খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ২১ কার্তিক, ১৪৩৩

গাছে বেঁধে আগুন, ২ মাস পর ইনফ্লুয়েন্সারের মৃত্যু

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৫১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গাছে বেঁধে আগুন, ২ মাস পর ইনফ্লুয়েন্সারের মৃত্যু

 যোগফল প্রতিবেদক:

ভারতের পাঞ্জাবে এক সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারকে গাছের সঙ্গে বেঁধে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। প্রায় দুই মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ২৬ আগস্ট মনজিৎ কৌর নামে ওই তরুণীর মৃত্যু হয়েছে।

এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। একই সঙ্গে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মনজিতের জবানবন্দি নেওয়ার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও তা রেকর্ড না করার অভিযোগে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত ৩ ও ৪ জুলাইয়ের মধ্যবর্তী রাতে মনজিতের পরিচিত শুভি ও পিন্ডা তাকে চণ্ডীগড়ের সেক্টর-৩৪ এলাকায় ডেকে পাঠান। সেখানে তাকে মারধরের পর জোর করে একটি গাড়িতে তুলে পাঞ্জাবের মোরিন্ডার কাছের একটি বনাঞ্চলে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ।

পুলিশের ভাষ্য, বনাঞ্চলে নেওয়ার পর অভিযুক্তরা মনজিতকে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে তার শরীরে আগুন ধরিয়ে দিয়ে পালিয়ে যান। পরে এক পরিচিত ব্যক্তি ঘটনাস্থলে গিয়ে কম্বল দিয়ে আগুন নেভান। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় মনজিতকে প্রথমে মোরিন্ডার একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তাকে মোহালির ম্যাক্স হাসপাতাল হয়ে চণ্ডীগড়ের পিজিআইএমইআরে ভর্তি করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মনজিৎ সচেতন ছিলেন এবং নিজের বক্তব্য দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সে সময় পুলিশ তার জবানবন্দি রেকর্ড করেনি।

গত ২৬ আগস্ট পিজিআইএমইআরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মনজিতের মৃত্যু হয়। এরপর পিজিআই পুলিশ পোস্ট থেকে খারার সদর থানায় বিষয়টি জানানো হয়। পরে তদন্তকারী কর্মকর্তা হাসপাতালে গিয়ে নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন।

পরবর্তীতে মনজিতের মাকে চণ্ডীগড়ের সেক্টর-৩৪ থানায় নিয়ে তার জবানবন্দি নেওয়া হয়। বুধবার রাতে এ ঘটনায় একটি এফআইআর দায়ের করা হয়। বৃহস্পতিবার পিজিআইএমইআরে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

তবে পুলিশের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে পাঞ্জাব পুলিশ। তাদের দাবি, অপহরণের ঘটনা চণ্ডীগড়ে হওয়ায় এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব ছিল চণ্ডীগড় পুলিশের। খারার পুলিশ নিহতের মাকে সহযোগিতা করেছে এবং মামলা দায়েরের প্রক্রিয়ায় সহায়তা করেছে বলেও জানিয়েছে তারা।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, চণ্ডীগড়ে অপহরণ থেকে শুরু করে মোরিন্ডায় হামলার ঘটনাটি পুনর্নির্মাণ করে তদন্ত করা হবে। পাশাপাশি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মনজিতের জবানবন্দি নেওয়ার সুযোগ কেন কাজে লাগানো হয়নি, সেটিও তদন্তের আওতায় আনা হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

কোটালীপাড়ায় গাছতলায় আশ্রয় নেওয়া ৯৫ বছরের বৃদ্ধের পাশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৬ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কোটালীপাড়ায় গাছতলায় আশ্রয় নেওয়া ৯৫ বছরের বৃদ্ধের পাশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ছবি যোগফল

কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

ছয় সন্তানকে লালন-পালন করে বড় করেছেন। জীবনের দীর্ঘ ৯৫টি বছর কাটিয়েছেন পরিবার ও সন্তানদের জন্য পরিশ্রম করে। অথচ জীবনের শেষ প্রান্তে এসে সেই বৃদ্ধ বাবার ঠাঁই হয়েছিল বাড়ির পাশের একটি গাছতলায়। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এমন হৃদয়স্পর্শী খবর নজরে আসার পর বৃদ্ধ হাজী শামসুল হক মোল্লার পাশে দাঁড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার উত্তর হিরণ গ্রামের ৯৫ বছর বয়সী এই বৃদ্ধের দুরবস্থার খবরটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির চেয়ারম্যান ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টিগোচর হয়। এরপর তিনি তাঁর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে আজ বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর ২০২৬) ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল কোটালীপাড়ার উত্তর হিরণ গ্রামে হাজী শামসুল হক মোল্লার বাড়িতে যান। তাঁরা বৃদ্ধের শারীরিক অবস্থা, পারিবারিক পরিস্থিতি ও জীবনযাপনের খোঁজখবর নেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে তাঁর হাতে উপহার তুলে দেওয়া হয় এবং পৌঁছে দেওয়া হয় সহমর্মিতা ও পাশে থাকার বার্তা।

সাক্ষাৎকালে কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন গণমাধ্যমকে এক প্রেস রিলিজে বলেন,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বৃদ্ধ হাজী শামসুল হক মোল্লার নিরাপদ আশ্রয়, প্রয়োজনীয় পরিচর্যা ও মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা সরেজমিনে এসে জানতে পেরেছি, তাঁর ছেলেরা তাঁকে পুনরায় বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়েছেন এবং আমৃত্যু তাঁর দায়িত্ব পালনের আশ্বাস দিয়েছেন। বিষয়টি আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করব।

তিনি আরও জানান, একজন প্রবীণের সম্মানজনক জীবনযাপন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পরিবারের পাশাপাশি সমাজেরও মানবিক দায়িত্ব।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৯৫ বছর বয়সী হাজী শামসুল হক মোল্লা জীবনের দীর্ঘ সময় কঠোর পরিশ্রম করে দুই ছেলে ও চার মেয়েকে বড় করেছেন। সম্প্রতি নিজের জমিজমা ছয় সন্তানের মধ্যে ভাগ করে দেওয়ার পর তিনি পারিবারিকভাবে অবহেলা ও আশ্রয়সংকটে পড়েন। একপর্যায়ে বসতবাড়ি থেকে বের হয়ে বাড়ির পাশের একটি গাছতলায় আশ্রয় নিতে বাধ্য হন তিনি। তাঁর এমন অসহায় অবস্থার খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা দেশজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি করে এবং প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে।

একজন প্রবীণের জীবনের শেষ সময় যেন অবহেলা, অনিশ্চয়তা ও আশ্রয়হীনতায় না কাটে এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের। সন্তানদের কাছে ফিরে যাওয়ার পর বৃদ্ধ বাবার দায়িত্ব পালনের যে আশ্বাস পাওয়া গেছে, তা যেন বাস্তবেও প্রতিফলিত হয়, এমনটাই চান সচেতন মহল।

এসময় প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্য মাসুদ রানা লিটন, শাকিল আহমদ ও শাহাদাত হোসেন, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সম্পাদক হাসনাইন নাহিয়ান সজীব, ছাত্রনেতা মশিউর রহমান মহান ও আব্দুল্লাহ আল মিসবাহসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।

এ ব্যাপারে কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফ -উল - আরেফীনের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, বৃদ্ধ বাবা গাছতলায় আশ্রয় নেওয়ার খব্র জানতে পেরে আমি তাঁর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে বাড়িতে ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। তবে আজ বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষে একটি প্রতিনিধি দল শামসুল হক মোল্লার বাড়িতে এসেছিল বলে আমি জানতে পেরেছি। প্রতিনিধি দলের কেউ এখন পর্যন্ত আমার সঙ্গে দেখা করেনি বা কোনো যোগাযোগ করেনি।

পাইকগাছায় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)’ উদ্বোধন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)’ উদ্বোধন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)’-এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে খুলনা জেলা স্টেডিয়াম থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে এ প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

এ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী।

উপজেলা এসএফডিএফ কর্মকর্তা জিএম জাকারিয়ার সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. পার্থ প্রতিম রায়, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. একরামুল হোসেন, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আজহারুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রওশানারা পারভীন, সমবায় কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. কুতুব উদ্দীন, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন, সহকারী অধ্যাপক মো. মোমিন সানা, পৌর জামাতের সেক্রেটারি মোঃ মিজানুর রহমান, প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল ওহাব, সেলিনা পারভীন, বিজন বিশ্বাস ও খলিলুর রহমান, এসএম আমিনুল ইসলাম লিটু এবং জামিলুর রহমান রানা প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, খেলাধুলা ও শারীরিক চর্চা যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পাশাপাশি খেলাধুলা একটি সুস্থ, সুন্দর ও মননশীল জাতি গঠনে সহায়ক। তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)’ গ্রামীণ ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদদের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

অনুষ্ঠান শেষে উপজেলা পরিষদের খেলার মাঠে এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।

অক্টোবরজুড়ে পাইকগাছা থানা পুলিশের অভিযানে ৪৪জন মাদককারবারী গ্রেফতার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৬ নভেম্বর ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অক্টোবরজুড়ে পাইকগাছা থানা পুলিশের অভিযানে ৪৪জন মাদককারবারী গ্রেফতার

ছবি যোগফল

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করেছে থানা পুলিশ। গত অক্টোবর মাসে বিভিন্ন অভিযানে ৪৪ জন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ৩৫২ পিস ইয়াবা, ৫১১ গ্রাম গাঁজা, আড়াই লিটার বাংলা চোলাই মদ ও চার পিস মাদকদ্রব্যযুক্ত সিরাপ উদ্ধার করা হয়। একই মাসে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ১০টি নিয়মিত মামলা, ১৮টি সামারি ট্রায়াল মামলা ও সাতটি নন-এফআইআর প্রসিকিউশন মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পাইকগাছা থানা সূত্রে জানা যায়, অক্টোবর মাসজুড়ে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ২০ জনকে নিয়মিত মামলায় আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ১৮টি সামারি ট্রায়াল মামলায় আরও ২৪ জনকে আটক ও বিভিন্ন পরিমাণের মাদক উদ্ধার করা হয় এবং তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। এসব মামলায় অভিযুক্তদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়েছে। একই সময়ে সাতটি নন-এফআইআর প্রসিকিউশন মামলায় আরও ২০ জনকে আদালতে পাঠানো হয়। এসব মামলায় তাঁদের সাজা ও জরিমানা করা হয়েছে। অপহরণ, চুরি ও চাঁদাবাজির ঘটনায় অভিযান। মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি অক্টোবর মাসে অপহরণ, চুরি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজির ঘটনায়ও একাধিক অভিযান পরিচালনা করেছে পুলিশ।

থানা সূত্রে জানা যায়, অক্টোবর মাসে পাইকগাছা থানায় ছয়টি অপহরণ মামলা দায়ের হয়। এসব মামলায় আটজনকে গ্রেপ্তার এবং অপহৃত ব্যক্তিদের উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া ছিনতাই হওয়া একটি ট্রাক উদ্ধার করা হয়।

সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকা থেকে সংবদ্ধ চোর চক্রের চুরি করা ইঞ্জিনচালিত একটি ট্রলার উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় চক্রের দুজনকে আটক করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে চাঁদা দাবি এবং প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় মূল হোতাকেও গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, দুই ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে ৭০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির মামলায় মূল হোতাসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় অপহৃত দুই ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া সংবদ্ধ চোর চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার, চোরাই ভ্যান উদ্ধার এবং ভ্যানটি ক্রয়কারীকে আটক করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও জুয়ার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে থানা পুলিশ। এসব ঘটনায় আরো ১৫ জনকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি ছয় হাজার পাঁচ জাল টাকা উদ্ধার পূর্বক প্রতারককে আটক করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। 

পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবির এসব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ রেজাউল করিম ও জেলা পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুকের নির্দেশনায় পাইকগাছা থানা পুলিশ জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাদক, চুরি, চাঁদাবাজি, জুয়াড়ি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে পাইকগাছা থানা পুলিশের এধরণের প্রচেষ্টা অব্যহত থাকবে।