খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১ আশ্বিন, ১৪৩৩

ফুসফুসের কার্যকারিতা নষ্ট করে দেয় যে ৭ অভ্যাস

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৪৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ফুসফুসের কার্যকারিতা নষ্ট করে দেয় যে ৭ অভ্যাস

 যোগফল প্রতিবেদক:

বয়স কম হলেও অনেকেরই শ্বাসকষ্ট, দীর্ঘস্থায়ী কাশি কিংবা সামান্য পরিশ্রমেই হাঁপিয়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে। এসব সমস্যার পেছনে বিভিন্ন রোগ ও সংক্রমণের পাশাপাশি দৈনন্দিন কিছু অভ্যাসও ভূমিকা রাখতে পারে। দীর্ঘদিনের কিছু অনিয়ম ফুসফুস ও শ্বাসযন্ত্রের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে।

ধূমপান, পরোক্ষ ধূমপান, বায়ুদূষণের সংস্পর্শ, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা এবং প্রয়োজন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের মতো অভ্যাস শ্বাসযন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। ফুসফুসের কার্যকারিতা কমে গেলে শ্বাসকষ্ট, দীর্ঘস্থায়ী কাশি, শ্বাস নেওয়ার সময় অস্বাভাবিক শব্দ হওয়া কিংবা অল্প পরিশ্রমেই অতিরিক্ত ক্লান্ত হয়ে পড়ার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

ফুসফুসের ক্ষতির ঝুঁকি বাড়াতে পারে এমন সাতটি অভ্যাস সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

১. ধূমপান

ফুসফুসের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর অভ্যাসগুলোর একটি হলো ধূমপান। সিগারেটসহ তামাকজাত পণ্যের ধোঁয়ায় থাকা বিভিন্ন রাসায়নিক শ্বাসনালি ও ফুসফুসে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে। দীর্ঘদিন ধূমপানের ফলে ফুসফুসের টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসযন্ত্রের রোগের ঝুঁকি বাড়ে।

বিশেষ করে ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ বা সিওপিডির অন্যতম প্রধান ঝুঁকির কারণ ধূমপান। তাই ফুসফুস সুস্থ রাখতে ধূমপান থেকে বিরত থাকা এবং ধূমপায়ী হলে তা ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টা করা জরুরি।

২. পরোক্ষ ধূমপান

নিজে ধূমপান না করলেও অন্যের সিগারেটের ধোঁয়া নিয়মিত শ্বাসের সঙ্গে গ্রহণ করলে শ্বাসযন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। একে পরোক্ষ ধূমপান বলা হয়।

বাড়ি, কর্মস্থল কিংবা অন্য কোনো স্থানে দীর্ঘ সময় ধূমপানের ধোঁয়ার মধ্যে থাকলে শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই অন্যের ধোঁয়া থেকেও নিজেকে যতটা সম্ভব দূরে রাখা প্রয়োজন।

৩. দূষিত পরিবেশে সুরক্ষা ছাড়া চলাফেরা

যানবাহনের ধোঁয়া, ধুলাবালি, কলকারখানার দূষণ এবং বিভিন্ন ক্ষতিকর কণার সংস্পর্শ নিয়মিত হলে শ্বাসযন্ত্রের ওপর চাপ পড়ে। রাসায়নিক পদার্থের সংস্পর্শও ফুসফুসের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

দীর্ঘদিন বায়ুদূষণের মধ্যে থাকলে শ্বাসযন্ত্রের বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে। একই সঙ্গে আগে থেকে থাকা শ্বাসকষ্ট বা অন্যান্য শ্বাসযন্ত্রের সমস্যাও আরও বাড়তে পারে।

তাই অতিরিক্ত দূষিত পরিবেশে অপ্রয়োজনে দীর্ঘ সময় না থাকা এবং ধুলা, ধোঁয়া বা রাসায়নিক পদার্থের মধ্যে কাজ করার সময় প্রয়োজনীয় সুরক্ষা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

