খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১৯ কার্তিক, ১৪৩৩

গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কার করতে হবে : খেলাফত মজলিস

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৩৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কার করতে হবে : খেলাফত মজলিস

সরকারের বিশেষ কমিটির মতবিনিময় সভা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে দলটি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

খেলাফত মজলিসের প্রেস ব্রিফিংয়ে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নে সর্বদলীয় সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবি; বিশেষ কমিটির মতবিনিময় সভা বর্জনের ঘোষণা।

গণভোটের মাধ্যমে প্রকাশিত জনগণের সুস্পষ্ট রায় ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনাকে উপেক্ষা করে সরকারের একতরফা ‘সংবিধান সংশোধন কমিটি’ গঠনের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে খেলাফত মজলিস। একই সঙ্গে বিদ্যমান সংবিধান সংস্কারের পরিবর্তে কেবল লোক দেখানো সংশোধনের উদ্যোগের প্রতিবাদে সরকারের বিশেষ কমিটির মতবিনিময় সভা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে দলটি।

আজ রবিবার দুপুর ১:০০টায় পুরানা পল্টনের মজলিস মিলনায়তনে আয়োজিত এক জরুরি প্রেস ব্রিফিংয়ে দলীয় অবস্থান ও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তুলে ধরেন খেলাফত মজলিস মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের। আমীরে খেলাফত মজলিস মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমীর মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক আব্দুল জলিল, প্রচার সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুল হাফিজ খসরু, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য এডভোকেট রফিকুল ইসলাম, ইসলামী যুব মজলিস সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সোহাইল আহমদ প্রমুখ।

প্রেস ব্রিফিংয়ে লিখিত বক্তব্যে মহাসচিব বলেন, চব্বিশের ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে হাজারো ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের পর স্বৈরাচারের বিচার, নিরপেক্ষ নির্বাচন ও রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যে ‘জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫’ স্বাক্ষরিত হয়েছিল। পরবর্তীতে এ সনদের ওপর অনুষ্ঠিত গণভোটে দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ ভোটার ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে সনদের পক্ষে সুস্পষ্ট ম্যান্ডেট প্রদান করেন। গণভোটের রায় অনুযায়ী—নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন, ১০০ সদস্যের উচ্চকক্ষ বিশিষ্ট দ্বি-কক্ষ সংসদ চালু এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতাসহ মৌলিক ৩০টি সংস্কার প্রস্তাব কোনো প্রকার পরিবর্তন ছাড়াই সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এছাড়া খেলাফত মজলিসসহ সর্বস্তরের ইসলামী দল ও সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল সংবিধানের মূলনীতিতে ‘মহান আল্লাহর উপর আস্থা ও বিশ্বাস’ পুনঃস্থাপন করা।

তিনি অভিযোগ করেন, গণভোটের রায় অনুযায়ী নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের একই সাথে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’-এর সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার কথা ছিল। খেলাফত মজলিসসহ অন্যান্য বিরোধী দল উভয় শপথ গ্রহণ করলেও সরকারি দল (বিএনপি) সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নিয়ে জনগণের রায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। একই সাথে বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রণীত গুম প্রতিরোধ, দুদক শক্তিশালীকরণ ও পুলিশ কমিশন সংক্রান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলো সংসদে উত্থাপন না করে সরকার কার্যত জনপ্রত্যাশার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।

ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেন, "জনগণের ম্যান্ডেট ছিল সংবিধানের আমূল পরিবর্তন তথা পূর্ণাঙ্গ সংস্কার। অথচ সরকার সংবিধান সংস্কার পরিষদের বদলে একটি নামসর্বস্ব ‘সংবিধান সংশোধন কমিটি’ গঠন করে জনগণকে ধোঁকা দেওয়ার চেষ্টা করছে।" তিনি জানান, সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি আজকের মতবিনিময় সভায় খেলাফত মজলিসকে আমন্ত্রণ জানালেও, এই কমিটি সংবিধানের মৌলিক সংস্কার না করে কার্যত বিতর্কিত সংবিধানকেই রক্ষার পাঁয়তারা করছে। এ কারণে দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব এই কমিটির বৈঠক বর্জনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সরকারকে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে খেলাফত মজলিস নেতৃবৃন্দ বলেন, সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার দোহাই দিয়ে যদি জুলাই সনদ ও গণভোটের গণরায়কে পাশ কাটানোর চেষ্টা করা হয়, তবে তা সরকারের জন্য কোনো শুভ পরিণাম বয়ে আনবে না। অবিলম্বে সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী সকল রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ গঠন করে গণরায় অনুযায়ী সংবিধানের পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা বাস্তবায়নের জোর দাবি জানানো হয়।

অনলাইন ডেস্ক

পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৯:২৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

ছবিতে গ্রেফতারকৃরা

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে নাশকতা, জুয়া ও অন্যান্য মামলায় মোট ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে ও বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।

থানা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের গড়েরআবাদ এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসআই নুরে আলমের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স অভিযান চালিয়ে টাকার বিনিময়ে তাস খেলার সময় ছয়জনকে আটক করে। এ সময় জুয়ার টাকা ও খেলার সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন-মৃত আবতাপ গাজীর ছেলে রশিদ গাজী (৫৫), আবুল কাসেমের ছেলে আমিরুল (৩৮), মৃত সামাদের ছেলে সফিকুল (৬০), জব্বার গাজীর ছেলে আব্দুর রহমান, জনাব মোল্লার ছেলে খানজাহান মোল্লা (৬২) এবং জামান মোল্লার ছেলে সাইফুল (৩৫)। এ ঘটনায় পাইকগাছা থানায় জুয়া আইনে মামলা হয়েছে। মামলার নম্বর ৪/২৬।

