খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১ আশ্বিন, ১৪৩৩

২৪ বছর পর পড়াশোনায় ফেরা, ৫১-তে এমবিবিএস পাস

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৪৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
২৪ বছর পর পড়াশোনায় ফেরা, ৫১-তে এমবিবিএস পাস

 যোগফল প্রতিবেদক:

২৪ বছর পড়াশোনার বাইরে থাকার পর আবারও মেডিকেল কলেজে ফিরে এসে ৫১ বছর বয়সে এমবিবিএস পাস করেছেন মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ। দীর্ঘ বিরতি, পারিবারিক নানা সংকট ও নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে তাঁর এই অর্জন এখন অনুপ্রেরণার গল্প হয়ে উঠেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) অধিভুক্ত মেডিকেল কলেজের চূড়ান্ত পেশাগত এমবিবিএস পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয় গত ১ সেপ্টেম্বর। ওই পরীক্ষায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হন হাবিবুল্লাহ।

হাবিবুল্লাহ ঢাকা মেডিকেল কলেজের ‘কে-৫৩’ ব্যাচের (১৯৯৫-৯৬ শিক্ষাবর্ষ) শিক্ষার্থী ছিলেন। নিয়ম অনুযায়ী ২০০২ সালে তাঁর এমবিবিএস পাস করার কথা ছিল। কিন্তু নানা জটিলতায় পড়াশোনা থেমে যায়। দীর্ঘ ২৪ বছর পর তিনি আবার পড়াশোনা শুরু করে ২০২৬ সালে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন।

হাবিবুল্লাহ জানান, মেডিকেলে পড়ার শুরুতে তাঁর ফলাফল ভালোই ছিল। একপর্যায়ে এক শিক্ষকের সঙ্গে বিরোধসহ বিভিন্ন জটিলতা তৈরি হয়। একই সঙ্গে পারিবারিক সমস্যাও চলছিল। জুনিয়র শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ক্লাস করতে হওয়ায় তিনি মানিয়ে নিতে পারছিলেন না। একসময় মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে পড়াশোনা ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

তাঁর বাবা আবু বক্কর সিদ্দিকও ছিলেন চিকিৎসক। তিনি দেশের বিভিন্ন এলাকায় সিভিল সার্জন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বড় পরিবারের আর্থিক টানাপোড়েনও হাবিবুল্লাহর জীবনে প্রভাব ফেলেছিল। তাঁর বাবা ২০০০ সালে এবং মা ২০১৬ সালে মারা যান।

আবারও মেডিকেলে ফেরার সিদ্ধান্ত

২০২৩ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজের তৎকালীন উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক আবদুল হানিফ টাবলুর সঙ্গে দেখা করেন হাবিবুল্লাহ। তখন তিনি দীর্ঘদিনের বিরতি কাটিয়ে আবার মেডিকেলে ভর্তি হয়ে পড়াশোনা শেষ করার আগ্রহের কথা জানান।

দীর্ঘ বিরতির পর আবার ভর্তি হতে তাঁর প্রায় দুই লাখ টাকা জরিমানা প্রয়োজন হয়। নিজের পক্ষ থেকে এক লাখ টাকা দেওয়ার পাশাপাশি বন্ধু, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতায় বাকি অর্থ সংগ্রহ করা হয়। এরপর নতুন করে পড়াশোনা শুরু করেন তিনি।

হাবিবুল্লাহর এমবিবিএস পাসের পর অধ্যাপক আবদুল হানিফ টাবলু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে অভিনন্দন জানান। সেখানে তিনি ২৪ বছর পর হাবিবুল্লাহর এমবিবিএস পাসের বিষয়টি উল্লেখ করে তাঁর অধ্যবসায়ের প্রশংসা করেন।

অধ্যাপক আবদুল হানিফ বলেন, হাবিবুল্লাহর ইচ্ছাশক্তির পাশাপাশি তাঁর বন্ধু ও শিক্ষকেরাও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। এ কারণেই এত দীর্ঘ বিরতির পর তাঁর পক্ষে পড়াশোনা শেষ করা সম্ভব হয়েছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

এখন ইন্টার্নশিপের অপেক্ষায় আছেন হাবিবুল্লাহ। এরপর সাইকিয়াট্রি বা মনোরোগবিদ্যায় উচ্চতর প্রশিক্ষণ নেওয়ার ইচ্ছা রয়েছে তাঁর। মানুষের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করতে চান তিনি।

নিজের এই দীর্ঘ যাত্রা সম্পর্কে হাবিবুল্লাহ বলেন, তিনি চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছিলেন এবং নিজেকেই বারবার উৎসাহ দিয়েছেন। বন্ধু, সহপাঠী ও শিক্ষকদের সহযোগিতা তাঁকে পথ চলতে সাহস জুগিয়েছে।