৪. বদ্ধ ঘরে দীর্ঘ সময় থাকা

পর্যাপ্ত আলো-বাতাস চলাচল করে না এমন ঘরে দীর্ঘ সময় থাকলে ঘরের বাতাসের মান খারাপ হতে পারে। রান্নার ধোঁয়া, মশার কয়েল, তামাকের ধোঁয়া কিংবা বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি থেকে উৎপন্ন ধোঁয়া ঘরের ভেতরে জমে গেলে শ্বাসযন্ত্রের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হতে পারে।

বিশেষ করে রান্নার সময় পর্যাপ্ত বায়ু চলাচল না থাকলে ধোঁয়া ও ক্ষতিকর কণার সংস্পর্শ বেড়ে যায়। তাই ঘরে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখা এবং রান্নার ধোঁয়া বাইরে বের হওয়ার ব্যবস্থা করা জরুরি।

৫. দীর্ঘ সময় বসে থাকা

দিনের বড় একটি সময় বসে থাকা এবং শারীরিকভাবে নিষ্ক্রিয় থাকা সামগ্রিক শারীরিক সক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। নিয়মিত শারীরিক কর্মকাণ্ড শরীরের কর্মক্ষমতা ধরে রাখতে সহায়তা করে।

তাই একটানা দীর্ঘ সময় বসে না থেকে কাজের ফাঁকে হাঁটাচলা করা এবং নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী নিয়মিত ব্যায়াম বা শারীরিক কর্মকাণ্ডের অভ্যাস করা ভালো।

৬. প্রয়োজন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া

সর্দি-কাশি হলেই নিজের ইচ্ছায় অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার অভ্যাসও ক্ষতিকর হতে পারে। কারণ সব ধরনের সর্দি-কাশি বা শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োজন হয় না।

চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বারবার অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করলে অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী জীবাণু তৈরির ঝুঁকি বাড়তে পারে। এতে ভবিষ্যতে প্রয়োজনের সময় অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকর না হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা হলে তাই নিজের সিদ্ধান্তে অ্যান্টিবায়োটিক না খেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

৭. পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ না করা

শরীরে পানির ঘাটতি হলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। শ্বাসনালিতে থাকা মিউকাস শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার একটি অংশ। পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ শরীরের স্বাভাবিক আর্দ্রতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।

তবে শুধু বেশি পানি পান করলেই ফুসফুসের সব ধরনের রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব—এমন ধারণা ঠিক নয়। ফুসফুস ভালো রাখতে ধূমপান এড়িয়ে চলা, বায়ুদূষণ থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখা এবং নিয়মিত শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

ফুসফুস ভালো রাখতে যা করবেন

বয়স বাড়ার সঙ্গে ফুসফুসের কার্যকারিতা কিছুটা কমতে পারে। তবে ধূমপান ও পরোক্ষ ধূমপান এড়িয়ে চলা, বায়ুদূষণের সংস্পর্শ কমানো, ঘরে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা রাখা এবং নিয়মিত শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকার মাধ্যমে ফুসফুসের ওপর ক্ষতিকর প্রভাবের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

দীর্ঘস্থায়ী কাশি, শ্বাসকষ্ট, বুকে চাপ অনুভূত হওয়া, শ্বাস নেওয়ার সময় অস্বাভাবিক শব্দ হওয়া কিংবা অল্প পরিশ্রমেই অতিরিক্ত হাঁপিয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিলে তা অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

জমি নিয়ে বিরোধে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:১৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জমি নিয়ে বিরোধে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩

ছবি সংগৃহীত

নোয়াখালী প্রতিনিধি :

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে জমি নিয়ে দুই ভাইয়ের পরিবারের বিরোধের জেরে ছোট ভাইয়ের পরিবারের ওপর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে বড় ভাইয়ের মেয়ের জামাই ও তার স্বজনদের বিরুদ্ধে। হামলার সময় আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার আমানউল্লাহপুর ইউনিয়নের লাকুড়িয়ার কান্দি গ্রামে পাটোয়ারী বাড়িতে এ ঘটনার পর রাতে থানায় মামলা ও গ্রেপ্তার করা হয়।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আসামিদের নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর আগে, মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার আমানউল্লাহপুর ইউনিয়নের লাকুড়িয়ার কান্দি গ্রামের পাটোয়ারী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, লাকুড়িয়ার কান্দি গ্রামের আনোয়ার উল্লার দুই ছেলে মজিব উল্যার ও প্রয়াত শরিফ উল্যার পরিবারের মধ্যে বাড়ির জমিজমা নিয়ে বিরোধে চলছে।
মঙ্গলবার বিকেলে বিরোধীয় জায়গায় ঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের ছেলেমেয়েদের মধ্যে ঝগড়া ও মারামারি হয়। এ সময় মজিব উল্লার মেয়ে শারমিনের চোখে আঘাত করেন প্রয়াত শরিফ উল্লার ছেলেমেয়েরা। খবর পেয়ে বিকেল ৪টার দিকে পাশের গোপালপুর ইউনিয়েনের রসূরপুর গ্রাম থেকে শারমিনের স্বামী মো.ইস্রাফিল লোকজন নিয়ে চাচা শ্বশুর শরিফ উল্লার পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালান। হামলার সময়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভিডিওতে হামলাকারীদের দুইজনের হাতে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র দেখা যায়। তাদের মধ্যে কয়েকজন মুখোশধারী ছিলেন। এ সময় অস্ত্রধারীরা শরিফ উল্লার পরিবারের নারী পুরুষ সদস্যদের দিকে তেড়ে যেতে দেখা যায়। তারা শরিফ উল্লার বসতঘরে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাংচুর চালান।

বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শামসুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় শরিফ উল্যার ছোট ছেলে মোবারক উল্যাহ বাদী হয়ে মামলা করেছেন।

তিনি বলেন, মামলায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে। পরে এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইস্রাফিল, তার বাবা তোফায়েল আহমেদ ও শ্বশুর মজিব উল্যাহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অস্ত্র উদ্ধার ও মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

হাতিয়ায় সেই স্কুলে ফের ৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:০৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
হাতিয়ায় সেই স্কুলে ফের ৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ

ছবিতে অসুস্থ শিক্ষার্থী

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার জোড়খালী উচ্চ বিদ্যালয়ে আবারও ৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এ নিয়ে মাত্র ১০ দিনের মধ্যে একই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার ঘটনা ঘটল তিনবার।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আয়োজিত অভিভাবক সমাবেশ চলাকালে হঠাৎ কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে অসুস্থ শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে ৯ জনে দাঁড়ায়। তাদের মধ্যে তিনজনের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের নিয়ে সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশ চলাকালে হঠাৎ কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে আরও কয়েকজন অসুস্থ হলে বিদ্যালয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক বিদ্যালয়ে ছুটে যান হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল। তিনি শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতির খোঁজ নেন।

এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর একই বিদ্যালয়ে ঝাঁজালো গন্ধে ১৬ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। এরপর গত ১৪ সেপ্টেম্বর শ্রেণিকক্ষে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে আরও ২১ শিক্ষার্থী। তাদের হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ওই ঘটনায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলা হয়। তখন শ্রেণিকক্ষে ঝাঁজালো গন্ধ পাওয়ার বিষয়টি জানা যায়। পরপর তিনবার শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জসীমউদ্দিন বলেন, ৫-৬ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ার বিষয়টি অভিভাবকেরা জানিয়েছেন। প্রশাসনের লোকজন ঘটনাস্থলে রয়েছেন। তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।

হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল বলেন, ৯জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা শহরে পাঠানো হয়। কী কারণে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ বা অজ্ঞান হচ্ছে, তা এখনো নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। কারণ অনুসন্ধানে প্রশাসন কাজ করছে।

চুমুর দৃশ্যের শুটিংয়ে টানা চার ঘণ্টা, অভিজ্ঞতা জানালেন কিম জি সোক

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চুমুর দৃশ্যের শুটিংয়ে টানা চার ঘণ্টা, অভিজ্ঞতা জানালেন কিম জি সোক

ছবি সংগৃহীত

বিনোদন ডেস্ক: একটি চুমুর দৃশ্যের শুটিং করতে টানা চার ঘণ্টা সময় লেগেছিল। এমন অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার অভিনেতা কিম জি সোক। তাঁর সঙ্গে ওই দৃশ্যে অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী মিন জুং।

১৫ সেপ্টেম্বর লি মিন জুংয়ের ইউটিউব চ্যানেলে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন কিম জি সোক। অনুষ্ঠানে তাঁদের বন্ধুত্ব এবং নতুন নাটক ‘ওকে! লেটস গেট ডিভোর্স’-এ স্বামী-স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলেন দুই অভিনয়শিল্পী।

অনুষ্ঠানে মিথ্যা শনাক্তকারী যন্ত্র নিয়ে মজার খেলায় অংশ নেন তাঁরা। একপর্যায়ে কিম জি সোক লি মিন জুংকে প্রশ্ন করেন, ‘আমার সঙ্গে চুমুর দৃশ্যের শুটিং করে বাড়ি ফেরার পর আপনার কি অপরাধবোধ হয়েছিল?’

জবাবে লি মিন জুং বলেন, ‘না।’ মিথ্যা শনাক্তকারী যন্ত্রও জানায়, তিনি সত্যি বলেছেন। এতে অবাক হয়ে কিম জি সোক বলেন, ‘সত্যিই?’ এরপর নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার অপরাধবোধ হয়েছিল।’ তাঁর কথা শুনে হেসে ফেলেন লি মিন জুং।

চার ঘণ্টা ধরে চুমুর দৃশ্যের শুটিং

চুমুর দৃশ্যটির শুটিং নিয়ে বিস্তারিত বলতে গিয়ে কিম জি সোক বলেন, ‘আপনার জন্য বিষয়টি কেমন ছিল জানি না। তবে অভিনয়ে আসার পর এত দীর্ঘ ও তীব্র চুমুর দৃশ্য এর আগে কখনো করিনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘শুধু চুমুর দৃশ্যটির শুটিংই আমরা চার ঘণ্টা করেছি।’

শুটিংয়ের সময় নিজের দাড়ির কারণে আরও একটি সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছিল বলে জানান এই অভিনেতা। তাঁর ভাষ্য, ‘আমার দাড়ি ছিল। তাই লি মিন জুংয়ের মুখে আঁচড় লেগে লাল হয়ে গিয়েছিল।’

স্বামীকে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের কথা জানান কি?

অনুষ্ঠানে লি মিন জুংকে জিজ্ঞাসা করা হয়, কাজের প্রয়োজনে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয়ের কথা তিনি স্বামীকে জানান কি না। উত্তরে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমরা যদি প্রেমের সম্পর্কে থাকতাম, তাহলে হয়তো বলতাম। কিন্তু বিয়ে ও সন্তান হওয়ার পর, “আজ আমি চুমুর দৃশ্যের শুটিং করতে যাচ্ছি”—এভাবে বলা...’

কথা শেষ না করেই হেসে ফেলেন লি মিন জুং। কিম জি সোকও হেসে বলেন, ‘ওটা তো হাস্যকর হবে।’

উল্লেখ্য, লি মিন জুং ২০১৩ সালে অভিনেতা লি বিয়ং হুনকে বিয়ে করেন। তাঁদের দুই সন্তান রয়েছে। বর্তমানে ‘ওকে! লেটস গেট ডিভোর্স’ নাটকে কিম জি সোকের সঙ্গে স্বামী-স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি।