খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১৭ আশ্বিন, ১৪৩৩

তারেক সাঈদকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার নির্দেশ ট্রাইব্যুনালের

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তারেক সাঈদকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার নির্দেশ ট্রাইব্যুনালের

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাবন্দি লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব্যাহতিপ্রাপ্ত) তারেক সাঈদ মোহাম্মদকে কারাবিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

মুন্সীগঞ্জ কারাগারে গভীর রাতে কারারক্ষীদের হাতে নির্যাতনের শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলে চিকিৎসার পাশাপাশি এ ঘটনায় নিরপেক্ষ বিচারিক তদন্তের আবেদন করেছিলেন তারেক সাঈদের আইনজীবী। তবে তদন্তের আবেদনটি যথাযথ প্রক্রিয়ায় করা হয়নি উল্লেখ করে শুনানির সময় তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। এদিন তারেক সাঈদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মাহমুদুল হুসাইন রুবেল।

শুনানিতে আইনজীবী রুবেল অভিযোগ করেন, গত ১৬ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে মুন্সীগঞ্জ কারাগারে কয়েকজন কারারক্ষী লাঠিসোঁটা নিয়ে তারেক সাঈদের ওপর হামলা চালান। এতে তার মাথায় আঘাত লাগে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে নির্যাতন করা হয়। কারাসুপারের নির্দেশে ওই হামলা চালানো হয়েছে বলে তারা জানতে পেরেছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

এ ঘটনার তদন্তের পাশাপাশি তারেক সাঈদকে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় অথবা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার আবেদন জানান আইনজীবী।

অন্যদিকে প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন শুনানিতে বলেন, নারায়ণগঞ্জের সাত খুন মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি তারেক সাঈদ। তার কনডেম সেলে থাকার কথা। তবে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কোনো অভিযুক্ত বা আসামি অসুস্থ হলে মানবিক দিক বিবেচনায় চিকিৎসার বিষয়ে প্রসিকিউশনের সাধারণত আপত্তি থাকে না।

তিনি আরও বলেন, গত বুধবার তারেক সাঈদের মামলার নির্ধারিত শুনানিতে তিনি আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তখন শারীরিক অসুস্থতার কোনো অভিযোগ করেননি এবং তাকে সুস্থই মনে হয়েছে।

এ সময় ট্রাইব্যুনাল জানতে চান, আবেদনে তারেক সাঈদের মৃত্যুদণ্ড ও কনডেম সেলে থাকার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি কেন। জবাবে আইনজীবী রুবেল বলেন, তারেক সাঈদ দীর্ঘদিন ধরে কারাগারের সাধারণ ওয়ার্ডে ছিলেন। মুন্সীগঞ্জ কারাগারে হামলার পর তাকে কোনো চিকিৎসাসনদ না দিয়েই কিশোরগঞ্জ কারাগারে স্থানান্তর করা হয়েছে। অথচ এক কারাগার থেকে অন্য কারাগারে স্থানান্তরের ক্ষেত্রে চিকিৎসাসনদ দেওয়ার বিধান রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে কারাবিধি অনুযায়ী তারেক সাঈদকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়ার জন্য কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। তবে বিচারিক তদন্তের আবেদনটি যথাযথ প্রক্রিয়ায় করা হয়নি উল্লেখ করে তা প্রত্যাহার করে নেন আসামিপক্ষের আইনজীবী।

পরে সাংবাদিকদের আইনজীবী মাহমুদুল হুসাইন রুবেল বলেন, তারেক সাঈদ মোহাম্মদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের দুটি অভিযোগ রয়েছে। এসব মামলায় গত ১০ আগস্ট তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

তিনি বলেন, ১৬ সেপ্টেম্বর তারেক সাঈদকে আদালতে হাজির করা হলে প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এক দিনের জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেওয়া হয়। ওই দিন গভীর রাতে মুন্সীগঞ্জ কারাগারে তার ওপর হামলা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। হামলার সময় কারাগারের বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন আইনজীবী।

এদিকে কুমিল্লা ও লক্ষ্মীপুরে বিএনপি নেতাদের গুম ও হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের পৃথক দুটি মামলায় আসামির তালিকায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের নাম রয়েছে। এ দুই মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২৯ সেপ্টেম্বর দিন নির্ধারিত ছিল। তবে তদন্ত শেষ করতে আরও দুই মাস সময় চায় প্রসিকিউশন। পরে আগামী ৩০ নভেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন দিন নির্ধারণ করেন ট্রাইব্যুনাল।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর লক্ষ্মীপুরে বিএনপি নেতা আবদুল মান্নান, জহিরুল ইসলাম সুমন ও আসাদুজ্জামান বাবুলকে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা সাজিয়ে হত্যা করা হয়। একই বছরের ২৭ নভেম্বর কুমিল্লার লাকসামে বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম হিরু ও হুমায়ুন কবির পারভেজকে গুম করার অভিযোগ রয়েছে। এসব ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা হয়েছে এবং বর্তমানে সেগুলোর তদন্ত চলছে।

 তুলি আক্তার/ অনলািইন /  যোগফল. কম 





নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৬৮

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৬৮

ছবিতে কিশোরগ্যাং সদস্যরা

নোয়াখালী প্রতিনিধি :

নোয়াখালীর বিভিন্ন থানা এলাকায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৬৮ জনকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে দুজনকে আগের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এ ছাড়া ছয়জনকে ৩৪ ধারায় গ্রেপ্তার এবং ৬০ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এর আগে, বুধবার জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধ, কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া রোধ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সুধারাম মডেল থানায় ১১ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজনকে নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে এবং অপর নয়জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। কোম্পানীগঞ্জ থানায় ২১ জন, বেগমগঞ্জ মডেল থানায় পাঁচজন, চরজব্বর থানায় ছয়জন, চাটখিল থানায় আটজন এবং কবিরহাট থানায় ছয়জনকে আটক করে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সোনাইমুড়ী থানায় আটক ১১ জনের মধ্যে ছয়জনকে ৩৪ ধারায় গ্রেপ্তার এবং অপর পাঁচজনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ার আরও বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি কিশোরদের সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করে জনসচেতনতামূলক ও সামাজিক প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

যোগফল | অনলাইন | নিউজ ডেস্ক 

নোয়াখালীতে খাবার অপচয় রোধে মতবিনিময় সভা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৫৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নোয়াখালীতে খাবার অপচয় রোধে মতবিনিময় সভা
নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর জেলা শহর মাইজদীর ১০টির বেশি হোটেল ও রেস্তোরাঁয় প্রতিদিনের খাবার অপচয়ের হিসাব রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অপচয়ের পরিমাণ ভোক্তাদের সামনে তুলে ধরা, প্রয়োজন অনুযায়ী খাবার অর্ডারে উৎসাহিত করা হয়।  

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে মাইজদীর নাইস গেস্ট হাউজ-২-এ খাদ্যক্ষয় ও অপচয়বিষয়ক আন্তর্জাতিক সচেতনতা দিবস উপলক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। খাদ্য নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক খানি বাংলাদেশ ও পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাকশন নেটওয়ার্ক প্রান যৌথভাবে সভাটির আয়োজন করে।

সভায় বক্তারা বলেন, প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাবার অর্ডার, বেশি রান্না এবং অবশিষ্ট খাবার সংরক্ষণ না করায় অপচয় বাড়ছে। কোনো কোনো হোটেলে প্রতিদিন প্রায় ৫০ কেজি বা তারও বেশি খাবার নষ্ট হয়। অপচয় কমাতে ভোক্তা সচেতনতা, কর্মীদের প্রশিক্ষণ ও পরিমাণ অনুযায়ী খাবার পরিবেশনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে নোয়াখালী জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সুমধু চক্রবর্তী বলেন, শুধু আইন প্রয়োগ করে খাদ্য অপচয় রোধ সম্ভব নয়। শৈশব থেকেই খাবারের মূল্য ও অপচয় রোধে সচেতনতা তৈরি করতে হবে।

এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন, এনজিও বন্ধন'র ইডি আমিনুজ্জামান মিলন, প্রান'র কর্মসূচি সমন্বয় প্রধান উম্মে সালমা পপি, পপিপার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাকশান নেটওয়ার্ক- প্রান'র মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন অফিসার নুরে আলম সিদ্দিকি রনি, প্রথম আলো নোয়াখালীর নিজস্ব প্রতিবেদক মাহবুবুর রহমান, আরটিভি ও দৈনিক আগামীর সময়ের নোয়াখালী প্রতিনিধি গিয়াস উদ্দিন রনি।  

সভা শেষে রেস্তোরাঁ প্রতিনিধিদের মধ্যে ‘ফুড ওয়েস্ট’ পোস্টার ও টেবিল স্ট্যান্ড বিতরণ করা হয়। এসবের মাধ্যমে প্রতিদিন ও মাসে কী পরিমাণ খাবার অপচয় হচ্ছে, তার হিসাব রাখা এবং ভোক্তাদের সচেতন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

যোগফল | অনলাইন | নিউজ ডেস্ক 

সাঁথিয়ায় ভিমরুলের কামড়ে প্রাণ গেল ২ শিশুর

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ অক্টোবর ২০২৬, ১:২৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাঁথিয়ায় ভিমরুলের কামড়ে প্রাণ গেল ২ শিশুর

নিহত দুই শিশু

এম এ হাই |সাঁথিয়া (পাবনা) সংবাদদাতা :

পাবনার সাঁথিয়ায় ভিমরুলের কামড়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এরা হলো উপজেলার ভুলবাড়িয়া ইউনিয়নের গয়েসবাড়ি গ্রামের নয়ন হোসেনের ছেলে রোহান হোসেন (৩) এবং একই এলাকার সুজন হোসেনের ছেলে আরাফাত হোসেন (৪) ।

নিহতদের পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রোহান ও আরাফাত তারা দুজন বাড়ির পাশে বাগানের মধ্যে খেলা করার সময় ভিমরুলের মাটির বাসায় পাট কাঠি দিয়ে আঘাত করার ফলে বিপুল পরিমাণ ভিমরুল বাচ্চা দুটিকে আক্রমণ করে। বাচ্চাদের চিৎকারে পাশে থাকা একটি বাচ্চার মা তাদের বাঁচাতে এগিয়ে এলে তাকেও আক্রমন করে ভিমরুল। কোনমতে পরবর্তীতে বাচ্চা দুটিকে নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যান সেই মা। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদেরকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। 

পরেদিন বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বাচ্চা দুটির মৃত্যু হয়। এঘটনায় একটি শিশুর মা গুরুতর আহত অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছে। 

আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুই শিশুর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

যোগফল | অনলাইন | নিউজ ডেস্ক