তাঁর এই অর্জনকে ইচ্ছাশক্তি ও অধ্যবসায়ের অনন্য উদাহরণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। দীর্ঘ বিরতির পরও লক্ষ্য ঠিক রেখে চেষ্টা করলে অসম্ভব বলে কিছু নেই—হাবিবুল্লাহর গল্প যেন সেই বার্তাই দেয়।

অধ্যাপক আবদুল হানিফ মনে করেন, মেডিকেল শিক্ষার্থীদের কেউ বিভিন্ন কারণে পিছিয়ে পড়লে শিক্ষকদের আরও যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন। এ ধরনের শিক্ষার্থীদের জন্য কার্যকর মেন্টরশিপ ও তত্ত্বাবধান থাকলে অনেকেই আবার মূল ধারায় ফিরতে পারবেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

জমি নিয়ে বিরোধে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:১৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জমি নিয়ে বিরোধে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩

ছবি সংগৃহীত

নোয়াখালী প্রতিনিধি :

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে জমি নিয়ে দুই ভাইয়ের পরিবারের বিরোধের জেরে ছোট ভাইয়ের পরিবারের ওপর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে বড় ভাইয়ের মেয়ের জামাই ও তার স্বজনদের বিরুদ্ধে। হামলার সময় আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার আমানউল্লাহপুর ইউনিয়নের লাকুড়িয়ার কান্দি গ্রামে পাটোয়ারী বাড়িতে এ ঘটনার পর রাতে থানায় মামলা ও গ্রেপ্তার করা হয়।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আসামিদের নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর আগে, মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার আমানউল্লাহপুর ইউনিয়নের লাকুড়িয়ার কান্দি গ্রামের পাটোয়ারী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, লাকুড়িয়ার কান্দি গ্রামের আনোয়ার উল্লার দুই ছেলে মজিব উল্যার ও প্রয়াত শরিফ উল্যার পরিবারের মধ্যে বাড়ির জমিজমা নিয়ে বিরোধে চলছে।
মঙ্গলবার বিকেলে বিরোধীয় জায়গায় ঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের ছেলেমেয়েদের মধ্যে ঝগড়া ও মারামারি হয়। এ সময় মজিব উল্লার মেয়ে শারমিনের চোখে আঘাত করেন প্রয়াত শরিফ উল্লার ছেলেমেয়েরা। খবর পেয়ে বিকেল ৪টার দিকে পাশের গোপালপুর ইউনিয়েনের রসূরপুর গ্রাম থেকে শারমিনের স্বামী মো.ইস্রাফিল লোকজন নিয়ে চাচা শ্বশুর শরিফ উল্লার পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালান। হামলার সময়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভিডিওতে হামলাকারীদের দুইজনের হাতে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র দেখা যায়। তাদের মধ্যে কয়েকজন মুখোশধারী ছিলেন। এ সময় অস্ত্রধারীরা শরিফ উল্লার পরিবারের নারী পুরুষ সদস্যদের দিকে তেড়ে যেতে দেখা যায়। তারা শরিফ উল্লার বসতঘরে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাংচুর চালান।

বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শামসুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় শরিফ উল্যার ছোট ছেলে মোবারক উল্যাহ বাদী হয়ে মামলা করেছেন।

তিনি বলেন, মামলায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে। পরে এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইস্রাফিল, তার বাবা তোফায়েল আহমেদ ও শ্বশুর মজিব উল্যাহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অস্ত্র উদ্ধার ও মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

হাতিয়ায় সেই স্কুলে ফের ৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:০৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
হাতিয়ায় সেই স্কুলে ফের ৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ

ছবিতে অসুস্থ শিক্ষার্থী

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার জোড়খালী উচ্চ বিদ্যালয়ে আবারও ৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এ নিয়ে মাত্র ১০ দিনের মধ্যে একই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার ঘটনা ঘটল তিনবার।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আয়োজিত অভিভাবক সমাবেশ চলাকালে হঠাৎ কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে অসুস্থ শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে ৯ জনে দাঁড়ায়। তাদের মধ্যে তিনজনের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের নিয়ে সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশ চলাকালে হঠাৎ কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে আরও কয়েকজন অসুস্থ হলে বিদ্যালয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক বিদ্যালয়ে ছুটে যান হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল। তিনি শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতির খোঁজ নেন।

এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর একই বিদ্যালয়ে ঝাঁজালো গন্ধে ১৬ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। এরপর গত ১৪ সেপ্টেম্বর শ্রেণিকক্ষে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে আরও ২১ শিক্ষার্থী। তাদের হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ওই ঘটনায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলা হয়। তখন শ্রেণিকক্ষে ঝাঁজালো গন্ধ পাওয়ার বিষয়টি জানা যায়। পরপর তিনবার শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জসীমউদ্দিন বলেন, ৫-৬ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ার বিষয়টি অভিভাবকেরা জানিয়েছেন। প্রশাসনের লোকজন ঘটনাস্থলে রয়েছেন। তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।

হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল বলেন, ৯জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা শহরে পাঠানো হয়। কী কারণে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ বা অজ্ঞান হচ্ছে, তা এখনো নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। কারণ অনুসন্ধানে প্রশাসন কাজ করছে।

চুমুর দৃশ্যের শুটিংয়ে টানা চার ঘণ্টা, অভিজ্ঞতা জানালেন কিম জি সোক

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চুমুর দৃশ্যের শুটিংয়ে টানা চার ঘণ্টা, অভিজ্ঞতা জানালেন কিম জি সোক

ছবি সংগৃহীত

বিনোদন ডেস্ক: একটি চুমুর দৃশ্যের শুটিং করতে টানা চার ঘণ্টা সময় লেগেছিল। এমন অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার অভিনেতা কিম জি সোক। তাঁর সঙ্গে ওই দৃশ্যে অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী মিন জুং।

১৫ সেপ্টেম্বর লি মিন জুংয়ের ইউটিউব চ্যানেলে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন কিম জি সোক। অনুষ্ঠানে তাঁদের বন্ধুত্ব এবং নতুন নাটক ‘ওকে! লেটস গেট ডিভোর্স’-এ স্বামী-স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলেন দুই অভিনয়শিল্পী।

অনুষ্ঠানে মিথ্যা শনাক্তকারী যন্ত্র নিয়ে মজার খেলায় অংশ নেন তাঁরা। একপর্যায়ে কিম জি সোক লি মিন জুংকে প্রশ্ন করেন, ‘আমার সঙ্গে চুমুর দৃশ্যের শুটিং করে বাড়ি ফেরার পর আপনার কি অপরাধবোধ হয়েছিল?’

জবাবে লি মিন জুং বলেন, ‘না।’ মিথ্যা শনাক্তকারী যন্ত্রও জানায়, তিনি সত্যি বলেছেন। এতে অবাক হয়ে কিম জি সোক বলেন, ‘সত্যিই?’ এরপর নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার অপরাধবোধ হয়েছিল।’ তাঁর কথা শুনে হেসে ফেলেন লি মিন জুং।

চার ঘণ্টা ধরে চুমুর দৃশ্যের শুটিং

চুমুর দৃশ্যটির শুটিং নিয়ে বিস্তারিত বলতে গিয়ে কিম জি সোক বলেন, ‘আপনার জন্য বিষয়টি কেমন ছিল জানি না। তবে অভিনয়ে আসার পর এত দীর্ঘ ও তীব্র চুমুর দৃশ্য এর আগে কখনো করিনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘শুধু চুমুর দৃশ্যটির শুটিংই আমরা চার ঘণ্টা করেছি।’

শুটিংয়ের সময় নিজের দাড়ির কারণে আরও একটি সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছিল বলে জানান এই অভিনেতা। তাঁর ভাষ্য, ‘আমার দাড়ি ছিল। তাই লি মিন জুংয়ের মুখে আঁচড় লেগে লাল হয়ে গিয়েছিল।’

স্বামীকে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের কথা জানান কি?

অনুষ্ঠানে লি মিন জুংকে জিজ্ঞাসা করা হয়, কাজের প্রয়োজনে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয়ের কথা তিনি স্বামীকে জানান কি না। উত্তরে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমরা যদি প্রেমের সম্পর্কে থাকতাম, তাহলে হয়তো বলতাম। কিন্তু বিয়ে ও সন্তান হওয়ার পর, “আজ আমি চুমুর দৃশ্যের শুটিং করতে যাচ্ছি”—এভাবে বলা...’

কথা শেষ না করেই হেসে ফেলেন লি মিন জুং। কিম জি সোকও হেসে বলেন, ‘ওটা তো হাস্যকর হবে।’

উল্লেখ্য, লি মিন জুং ২০১৩ সালে অভিনেতা লি বিয়ং হুনকে বিয়ে করেন। তাঁদের দুই সন্তান রয়েছে। বর্তমানে ‘ওকে! লেটস গেট ডিভোর্স’ নাটকে কিম জি সোকের সঙ্গে স্বামী-স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি।