খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১ আশ্বিন, ১৪৩৩

সাইবার অপরাধীদের জালিয়াতি রোখার গোপন চাবিকাঠি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:০৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাইবার অপরাধীদের জালিয়াতি রোখার গোপন চাবিকাঠি

যোগফল প্রতিবেদক: 

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির সাহায্যে তৈরি ‘ডিপফেক’ ভয়েস স্ক্যাম এখন বিশ্বজুড়ে বড় ধরনের সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি হয়ে উঠেছে। প্রিয়জনের অবিকল কণ্ঠস্বর নকল করে বিপদে পড়ার কথা জানিয়ে মুহূর্তের মধ্যে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারকরা। এ ধরনের প্রতারণা থেকে বাঁচতে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে একটি গোপন শব্দ বা ‘কোডওয়ার্ড’ নির্ধারণ করে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের বাসিন্দা এলিজাবেথ বেনজের অভিজ্ঞতা এ ধরনের প্রতারণার ভয়াবহতা তুলে ধরে। সম্প্রতি একটি ফোনকলে তিনি তার ১৬ বছর বয়সী ছেলে জনের কান্নাজড়িত কণ্ঠ শুনতে পান। ফোনে জানানো হয়, তার এক বন্ধু মারা গেছে। এরপর এক অচেনা ব্যক্তি ফোনটি নিয়ে বিপুল পরিমাণ মুক্তিপণ দাবি করে এবং টাকা না দিলে ছেলেকে হত্যার হুমকি দেয়।

ছেলের বিপদের কথা শুনে আতঙ্কিত হয়ে টাকা দিতে ছুটছিলেন এলিজাবেথ। তবে শেষ মুহূর্তে তার জ্যেষ্ঠ সন্তানের মাধ্যমে জানতে পারেন, জন সম্পূর্ণ নিরাপদে ফুটবল মাঠে খেলছে। পরে তিনি বুঝতে পারেন, ফোনকলটি ছিল এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি একটি ডিপফেক জালিয়াতি।

এলিজাবেথের পরিবারে আগে থেকেই একটি গোপন কোডওয়ার্ড নির্ধারণ করা ছিল। কিন্তু আকস্মিক ভয় ও আতঙ্কের কারণে সেই মুহূর্তে তিনি কোডওয়ার্ডটির কথা মনে করতে পারেননি।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, এআইনির্ভর স্ক্যাম এখন আর কাল্পনিক কোনো বিষয় নয়। বিশ্বজুড়ে অসংখ্য মানুষ এ ধরনের প্রতারণার শিকার হয়ে তাদের জমানো অর্থ হারাচ্ছেন। প্রতারকরা মানুষের আবেগ ও ভয়কে কাজে লাগিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে।

সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ও ডিপফেক গবেষক হ্যানি ফারিদের মতে, গভীর রাতে হঠাৎ প্রিয়জনের বিপদের খবর কিংবা অস্বাভাবিক আর্থিক সহায়তার দাবি এলে মানুষ স্বাভাবিকভাবেই বিচলিত হয়ে পড়ে। এ সময় আবেগের বশবর্তী না হয়ে ফোনকলটির সত্যতা যাচাই করা জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, পরিবারের সদস্যদের মধ্যে আগে থেকেই একটি গোপন শব্দ বা কোডওয়ার্ড নির্ধারণ করে রাখা উচিত। এমন কোনো শব্দ, বাক্যাংশ বা পারিবারিক অভ্যন্তরীণ বিষয় বেছে নেওয়া যেতে পারে, যা পরিবারের সদস্যরা ছাড়া অন্য কারও জানার কথা নয়।

তবে শুধু কোডওয়ার্ড নির্ধারণ করে রাখলেই হবে না। জরুরি পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত না হয়ে সেটি মনে করা এবং ব্যবহার করার অভ্যাসও তৈরি করতে হবে।

যেসব লক্ষণে সতর্ক হবেন

নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিপফেক ভয়েস স্ক্যামে সাধারণত কয়েকটি বিষয় লক্ষ্য করা যায়—

প্রথমত, অতিরিক্ত জরুরি পরিস্থিতি তৈরি করা। প্রতারকরা এমনভাবে কথা বলে যাতে ভুক্তভোগী চিন্তা বা যাচাই করার সময় না পান।

দ্বিতীয়ত, অচিহ্নিত মাধ্যমে অর্থ দাবি করা। বিটকয়েন, গিফট কার্ড বা নগদ অর্থের মতো মাধ্যমে টাকা চাওয়া হতে পারে।

তৃতীয়ত, অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগে বাধা দেওয়া। ভুক্তভোগী যাতে পরিবারের অন্য সদস্য বা পরিচিত কারও সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি যাচাই করতে না পারেন, সে চেষ্টা করা হয়।

প্রতারণা থেকে বাঁচতে যা করবেন

অস্বাভাবিক কোনো ফোনকল এলে প্রথমেই আতঙ্কিত না হয়ে পরিস্থিতি যাচাই করতে হবে। পরিবারের নির্ধারিত কোডওয়ার্ড জানতে চাইতে পারেন। পাশাপাশি অন্য একটি নম্বর থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে তার অবস্থান নিশ্চিত করা উচিত।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কয়েক মাস পরপর পরিবারের সদস্যদের একসঙ্গে বসে কোডওয়ার্ডটি মনে করে নেওয়া এবং জরুরি পরিস্থিতিতে কীভাবে এটি ব্যবহার করতে হবে তা অনুশীলন করা প্রয়োজন।

আতঙ্কের মুহূর্তে দ্রুত সিদ্ধান্ত না নিয়ে কয়েক মিনিট সময় নিয়ে তথ্য যাচাই করাই পারে এআইনির্ভর ডিপফেক প্রতারণা থেকে পরিবারকে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

জমি নিয়ে বিরোধে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:১৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জমি নিয়ে বিরোধে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩

ছবি সংগৃহীত

নোয়াখালী প্রতিনিধি :

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে জমি নিয়ে দুই ভাইয়ের পরিবারের বিরোধের জেরে ছোট ভাইয়ের পরিবারের ওপর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে বড় ভাইয়ের মেয়ের জামাই ও তার স্বজনদের বিরুদ্ধে। হামলার সময় আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার আমানউল্লাহপুর ইউনিয়নের লাকুড়িয়ার কান্দি গ্রামে পাটোয়ারী বাড়িতে এ ঘটনার পর রাতে থানায় মামলা ও গ্রেপ্তার করা হয়।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আসামিদের নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর আগে, মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার আমানউল্লাহপুর ইউনিয়নের লাকুড়িয়ার কান্দি গ্রামের পাটোয়ারী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, লাকুড়িয়ার কান্দি গ্রামের আনোয়ার উল্লার দুই ছেলে মজিব উল্যার ও প্রয়াত শরিফ উল্যার পরিবারের মধ্যে বাড়ির জমিজমা নিয়ে বিরোধে চলছে।
মঙ্গলবার বিকেলে বিরোধীয় জায়গায় ঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের ছেলেমেয়েদের মধ্যে ঝগড়া ও মারামারি হয়। এ সময় মজিব উল্লার মেয়ে শারমিনের চোখে আঘাত করেন প্রয়াত শরিফ উল্লার ছেলেমেয়েরা। খবর পেয়ে বিকেল ৪টার দিকে পাশের গোপালপুর ইউনিয়েনের রসূরপুর গ্রাম থেকে শারমিনের স্বামী মো.ইস্রাফিল লোকজন নিয়ে চাচা শ্বশুর শরিফ উল্লার পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালান। হামলার সময়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভিডিওতে হামলাকারীদের দুইজনের হাতে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র দেখা যায়। তাদের মধ্যে কয়েকজন মুখোশধারী ছিলেন। এ সময় অস্ত্রধারীরা শরিফ উল্লার পরিবারের নারী পুরুষ সদস্যদের দিকে তেড়ে যেতে দেখা যায়। তারা শরিফ উল্লার বসতঘরে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাংচুর চালান।

বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শামসুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় শরিফ উল্যার ছোট ছেলে মোবারক উল্যাহ বাদী হয়ে মামলা করেছেন।

তিনি বলেন, মামলায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে। পরে এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইস্রাফিল, তার বাবা তোফায়েল আহমেদ ও শ্বশুর মজিব উল্যাহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অস্ত্র উদ্ধার ও মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

হাতিয়ায় সেই স্কুলে ফের ৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:০৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
হাতিয়ায় সেই স্কুলে ফের ৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ

ছবিতে অসুস্থ শিক্ষার্থী

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার জোড়খালী উচ্চ বিদ্যালয়ে আবারও ৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এ নিয়ে মাত্র ১০ দিনের মধ্যে একই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার ঘটনা ঘটল তিনবার।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আয়োজিত অভিভাবক সমাবেশ চলাকালে হঠাৎ কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে অসুস্থ শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে ৯ জনে দাঁড়ায়। তাদের মধ্যে তিনজনের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের নিয়ে সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশ চলাকালে হঠাৎ কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে আরও কয়েকজন অসুস্থ হলে বিদ্যালয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক বিদ্যালয়ে ছুটে যান হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল। তিনি শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতির খোঁজ নেন।

এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর একই বিদ্যালয়ে ঝাঁজালো গন্ধে ১৬ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। এরপর গত ১৪ সেপ্টেম্বর শ্রেণিকক্ষে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে আরও ২১ শিক্ষার্থী। তাদের হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ওই ঘটনায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলা হয়। তখন শ্রেণিকক্ষে ঝাঁজালো গন্ধ পাওয়ার বিষয়টি জানা যায়। পরপর তিনবার শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জসীমউদ্দিন বলেন, ৫-৬ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ার বিষয়টি অভিভাবকেরা জানিয়েছেন। প্রশাসনের লোকজন ঘটনাস্থলে রয়েছেন। তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।

হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল বলেন, ৯জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা শহরে পাঠানো হয়। কী কারণে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ বা অজ্ঞান হচ্ছে, তা এখনো নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। কারণ অনুসন্ধানে প্রশাসন কাজ করছে।

চুমুর দৃশ্যের শুটিংয়ে টানা চার ঘণ্টা, অভিজ্ঞতা জানালেন কিম জি সোক

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চুমুর দৃশ্যের শুটিংয়ে টানা চার ঘণ্টা, অভিজ্ঞতা জানালেন কিম জি সোক

ছবি সংগৃহীত

বিনোদন ডেস্ক: একটি চুমুর দৃশ্যের শুটিং করতে টানা চার ঘণ্টা সময় লেগেছিল। এমন অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার অভিনেতা কিম জি সোক। তাঁর সঙ্গে ওই দৃশ্যে অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী মিন জুং।

১৫ সেপ্টেম্বর লি মিন জুংয়ের ইউটিউব চ্যানেলে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন কিম জি সোক। অনুষ্ঠানে তাঁদের বন্ধুত্ব এবং নতুন নাটক ‘ওকে! লেটস গেট ডিভোর্স’-এ স্বামী-স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলেন দুই অভিনয়শিল্পী।

অনুষ্ঠানে মিথ্যা শনাক্তকারী যন্ত্র নিয়ে মজার খেলায় অংশ নেন তাঁরা। একপর্যায়ে কিম জি সোক লি মিন জুংকে প্রশ্ন করেন, ‘আমার সঙ্গে চুমুর দৃশ্যের শুটিং করে বাড়ি ফেরার পর আপনার কি অপরাধবোধ হয়েছিল?’

জবাবে লি মিন জুং বলেন, ‘না।’ মিথ্যা শনাক্তকারী যন্ত্রও জানায়, তিনি সত্যি বলেছেন। এতে অবাক হয়ে কিম জি সোক বলেন, ‘সত্যিই?’ এরপর নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার অপরাধবোধ হয়েছিল।’ তাঁর কথা শুনে হেসে ফেলেন লি মিন জুং।

চার ঘণ্টা ধরে চুমুর দৃশ্যের শুটিং

চুমুর দৃশ্যটির শুটিং নিয়ে বিস্তারিত বলতে গিয়ে কিম জি সোক বলেন, ‘আপনার জন্য বিষয়টি কেমন ছিল জানি না। তবে অভিনয়ে আসার পর এত দীর্ঘ ও তীব্র চুমুর দৃশ্য এর আগে কখনো করিনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘শুধু চুমুর দৃশ্যটির শুটিংই আমরা চার ঘণ্টা করেছি।’

শুটিংয়ের সময় নিজের দাড়ির কারণে আরও একটি সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছিল বলে জানান এই অভিনেতা। তাঁর ভাষ্য, ‘আমার দাড়ি ছিল। তাই লি মিন জুংয়ের মুখে আঁচড় লেগে লাল হয়ে গিয়েছিল।’

স্বামীকে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের কথা জানান কি?

অনুষ্ঠানে লি মিন জুংকে জিজ্ঞাসা করা হয়, কাজের প্রয়োজনে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয়ের কথা তিনি স্বামীকে জানান কি না। উত্তরে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমরা যদি প্রেমের সম্পর্কে থাকতাম, তাহলে হয়তো বলতাম। কিন্তু বিয়ে ও সন্তান হওয়ার পর, “আজ আমি চুমুর দৃশ্যের শুটিং করতে যাচ্ছি”—এভাবে বলা...’

কথা শেষ না করেই হেসে ফেলেন লি মিন জুং। কিম জি সোকও হেসে বলেন, ‘ওটা তো হাস্যকর হবে।’

উল্লেখ্য, লি মিন জুং ২০১৩ সালে অভিনেতা লি বিয়ং হুনকে বিয়ে করেন। তাঁদের দুই সন্তান রয়েছে। বর্তমানে ‘ওকে! লেটস গেট ডিভোর্স’ নাটকে কিম জি সোকের সঙ্গে স্বামী-স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি।