র’ নানা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটিয়ে দেশে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এতে দেশের উন্নয়ন ব্যাহত হলে এর দায় ওই অপশক্তিকেই নিতে হবে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে ফেনীর পরশুরাম উপজেলার ঘাটঘর এলাকায় ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ শীর্ষক মেগা প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রকল্পটির ব্যয় ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি সরকার দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পুরোপুরি বদ্ধপরিকর।’

একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তাদের নেতাকর্মীদের অন্যায় কর্মকাণ্ডে শুধু দেশেই নয়, বিশ্ব দরবারেও বাংলাদেশের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে। অথচ তারা অন্যদের নসিহত করে বেড়ায়। আগে নিজেদের ঘর সামলে পরে অন্যদের উপদেশ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, একটি দল একাত্তরের সেই ‘বর্বর রূপে’ ফিরে গিয়ে আবারও হত্যা ও নারী নিগ্রহে মেতে উঠেছে। সময় এসেছে জনসম্মুখে তাদের ‘আসল মুখোশ’ উন্মোচনের।

দেশের উন্নয়ন ও জনকল্যাণে সরকারের অবস্থান তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৭ বছরের স্বৈরাচারী শাসনে জনগণের কণ্ঠরোধ করে তাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিল। গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে জনগণের রায়ে বিএনপি ক্ষমতায় এসে সেই অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার গঠনের পরপরই ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে। এতে সরকারের দেড় হাজার কোটি টাকা ব্যয় হলেও দেশের ১৩ লাখ কৃষক সরাসরি উপকৃত হয়েছেন।

স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী জানান, চলমান পাঁচ বছরের মেয়াদে দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১ হাজার ৫০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জন্য ডায়ালিসিস সেবা চালুর ব্যবস্থাও করা হবে।

মুহুরী-কহুয়া প্রকল্পের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বৃহত্তর নোয়াখালীর মানুষ স্থায়ীভাবে প্লাবনের হাত থেকে রক্ষা পাবেন। এর ফলে নতুন করে ৩৪ হাজার হেক্টর জমি আবাদের আওতায় আসবে এবং অতিরিক্ত এক লাখ মেট্রিক টন শস্য উৎপাদন বাড়বে বলে জানান তিনি।

প্রকল্পটির আওতায় ৬৭ দশমিক ৯২ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ, ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাধার পুনঃখনন, ২৭টি সেচ অবকাঠামো পুনর্বাসন এবং ৭৭টি ইনলেট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে প্রকল্পটি শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে সকালে সড়কপথে পরশুরামের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ফেনীতে এটিই তার প্রথম সফর।

পরশুরামের কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী ফুলগাজীতে যান। সেখানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, রুফটপ সোলার থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

কৃষক কার্ড কর্মসূচির আওতায় ফেনীতে প্রাথমিকভাবে ৫ হাজার ৬৪৩ জন কৃষককে নির্বাচিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০ জন প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে সরাসরি কার্ড গ্রহণ করবেন।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম