খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১৯ কার্তিক, ১৪৩৩

যমুনায় সরকারি ওষুধ ফেলার ঘটনায় ঘাটাইল হাসপাতালে দুদকের তদন্ত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
যমুনায় সরকারি ওষুধ ফেলার ঘটনায় ঘাটাইল হাসপাতালে দুদকের তদন্ত

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ট্রাকভর্তি সরকারি ওষুধ যমুনা নদীতে ফেলার সময় আটক ও জব্দের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ঘটনার প্রায় এক মাস পর সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও জব্দ করা ওষুধ পর্যবেক্ষণের মধ্য দিয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে সংস্থাটি।

সোমবার সকাল থেকে দুদক টাঙ্গাইলের উপপরিচালক ফখরুল ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি দল টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন কার্যালয়, ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঘাটাইল থানায় পর্যায়ক্রমে অভিযান চালায়।

অভিযানকালে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিত্যক্ত ভবন, আবাসিক কক্ষ ও টয়লেটের মেঝেতে বিপুল পরিমাণ সরকারি ওষুধ অগোছালো অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তদন্ত দল। এসব ওষুধের মধ্যে কতগুলো মেয়াদোত্তীর্ণ এবং কতগুলো ব্যবহারযোগ্য, সে বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সুনির্দিষ্ট তথ্য বা পূর্ণাঙ্গ তালিকা দেখাতে পারেনি বলে জানিয়েছে দুদক।

দুদক টাঙ্গাইলের উপপরিচালক ফখরুল ইসলাম বলেন, কমিশনের নির্দেশে অভিযান ও তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে গাফিলতি, অনিয়ম, আলামত নষ্ট এবং ঘটনাটি ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। দীর্ঘদিন ধরে ওষুধ ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম হয়ে থাকতে পারে বলেও প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত জব্দ করা ওষুধের বস্তার সঙ্গে ঘাটাইল থানায় জব্দ দেখানো ওষুধের বস্তার মধ্যে ব্যাপক গড়মিল পাওয়া গেছে। থানায় তুলনামূলক কম পরিমাণ ওষুধের বস্তা জব্দ দেখানো হয়েছে। হাসপাতালে থাকা ওষুধ এখনো শ্রেণিবিন্যাস করে সংরক্ষণ করা হয়নি। ফলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তদন্তকারীদের কাছে ওষুধের পূর্ণাঙ্গ রেকর্ডপত্র উপস্থাপন করতে পারেনি।

হাসপাতাল-সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তিনটি তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানিয়েছে। তবে ঘটনার প্রায় এক মাস পার হলেও এসব কমিটির কোনো প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন দুদক কর্মকর্তারা।

সরকারি সম্পদ আত্মসাতের বিষয়টি আড়াল করতে ঘটনাটিকে চুরির মামলা হিসেবে দেখিয়ে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ফখরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ওষুধের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি না করা এবং হাসপাতালের তত্ত্বাবধানে থাকা ওষুধের মজুত, চাহিদা ও বিতরণের সুনির্দিষ্ট হিসাব না থাকার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তিনি বলেন, হাসপাতালে ওষুধ সরবরাহ ও ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পাশাপাশি বাইরের ওষুধ কোম্পানির লোকজনের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগসাজশ রয়েছে কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।

দুদক কর্মকর্তাদের ভাষ্য, ঘটনার প্রকৃত কারণ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে কমিশনের কাছে সুপারিশ করা হবে। এরপর সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত এ তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এতে দুদক টাঙ্গাইলের উপপরিচালক ফখরুল ইসলাম, উপসহকারী পরিচালক তারেক মিয়া ও উপসহকারী পরিচালক বাছেদ আলী অংশ নেন।

যেভাবে ঘটনার সূত্রপাত

এর আগে গত ২৬ আগস্ট রাতে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ট্রাকভর্তি অন্তত ৫০ বস্তা সরকারি ওষুধ পার্শ্ববর্তী ভূঞাপুর উপজেলার যমুনা নদীতে ফেলার সময় স্থানীয়রা তা আটক করেন। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পিকআপসহ ওষুধগুলো জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় একটি চুরির মামলা করা হয়।

মামলায় ট্রাকচালক আজমতকে আটক দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। ঘটনার পর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

ঘটনার পর গত ২৯ আগস্ট প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু নয়িম মুহাম্মদ সোহেলকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়। পরে প্রতিষ্ঠানটির অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর ফরহাদ হোসেনকে শাস্তিমূলক বদলি করা হয়।

তবে ঘাটাইল উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আলমগীর কবির সুমন বলেন, দুদকের তদন্তের বিষয়ে তারা এখনো কোনো কাগজপত্র পাননি। হাসপাতাল সম্পর্কে করা অভিযোগগুলো পুরোপুরি সত্য নয়।

 তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক/ যোগফল. কম 


পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৯:২৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

ছবিতে গ্রেফতারকৃরা

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে নাশকতা, জুয়া ও অন্যান্য মামলায় মোট ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে ও বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।

থানা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের গড়েরআবাদ এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসআই নুরে আলমের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স অভিযান চালিয়ে টাকার বিনিময়ে তাস খেলার সময় ছয়জনকে আটক করে। এ সময় জুয়ার টাকা ও খেলার সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন-মৃত আবতাপ গাজীর ছেলে রশিদ গাজী (৫৫), আবুল কাসেমের ছেলে আমিরুল (৩৮), মৃত সামাদের ছেলে সফিকুল (৬০), জব্বার গাজীর ছেলে আব্দুর রহমান, জনাব মোল্লার ছেলে খানজাহান মোল্লা (৬২) এবং জামান মোল্লার ছেলে সাইফুল (৩৫)। এ ঘটনায় পাইকগাছা থানায় জুয়া আইনে মামলা হয়েছে। মামলার নম্বর ৪/২৬।

এদিকে, মঙ্গলবার রাতে নগরশ্রীরামপুর গ্রামের আব্দুল মজিদ হাজরার ছেলে হরিঢালী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মুজাহিদুল হাজরা (৪৮) এবং বুধবার সকাল ১১টার দিকে গদাইপুর ইউনিয়নের রফিকুল ইসলামের ছেলে ছাত্রলীগের সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মো. ফারজাহান পারভেজ ওরফে রুমি (২৫)-কে নাশকতা মামলায় আটক করা হয়েছে বলে জানিয়ে পুলিশ।

অন্যদিকে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে পরোয়ানাভুক্ত ও অন্যান্য মামলায় আরও ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।

পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবির আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মাদক ও জুয়া নির্মূলে পুলিশ সুপারের কঠোর নির্দেশনা বাস্তবায়নে পাইকগাছা থানা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করছে।

সিরাজগঞ্জে এসআরবি-১২ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৮:২৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সিরাজগঞ্জে এসআরবি-১২ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

ছবিতে অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ

মনজুরুল ইসলাম ।। সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

আত্মসমর্পণকারী চরমপন্থীদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ১০৩টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটেলিয়ন (এসআরবি-১২)। উদ্ধার করা সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১ হাজার ১৩৬ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৫টি ম্যাগাজিন, ৯৫টি দেশীয় অস্ত্র ও ৮টি ওয়াকিটকি সেট। তিন জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্যের আত্মসমর্পণের পর তাঁদের দেওয়া তথ্য এবং নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় এসআরবি-১২-এর সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বাহিনীর অধিনায়ক অতিরিক্ত আইজিপি আতিকুর রহমান মিয়া।

তিনি জানান, গত রোববার (১ নভেম্বর) এসআরবি-১২-এর পৃষ্ঠপোষকতায় সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও রাজবাড়ী জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্য আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেন। তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য ও বাহিনীর নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালানো হয়।
এসআরবি-১২ অধিনায়ক বলেন, সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, উল্লাপাড়া ও সলঙ্গা এবং পাবনা জেলার সাঁথিয়া ও আতাইকুলা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।

উদ্ধার করা ১০৩টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রের পাশাপাশি ১ হাজার ১৩৬ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৫টি ম্যাগাজিন, ৯৫টি দেশীয় অস্ত্র এবং ৮টি ওয়াকিটকি সেট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এসব আগ্নেয়াস্ত্রের ধরন, উৎস ও সংশ্লিষ্ট অপরাধী চক্র সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়নি।
আত্মসমর্পণে নতুন প্রত্যাশা।

এর আগে ১ নভেম্বর দুপুরে এসআরবি-১২-এর সদর দপ্তরে ‘নতুন পথে প্রত্যাবর্তন—চরমপন্থি সর্বহারা সদস্যদের আত্মসমর্পণ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিন জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্য আত্মসমর্পণ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মিজ্ ফারজানা শারমিন।
আত্মসমর্পণকারীরা চরমপন্থী কর্মকাণ্ড থেকে সরে এসে স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেন। তাঁদের পুনর্বাসন ও সমাজের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগও এ কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।

দীর্ঘদিন ধরে চরমপন্থী তৎপরতার ইতিহাস রয়েছে এমন জনপদে অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার রোধ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। আত্মসমর্পণকারীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধারের এ অভিযান ওই অঞ্চলে অবৈধ অস্ত্রের সন্ধান ও অপরাধী নেটওয়ার্ক শনাক্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে চরমপন্থীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের সমন্বিত উদ্যোগ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা জোরদার করেছে।

বাঁশখালীতে বন বিভাগের উচ্ছেদ অভিযানে হামলা, ৫ বনরক্ষীসহ আহত ৬

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৮:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাঁশখালীতে বন বিভাগের উচ্ছেদ অভিযানে হামলা, ৫ বনরক্ষীসহ আহত ৬

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন বন বিভাগের পাঁচ সদস্য ও পুলিশের এক সদস্য। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে বাঁশখালী ইকোপার্কের জঙ্গল শীলকূপ মৌজার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের করলাশিয়া নামক পাহাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন ওয়াইল্ডলাইফ স্কাউট তোফাজ্জল হোসেন (৪৫), জুনিয়র ওয়াইল্ডলাইফ স্কাউট অঞ্জন দে (৩৫), সুভাষ চন্দ্র লস্কর (৪২), পাহারাদার দেলোয়ার হোসেন (৪৫), শামসুল আলম (৪৫) এবং পুলিশের এক সদস্য। আহতদের উদ্ধার করে বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে।

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বাঁশখালী ইকোপার্ক সংলগ্ন সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও সরকারি জমি দখল করে একটি প্রভাবশালী মহল অবৈধভাবে পাকা ও আধাপাকা স্থাপনা নির্মাণ করে। খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে বন বিভাগ ও থানা পুলিশের একটি যৌথ দল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালাতে যায়। এ সময় অভিযানের খবর পেয়ে একদল ব্যক্তি সংঘবদ্ধ হয়ে বন বিভাগের সদস্যদের ওপর হামলা চালায়।

বাঁশখালী সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জানান, দুপুরের দিকে বন বিভাগের আহত চার সদস্যকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

বাঁশখালী ইকোপার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও জলদী অভয়ারণ্য রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. ইসরাইফিল হক বলেন, বন বিভাগের জায়গা দখল করে বসতঘর নির্মাণের খবর পেয়ে সকালে সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় স্থানীয় লেয়াকত আলী ও কালুর নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ হামলা চালানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে আত্মরক্ষার্থে শর্টগান থেকে দুটি ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হক বলেন, হামলার খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম