খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১৯ কার্তিক, ১৪৩৩

দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশের বাজারে কচু-লতি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৭ আগস্ট ২০২৬, ৯:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশের বাজারে কচু-লতি

 যোগফল প্রতিবেদক:

একসময় গ্রামের নিম্নবিত্ত মানুষের খাবার হিসেবে পরিচিত ছিল কচু-লতি। সময়ের সঙ্গে সেই ধারণা বদলে গেছে। এখন কুমিল্লার বরুড়ায় বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত কচু-লতি দেশের চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানি হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, স্পেন, ইতালিসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে।

ধানের তুলনায় কচু-লতি চাষে লাভ বেশি হওয়ায় বরুড়ার অনেক কৃষক ধান চাষের পরিবর্তে এ সবজি চাষে ঝুঁকেছেন। বর্তমানে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে কচু-লতি চাষ হচ্ছে। এ চাষকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে কয়েক হাজার মানুষের কর্মসংস্থানও।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বরুড়ায় বর্তমানে প্রায় ৪৫৯ হেক্টর জমিতে আড়াই হাজারের বেশি কৃষক বাণিজ্যিকভাবে কচু-লতি চাষ করছেন। বছরে প্রায় ১৭০ থেকে ১৮০ মেট্রিক টন কচু-লতি রপ্তানি হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় ১৭ থেকে ১৮ কোটি টাকা।

উপজেলার আগানগর, ভবানীপুর, শিলমুড়ী উত্তর ও খোশবাস দক্ষিণ ইউনিয়নে কচু-লতির চাষ বেশি হচ্ছে। ২০১৫ সালের দিকে এ অঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে কচু-লতি চাষ শুরু হয়। কম উৎপাদন খরচ, দ্রুত ফলন এবং তুলনামূলক ভালো দাম পাওয়ায় ধীরে ধীরে কৃষকদের মধ্যে এ চাষ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন বরুড়া থেকে বিপুল পরিমাণ কচু-লতি দেশের বিভিন্ন পাইকারি বাজারে পাঠানো হয়। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা কৃষকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ক্ষেত থেকে লতি সংগ্রহ করেন। পরে সেগুলো ট্রাকে করে ঢাকা ও চট্টগ্রামে পাঠানো হয়। সেখান থেকে বাছাই করা উন্নতমানের কচু-লতি বিভিন্ন রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিদেশের বাজারে পৌঁছে যায়।

ক্ষেত থেকে লতি সংগ্রহের পর তা পানিতে ধুয়ে পরিষ্কার করে আঁটি বাঁধা হয়। এরপর পাইকারদের কাছে বিক্রি করা হয়। ভালো মানের মোটা ও লম্বা লতিই মূলত রপ্তানির জন্য বাছাই করা হয়।

বরুড়ার আগানগর ইউনিয়নের বিজয়পুর গ্রামে শনি ও মঙ্গলবার ছাড়া সপ্তাহের অন্যান্য দিন কচু-লতির হাট বসে। দুপুরের পর থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে কৃষকরা লতি নিয়ে হাটে আসতে শুরু করেন। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকাররাও সেখানে জড়ো হন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাট জমজমাট হয়ে ওঠে।

বারাইপুর গ্রামের কৃষক হারুন উর রশীদ জানান, বর্তমানে প্রতি কেজি লতি ৪০ থেকে ৫০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। সপ্তাহে এক থেকে দুইবার লতি সংগ্রহ করে বিক্রি করা যায়। তিনি ৪৫ শতাংশ জমিতে কচু-লতি চাষ করে এ পর্যন্ত ৮০ হাজার টাকার বেশি বিক্রি করেছেন। তাঁর মোট খরচ হয়েছে প্রায় ৪০ হাজার টাকা।

আরেক কৃষক আব্দুল মতিন বলেন, এখন তাঁদের বাজারে নিয়ে যেতে হয় না। ব্যবসায়ীরাই অনেক সময় বাড়ি থেকে লতি সংগ্রহ করে নিয়ে যান। ভালো মানের মোটা লতি কেজিপ্রতি ৪৫ থেকে ৫০ টাকা এবং চিকন লতি ৩০ থেকে ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

পাইকারদের ভাষ্য, ভালো মানের কচু-লতি স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি বিদেশেও পাঠানো হয়। ঢাকার বিভিন্ন আড়তে পাঠানোর পর রপ্তানিকারকদের মাধ্যমে এসব পণ্য বিদেশের বাজারে পৌঁছে যায়।

একজন পাইকার জানান, গত কয়েক বছর ধরে তিনি বরুড়া থেকে কচু-লতি কিনে ঢাকার যাত্রাবাড়ীর আড়তে পাঠাচ্ছেন। ভালো মানের লতি কয়েক ধাপ হাতবদল হয়ে রপ্তানিকারকদের মাধ্যমে বিদেশে যায়।

বরুড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম বলেন, উপজেলার প্রায় ২৫ শতাংশ মানুষ সরাসরি কচু-লতি চাষের সঙ্গে জড়িত। কৃষকদের উৎপাদন বাড়ানো এবং বিদেশে রপ্তানির উপযোগী মান বজায় রাখতে প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে কচু-লতি চাষ সম্প্রসারণে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে কৃষি বিভাগ। সঠিক চাষাবাদ ও মান নিশ্চিত করা গেলে এ সবজি রপ্তানির মাধ্যমে কৃষকদের আয় আরও বাড়ানো সম্ভব।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৯:২৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

ছবিতে গ্রেফতারকৃরা

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে নাশকতা, জুয়া ও অন্যান্য মামলায় মোট ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে ও বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।

থানা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের গড়েরআবাদ এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসআই নুরে আলমের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স অভিযান চালিয়ে টাকার বিনিময়ে তাস খেলার সময় ছয়জনকে আটক করে। এ সময় জুয়ার টাকা ও খেলার সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন-মৃত আবতাপ গাজীর ছেলে রশিদ গাজী (৫৫), আবুল কাসেমের ছেলে আমিরুল (৩৮), মৃত সামাদের ছেলে সফিকুল (৬০), জব্বার গাজীর ছেলে আব্দুর রহমান, জনাব মোল্লার ছেলে খানজাহান মোল্লা (৬২) এবং জামান মোল্লার ছেলে সাইফুল (৩৫)। এ ঘটনায় পাইকগাছা থানায় জুয়া আইনে মামলা হয়েছে। মামলার নম্বর ৪/২৬।

এদিকে, মঙ্গলবার রাতে নগরশ্রীরামপুর গ্রামের আব্দুল মজিদ হাজরার ছেলে হরিঢালী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মুজাহিদুল হাজরা (৪৮) এবং বুধবার সকাল ১১টার দিকে গদাইপুর ইউনিয়নের রফিকুল ইসলামের ছেলে ছাত্রলীগের সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মো. ফারজাহান পারভেজ ওরফে রুমি (২৫)-কে নাশকতা মামলায় আটক করা হয়েছে বলে জানিয়ে পুলিশ।

অন্যদিকে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে পরোয়ানাভুক্ত ও অন্যান্য মামলায় আরও ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।

পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবির আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মাদক ও জুয়া নির্মূলে পুলিশ সুপারের কঠোর নির্দেশনা বাস্তবায়নে পাইকগাছা থানা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করছে।

সিরাজগঞ্জে এসআরবি-১২ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৮:২৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সিরাজগঞ্জে এসআরবি-১২ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

ছবিতে অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ

মনজুরুল ইসলাম ।। সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

আত্মসমর্পণকারী চরমপন্থীদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ১০৩টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটেলিয়ন (এসআরবি-১২)। উদ্ধার করা সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১ হাজার ১৩৬ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৫টি ম্যাগাজিন, ৯৫টি দেশীয় অস্ত্র ও ৮টি ওয়াকিটকি সেট। তিন জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্যের আত্মসমর্পণের পর তাঁদের দেওয়া তথ্য এবং নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় এসআরবি-১২-এর সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বাহিনীর অধিনায়ক অতিরিক্ত আইজিপি আতিকুর রহমান মিয়া।