এদিকে, মঙ্গলবার রাতে নগরশ্রীরামপুর গ্রামের আব্দুল মজিদ হাজরার ছেলে হরিঢালী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মুজাহিদুল হাজরা (৪৮) এবং বুধবার সকাল ১১টার দিকে গদাইপুর ইউনিয়নের রফিকুল ইসলামের ছেলে ছাত্রলীগের সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মো. ফারজাহান পারভেজ ওরফে রুমি (২৫)-কে নাশকতা মামলায় আটক করা হয়েছে বলে জানিয়ে পুলিশ।

অন্যদিকে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে পরোয়ানাভুক্ত ও অন্যান্য মামলায় আরও ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।

পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবির আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মাদক ও জুয়া নির্মূলে পুলিশ সুপারের কঠোর নির্দেশনা বাস্তবায়নে পাইকগাছা থানা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করছে।

সিরাজগঞ্জে এসআরবি-১২ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৮:২৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সিরাজগঞ্জে এসআরবি-১২ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

ছবিতে অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ

মনজুরুল ইসলাম ।। সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

আত্মসমর্পণকারী চরমপন্থীদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ১০৩টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটেলিয়ন (এসআরবি-১২)। উদ্ধার করা সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১ হাজার ১৩৬ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৫টি ম্যাগাজিন, ৯৫টি দেশীয় অস্ত্র ও ৮টি ওয়াকিটকি সেট। তিন জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্যের আত্মসমর্পণের পর তাঁদের দেওয়া তথ্য এবং নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় এসআরবি-১২-এর সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বাহিনীর অধিনায়ক অতিরিক্ত আইজিপি আতিকুর রহমান মিয়া।

তিনি জানান, গত রোববার (১ নভেম্বর) এসআরবি-১২-এর পৃষ্ঠপোষকতায় সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও রাজবাড়ী জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্য আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেন। তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য ও বাহিনীর নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালানো হয়।
এসআরবি-১২ অধিনায়ক বলেন, সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, উল্লাপাড়া ও সলঙ্গা এবং পাবনা জেলার সাঁথিয়া ও আতাইকুলা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।

উদ্ধার করা ১০৩টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রের পাশাপাশি ১ হাজার ১৩৬ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৫টি ম্যাগাজিন, ৯৫টি দেশীয় অস্ত্র এবং ৮টি ওয়াকিটকি সেট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এসব আগ্নেয়াস্ত্রের ধরন, উৎস ও সংশ্লিষ্ট অপরাধী চক্র সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়নি।
আত্মসমর্পণে নতুন প্রত্যাশা।

এর আগে ১ নভেম্বর দুপুরে এসআরবি-১২-এর সদর দপ্তরে ‘নতুন পথে প্রত্যাবর্তন—চরমপন্থি সর্বহারা সদস্যদের আত্মসমর্পণ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিন জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্য আত্মসমর্পণ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মিজ্ ফারজানা শারমিন।
আত্মসমর্পণকারীরা চরমপন্থী কর্মকাণ্ড থেকে সরে এসে স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেন। তাঁদের পুনর্বাসন ও সমাজের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগও এ কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।

দীর্ঘদিন ধরে চরমপন্থী তৎপরতার ইতিহাস রয়েছে এমন জনপদে অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার রোধ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। আত্মসমর্পণকারীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধারের এ অভিযান ওই অঞ্চলে অবৈধ অস্ত্রের সন্ধান ও অপরাধী নেটওয়ার্ক শনাক্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে চরমপন্থীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের সমন্বিত উদ্যোগ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা জোরদার করেছে।

বাঁশখালীতে বন বিভাগের উচ্ছেদ অভিযানে হামলা, ৫ বনরক্ষীসহ আহত ৬

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৮:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাঁশখালীতে বন বিভাগের উচ্ছেদ অভিযানে হামলা, ৫ বনরক্ষীসহ আহত ৬

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন বন বিভাগের পাঁচ সদস্য ও পুলিশের এক সদস্য। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে বাঁশখালী ইকোপার্কের জঙ্গল শীলকূপ মৌজার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের করলাশিয়া নামক পাহাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন ওয়াইল্ডলাইফ স্কাউট তোফাজ্জল হোসেন (৪৫), জুনিয়র ওয়াইল্ডলাইফ স্কাউট অঞ্জন দে (৩৫), সুভাষ চন্দ্র লস্কর (৪২), পাহারাদার দেলোয়ার হোসেন (৪৫), শামসুল আলম (৪৫) এবং পুলিশের এক সদস্য। আহতদের উদ্ধার করে বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে।

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বাঁশখালী ইকোপার্ক সংলগ্ন সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও সরকারি জমি দখল করে একটি প্রভাবশালী মহল অবৈধভাবে পাকা ও আধাপাকা স্থাপনা নির্মাণ করে। খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে বন বিভাগ ও থানা পুলিশের একটি যৌথ দল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালাতে যায়। এ সময় অভিযানের খবর পেয়ে একদল ব্যক্তি সংঘবদ্ধ হয়ে বন বিভাগের সদস্যদের ওপর হামলা চালায়।

বাঁশখালী সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জানান, দুপুরের দিকে বন বিভাগের আহত চার সদস্যকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

বাঁশখালী ইকোপার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও জলদী অভয়ারণ্য রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. ইসরাইফিল হক বলেন, বন বিভাগের জায়গা দখল করে বসতঘর নির্মাণের খবর পেয়ে সকালে সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় স্থানীয় লেয়াকত আলী ও কালুর নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ হামলা চালানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে আত্মরক্ষার্থে শর্টগান থেকে দুটি ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হক বলেন, হামলার খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম