খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১৯ কার্তিক, ১৪৩৩

বিশ্বনাথে ঘরে ঢুকে মারধর-লুট ও ভাংচুরের ঘটনায় আ’লীগ-ছাত্রলীগের ৭০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৩:৪৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিশ্বনাথে ঘরে ঢুকে মারধর-লুট ও ভাংচুরের ঘটনায় আ’লীগ-ছাত্রলীগের ৭০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

ছবিতে নেতাকর্মী

আফজাল মিয়া | বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :

সিলেটের বিশ্বনাথে পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মজিদ বকুলকে তার নিজ বসতঘরে ঢুকে মারধর এবং ঘরের মালামাল লুট ও ভাংচুরের অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ’সহ অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের ৭০ নেতাকর্মীকে অভিযুক্ত করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। 
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মজিদ বকুল বাদী হয়ে বিশ্বনাথ থানায় মামলাটি দায়ের করেন। দায়ের করা মামলা নং ১১ (তাং ১৪.০৯.২৬ইং)।

ঘটনার ৫ দিন পর নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিশ্বনাথ উপজেলা শাখার সিনিয়র সহ সভাপতি শামীম আহমদ ওরফে চাক্কু শামীমকে প্রধান অভিযুক্ত করে থানায় দায়ের করার মামলায় ২০ জনকে এজাহারনামীয় অভিযুক্ত ও আরোও ৪০-৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা অভিযুক্ত করা হয়েছে। তবে এঘটনায় মঙ্গলবার (১৫.০৯.২৬ইং) সন্ধ্যা পর্যন্ত কোন গ্রেপ্তার নেই বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

ছাত্রদল নেতার দায়ের করা মামলার অন্যান্য অভিযুক্তরা হলেন- উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বদরুল আলম (সাং মুফতিরগাঁও), উপজেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব ওরফে হাবিব মিয়া (সাং বিশ্বনাথ নুতন বাজার), নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ বিশ্বনাথ উপজেলা শাখার সভাপতি সিরাজুল ইসলাম রুকন (সাং চান্দশিরকাপন), সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন মামুন (সাং মুফতিরগাঁও), সহ সভাপতি কয়েছ আহমদ (সাং জানাইয়া), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমরান আহমদ (সাং দৌলতপুর), রেজাউল ইসলাম রেজা (সাং শ্রীধরপুর), সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সালমান আহমেদ (সাং পাহাড়পুর), প্রচার সম্পাদক পারভেজ আহমদ (সাং বন্ধুয়া), যুবলীগ নেতা রাজন আহমদ অপু (সাং মুফতিরগাও), নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ বিশ্বনাথ উপজেলার খাজাঞ্চী ইউনিয়ন শাখার সভাপতি এনামুল হক বিজয় (সাং তেলিকোনা), কার্যক্রম নিষিদ্ধ বিশ্বনাথ উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য আশিক আলী (সাং সেনেরগাঁও), স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা রফিক আলী (সাং শরিষপুর), এবং ওয়াজিবুল মিয়া (সাং মিরেরচর), হেলাল (সাং দক্ষিণ দশপাইকা), আইদিদ আহমেদ (সাং অজ্ঞাত), আবু আহমেদ তালহা (সাং অজ্ঞাত), নাইম আহমদ (সাং অজ্ঞাত), আব্দুল হক কুতুব (চকরামপ্রসাদ)।

থানায় ছাত্রদল নেতা বকুলের দায়ের করা লিখিত এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ সেপ্টেম্বর (বুধবার) সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাদী পৌর শহরের টিএনটি রোডস্থ নিজ বাসায় অবস্থানকালে মামলার প্রধান অভিযুক্ত নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা শামীম আহমদ ওরফে চাক্কু শামীমের নেতৃত্বে সমূহ অভিযুক্তরা রামদা, দা, চাইনিজ কুড়াল, লোহাড় রড়, জিআই পাইপ, লাঠি-সোঠা’সহ দেশীং অস্ত্রে-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বাদীর বসতঘরে অনাধিকার প্রবেশ করে তার (বাদী)’র উপর হামলা করেন। হামলায় তিনি গুরুত্বর আহত হন। হামলার সময় অভিযুক্তরা বাদীর বসতঘরে থাকা আলমিরা ভেঙে প্রায় ১০ লাখ টাকা মূল্যের প্রায় ৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৫০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায় এবং প্রায় ২ লাখ টাকা মূল্যের আসবাবপত্র ভাংচুর করেছে বলে মামলার বাদী পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মজিদ বকুল তার লিখিত অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন।

মামলা দায়েরের সত্যতা স্বীকার করে বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) গাজী মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যোগফল অনলাইন নিউজ ডেস্ক 

পীরগঞ্জে "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) অনুষ্ঠিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পীরগঞ্জে  "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) অনুষ্ঠিত

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

মো. আরফান আলী | পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি 

পীরগঞ্জে গুড নেইবারস বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে ‘চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৪ নভেম্বর বুধবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে পীরগঞ্জে শিশুদের সূরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গুড নেইবারস বাংলাদেশ, পীরগঞ্জ সিডিপির (Pirganj CDP) আয়োজনে "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) শীর্ষক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বারে  প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল—"শিশুর সুরক্ষা, আমাদের অঙ্গীকার"।  

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম রাব্বানী সরদার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেণ ঠাকূরগাঁও -৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান,  সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জিয়াউর ইসলাম জিয়া, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জিন্নাতারা ইয়াসমিন, প্রমুখ।

​অনুষ্ঠানে বক্তারা শিশুদের নিরাপত্তা, অধিকার এবং তাদের সুরক্ষায় সমাজের সকল স্তরের মানুষকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। এ সময় স্থানীয় বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধি, আয়োজক সংস্থার কর্মকর্তা, সুধীবৃন্দ এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

ছবিতে গ্রেফতারকৃরা

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে নাশকতা, জুয়া ও অন্যান্য মামলায় মোট ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে ও বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।

থানা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের গড়েরআবাদ এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসআই নুরে আলমের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স অভিযান চালিয়ে টাকার বিনিময়ে তাস খেলার সময় ছয়জনকে আটক করে। এ সময় জুয়ার টাকা ও খেলার সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন-মৃত আবতাপ গাজীর ছেলে রশিদ গাজী (৫৫), আবুল কাসেমের ছেলে আমিরুল (৩৮), মৃত সামাদের ছেলে সফিকুল (৬০), জব্বার গাজীর ছেলে আব্দুর রহমান, জনাব মোল্লার ছেলে খানজাহান মোল্লা (৬২) এবং জামান মোল্লার ছেলে সাইফুল (৩৫)। এ ঘটনায় পাইকগাছা থানায় জুয়া আইনে মামলা হয়েছে। মামলার নম্বর ৪/২৬।

এদিকে, মঙ্গলবার রাতে নগরশ্রীরামপুর গ্রামের আব্দুল মজিদ হাজরার ছেলে হরিঢালী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মুজাহিদুল হাজরা (৪৮) এবং বুধবার সকাল ১১টার দিকে গদাইপুর ইউনিয়নের রফিকুল ইসলামের ছেলে ছাত্রলীগের সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মো. ফারজাহান পারভেজ ওরফে রুমি (২৫)-কে নাশকতা মামলায় আটক করা হয়েছে বলে জানিয়ে পুলিশ।

অন্যদিকে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে পরোয়ানাভুক্ত ও অন্যান্য মামলায় আরও ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।

পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবির আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মাদক ও জুয়া নির্মূলে পুলিশ সুপারের কঠোর নির্দেশনা বাস্তবায়নে পাইকগাছা থানা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করছে।

সিরাজগঞ্জে এসআরবি-১২ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সিরাজগঞ্জে এসআরবি-১২ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

ছবিতে অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ

মনজুরুল ইসলাম ।। সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

আত্মসমর্পণকারী চরমপন্থীদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ১০৩টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটেলিয়ন (এসআরবি-১২)। উদ্ধার করা সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১ হাজার ১৩৬ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৫টি ম্যাগাজিন, ৯৫টি দেশীয় অস্ত্র ও ৮টি ওয়াকিটকি সেট। তিন জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্যের আত্মসমর্পণের পর তাঁদের দেওয়া তথ্য এবং নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় এসআরবি-১২-এর সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বাহিনীর অধিনায়ক অতিরিক্ত আইজিপি আতিকুর রহমান মিয়া।

তিনি জানান, গত রোববার (১ নভেম্বর) এসআরবি-১২-এর পৃষ্ঠপোষকতায় সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও রাজবাড়ী জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্য আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেন। তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য ও বাহিনীর নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালানো হয়।
এসআরবি-১২ অধিনায়ক বলেন, সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, উল্লাপাড়া ও সলঙ্গা এবং পাবনা জেলার সাঁথিয়া ও আতাইকুলা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।

উদ্ধার করা ১০৩টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রের পাশাপাশি ১ হাজার ১৩৬ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৫টি ম্যাগাজিন, ৯৫টি দেশীয় অস্ত্র এবং ৮টি ওয়াকিটকি সেট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এসব আগ্নেয়াস্ত্রের ধরন, উৎস ও সংশ্লিষ্ট অপরাধী চক্র সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়নি।
আত্মসমর্পণে নতুন প্রত্যাশা।

এর আগে ১ নভেম্বর দুপুরে এসআরবি-১২-এর সদর দপ্তরে ‘নতুন পথে প্রত্যাবর্তন—চরমপন্থি সর্বহারা সদস্যদের আত্মসমর্পণ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিন জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্য আত্মসমর্পণ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মিজ্ ফারজানা শারমিন।
আত্মসমর্পণকারীরা চরমপন্থী কর্মকাণ্ড থেকে সরে এসে স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেন। তাঁদের পুনর্বাসন ও সমাজের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগও এ কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।

দীর্ঘদিন ধরে চরমপন্থী তৎপরতার ইতিহাস রয়েছে এমন জনপদে অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার রোধ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। আত্মসমর্পণকারীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধারের এ অভিযান ওই অঞ্চলে অবৈধ অস্ত্রের সন্ধান ও অপরাধী নেটওয়ার্ক শনাক্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে চরমপন্থীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের সমন্বিত উদ্যোগ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা জোরদার করেছে।