তিনি জানান, গত রোববার (১ নভেম্বর) এসআরবি-১২-এর পৃষ্ঠপোষকতায় সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও রাজবাড়ী জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্য আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেন। তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য ও বাহিনীর নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালানো হয়।
এসআরবি-১২ অধিনায়ক বলেন, সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, উল্লাপাড়া ও সলঙ্গা এবং পাবনা জেলার সাঁথিয়া ও আতাইকুলা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।

উদ্ধার করা ১০৩টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রের পাশাপাশি ১ হাজার ১৩৬ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৫টি ম্যাগাজিন, ৯৫টি দেশীয় অস্ত্র এবং ৮টি ওয়াকিটকি সেট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এসব আগ্নেয়াস্ত্রের ধরন, উৎস ও সংশ্লিষ্ট অপরাধী চক্র সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়নি।
আত্মসমর্পণে নতুন প্রত্যাশা।

এর আগে ১ নভেম্বর দুপুরে এসআরবি-১২-এর সদর দপ্তরে ‘নতুন পথে প্রত্যাবর্তন—চরমপন্থি সর্বহারা সদস্যদের আত্মসমর্পণ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিন জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্য আত্মসমর্পণ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মিজ্ ফারজানা শারমিন।
আত্মসমর্পণকারীরা চরমপন্থী কর্মকাণ্ড থেকে সরে এসে স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেন। তাঁদের পুনর্বাসন ও সমাজের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগও এ কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।

দীর্ঘদিন ধরে চরমপন্থী তৎপরতার ইতিহাস রয়েছে এমন জনপদে অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার রোধ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। আত্মসমর্পণকারীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধারের এ অভিযান ওই অঞ্চলে অবৈধ অস্ত্রের সন্ধান ও অপরাধী নেটওয়ার্ক শনাক্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে চরমপন্থীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের সমন্বিত উদ্যোগ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা জোরদার করেছে।

বাঁশখালীতে বন বিভাগের উচ্ছেদ অভিযানে হামলা, ৫ বনরক্ষীসহ আহত ৬

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৮:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাঁশখালীতে বন বিভাগের উচ্ছেদ অভিযানে হামলা, ৫ বনরক্ষীসহ আহত ৬

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন বন বিভাগের পাঁচ সদস্য ও পুলিশের এক সদস্য। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে বাঁশখালী ইকোপার্কের জঙ্গল শীলকূপ মৌজার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের করলাশিয়া নামক পাহাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন ওয়াইল্ডলাইফ স্কাউট তোফাজ্জল হোসেন (৪৫), জুনিয়র ওয়াইল্ডলাইফ স্কাউট অঞ্জন দে (৩৫), সুভাষ চন্দ্র লস্কর (৪২), পাহারাদার দেলোয়ার হোসেন (৪৫), শামসুল আলম (৪৫) এবং পুলিশের এক সদস্য। আহতদের উদ্ধার করে বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে।

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বাঁশখালী ইকোপার্ক সংলগ্ন সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও সরকারি জমি দখল করে একটি প্রভাবশালী মহল অবৈধভাবে পাকা ও আধাপাকা স্থাপনা নির্মাণ করে। খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে বন বিভাগ ও থানা পুলিশের একটি যৌথ দল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালাতে যায়। এ সময় অভিযানের খবর পেয়ে একদল ব্যক্তি সংঘবদ্ধ হয়ে বন বিভাগের সদস্যদের ওপর হামলা চালায়।

বাঁশখালী সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জানান, দুপুরের দিকে বন বিভাগের আহত চার সদস্যকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

বাঁশখালী ইকোপার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও জলদী অভয়ারণ্য রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. ইসরাইফিল হক বলেন, বন বিভাগের জায়গা দখল করে বসতঘর নির্মাণের খবর পেয়ে সকালে সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় স্থানীয় লেয়াকত আলী ও কালুর নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ হামলা চালানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে আত্মরক্ষার্থে শর্টগান থেকে দুটি ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হক বলেন, হামলার খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম