খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১৭ আশ্বিন, ১৪৩৩

কুড়িগ্রামের ১৩৬ বছর বয়সী হোসেন মন্ডল দম্পতির পাশে দাঁড়াল ‘মানবিক রশিদ মন্ডল ফাউন্ডেশন’

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:১৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কুড়িগ্রামের ১৩৬ বছর বয়সী হোসেন মন্ডল দম্পতির পাশে দাঁড়াল ‘মানবিক রশিদ মন্ডল ফাউন্ডেশন’

মানবিক রশিদ মন্ডল ও হোসেন মন্ডল

মোঃ হাসান মাহমুদ জয় ।  কুড়িগ্রাম  প্রতিবেদক:

বয়সের ভারে ন্যুব্জ, দীর্ঘ জীবনের শতবর্ষ পেরিয়ে যাওয়া এক প্রবীণ দম্পতি। কুড়িগ্রাম জেলার কচাকাটা থানার কেদার ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী টেপারকুটি গ্রামের নিবাসী প্রায় ১৩৬ বছর বয়সী হোসেন মন্ডল ও তাঁর সহধর্মিণী চরম মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন। এই প্রবীণ দম্পতির দুর্ভোগ ও কষ্টের কথা জানতে পেরে মানবতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে স্থানীয় সামাজিক সংগঠন *‘মানবিক রশিদ মন্ডল ফাউন্ডেশন’*।

অসহায় ও বয়োভারাক্রান্ত এই প্রবীণ দম্পতির দীর্ঘদিনের দুঃখ-দুর্দশা লাঘব করতে ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে তাঁদের বাড়িতে একটি পাকা টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়েছে। এর পাশাপাশি তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে এক মাসের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী তথা মাসিক বাজার এবং চিকিৎসার জন্য নগদ অর্থ সহায়তা। বিশুদ্ধ পানির সংকট এবং খাদ্য ও চিকিৎসার অনিশ্চয়তায় থাকা এই দম্পতি এই সহায়তায় কিছুটা হলেও স্বস্তি পেয়েছেন।

সম্পূর্ণ মানবিক এই উদ্যোগটির সার্বিক অর্থায়ন ও তত্ত্বাবধান করেন *‘রশিদ মন্ডল যুব ফাউন্ডেশন’-এর সম্মানিত চেয়ারম্যান **মিজানুর রহমান মিজান*।

সহায়তা সামগ্রী প্রদানকালে যুব ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজান উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশ্যে এক আবেগঘন বক্তব্যে বলেন,

> "আমাদের সমাজের প্রবীণ ও অসহায় মানুষগুলোই আমাদের শেকড় এবং পরম অভিভাবক। ১৩৬ বছর বয়সে এসে এই দম্পতির মানবেতর জীবনযাপন আমাদের গভীরভাবে ব্যথিত করেছে। জন্মভূমি ও সাধারণ মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই রশিদ মন্ডল যুব ফাউন্ডেশন সব সময় মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করে আসছে। আজ সামান্য কিছু উপহার নিয়ে এই প্রবীণ মানুষগুলোর পাশে দাঁড়াতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও ধন্য বোধ করছি। আমাদের এলাকার কোনো প্রবীণ মানুষ যেন অবহেলায় কিংবা কষ্টের মধ্যে দিন না কাটান, সেজন্য সমাজের বিত্তবান ও উদ্যমী যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।"

এসময় মানবিক এই কার্যক্রমে আরও উপস্থিত ছিলেন রশিদ মন্ডল যুব ফাউন্ডেশনের নিবেদিতপ্রাণ সহযোগী সদস্যবৃন্দ, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং স্থানীয় সচেতন জনতা। ফাউন্ডেশনের এমন সময়োপযোগী ও মহৎ উদ্যোগটি এলাকাবাসী ও সুধীমহলে ব্যাপক প্রশংসার কুড়িয়েছে। স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেছেন, ভবিষ্যতেও এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে এলাকার অবহেলিত ও দুস্থ মানুষের কল্যাণে এমন সুন্দর ও মানবিক কাজ অব্যাহত থাকবে।

যোগফল । অনলাইন । নিউজ ডেস্ক

নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৬৮

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৬৮

ছবিতে কিশোরগ্যাং সদস্যরা

নোয়াখালী প্রতিনিধি :

নোয়াখালীর বিভিন্ন থানা এলাকায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৬৮ জনকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে দুজনকে আগের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এ ছাড়া ছয়জনকে ৩৪ ধারায় গ্রেপ্তার এবং ৬০ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এর আগে, বুধবার জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধ, কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া রোধ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সুধারাম মডেল থানায় ১১ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজনকে নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে এবং অপর নয়জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। কোম্পানীগঞ্জ থানায় ২১ জন, বেগমগঞ্জ মডেল থানায় পাঁচজন, চরজব্বর থানায় ছয়জন, চাটখিল থানায় আটজন এবং কবিরহাট থানায় ছয়জনকে আটক করে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সোনাইমুড়ী থানায় আটক ১১ জনের মধ্যে ছয়জনকে ৩৪ ধারায় গ্রেপ্তার এবং অপর পাঁচজনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ার আরও বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি কিশোরদের সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করে জনসচেতনতামূলক ও সামাজিক প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

যোগফল | অনলাইন | নিউজ ডেস্ক 

নোয়াখালীতে খাবার অপচয় রোধে মতবিনিময় সভা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৫৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নোয়াখালীতে খাবার অপচয় রোধে মতবিনিময় সভা
নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর জেলা শহর মাইজদীর ১০টির বেশি হোটেল ও রেস্তোরাঁয় প্রতিদিনের খাবার অপচয়ের হিসাব রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অপচয়ের পরিমাণ ভোক্তাদের সামনে তুলে ধরা, প্রয়োজন অনুযায়ী খাবার অর্ডারে উৎসাহিত করা হয়।  

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে মাইজদীর নাইস গেস্ট হাউজ-২-এ খাদ্যক্ষয় ও অপচয়বিষয়ক আন্তর্জাতিক সচেতনতা দিবস উপলক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। খাদ্য নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক খানি বাংলাদেশ ও পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাকশন নেটওয়ার্ক প্রান যৌথভাবে সভাটির আয়োজন করে।

সভায় বক্তারা বলেন, প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাবার অর্ডার, বেশি রান্না এবং অবশিষ্ট খাবার সংরক্ষণ না করায় অপচয় বাড়ছে। কোনো কোনো হোটেলে প্রতিদিন প্রায় ৫০ কেজি বা তারও বেশি খাবার নষ্ট হয়। অপচয় কমাতে ভোক্তা সচেতনতা, কর্মীদের প্রশিক্ষণ ও পরিমাণ অনুযায়ী খাবার পরিবেশনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে নোয়াখালী জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সুমধু চক্রবর্তী বলেন, শুধু আইন প্রয়োগ করে খাদ্য অপচয় রোধ সম্ভব নয়। শৈশব থেকেই খাবারের মূল্য ও অপচয় রোধে সচেতনতা তৈরি করতে হবে।

এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন, এনজিও বন্ধন'র ইডি আমিনুজ্জামান মিলন, প্রান'র কর্মসূচি সমন্বয় প্রধান উম্মে সালমা পপি, পপিপার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাকশান নেটওয়ার্ক- প্রান'র মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন অফিসার নুরে আলম সিদ্দিকি রনি, প্রথম আলো নোয়াখালীর নিজস্ব প্রতিবেদক মাহবুবুর রহমান, আরটিভি ও দৈনিক আগামীর সময়ের নোয়াখালী প্রতিনিধি গিয়াস উদ্দিন রনি।  

সভা শেষে রেস্তোরাঁ প্রতিনিধিদের মধ্যে ‘ফুড ওয়েস্ট’ পোস্টার ও টেবিল স্ট্যান্ড বিতরণ করা হয়। এসবের মাধ্যমে প্রতিদিন ও মাসে কী পরিমাণ খাবার অপচয় হচ্ছে, তার হিসাব রাখা এবং ভোক্তাদের সচেতন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

যোগফল | অনলাইন | নিউজ ডেস্ক 

সাঁথিয়ায় ভিমরুলের কামড়ে প্রাণ গেল ২ শিশুর

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ অক্টোবর ২০২৬, ১:২৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাঁথিয়ায় ভিমরুলের কামড়ে প্রাণ গেল ২ শিশুর

নিহত দুই শিশু

এম এ হাই |সাঁথিয়া (পাবনা) সংবাদদাতা :

পাবনার সাঁথিয়ায় ভিমরুলের কামড়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এরা হলো উপজেলার ভুলবাড়িয়া ইউনিয়নের গয়েসবাড়ি গ্রামের নয়ন হোসেনের ছেলে রোহান হোসেন (৩) এবং একই এলাকার সুজন হোসেনের ছেলে আরাফাত হোসেন (৪) ।

নিহতদের পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রোহান ও আরাফাত তারা দুজন বাড়ির পাশে বাগানের মধ্যে খেলা করার সময় ভিমরুলের মাটির বাসায় পাট কাঠি দিয়ে আঘাত করার ফলে বিপুল পরিমাণ ভিমরুল বাচ্চা দুটিকে আক্রমণ করে। বাচ্চাদের চিৎকারে পাশে থাকা একটি বাচ্চার মা তাদের বাঁচাতে এগিয়ে এলে তাকেও আক্রমন করে ভিমরুল। কোনমতে পরবর্তীতে বাচ্চা দুটিকে নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যান সেই মা। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদেরকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। 

পরেদিন বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বাচ্চা দুটির মৃত্যু হয়। এঘটনায় একটি শিশুর মা গুরুতর আহত অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছে। 

আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুই শিশুর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

যোগফল | অনলাইন | নিউজ ডেস্ক