খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১ আশ্বিন, ১৪৩৩

সিলেট ক্যাবের কার্যক্রম গতিশীল করতে দুই পর্বে মতবিনিময় সভা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:২৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সিলেট ক্যাবের কার্যক্রম গতিশীল করতে দুই পর্বে মতবিনিময় সভা

 যোগফল প্রতিবেদক:

কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) সিলেট জেলা কমিটির কার্যক্রম আরও গতিশীল ও জোরদার করার লক্ষ্যে দুই পর্বে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় ক্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাবেক সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামানসহ সিলেটের বিভিন্ন উপজেলা ও পৌর কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন এনজিওর নির্বাহী পরিচালকরা অংশ নেন।

সোমবার (৩১ আগস্ট) সিলেটের মেন্দীবাগস্থ জনকল্যাণ ভবনে ক্যাব সিলেট কার্যালয়ে প্রথম পর্বের সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সিলেট জেলা ক্যাবের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সহসভাপতি জামিল চৌধুরী। সভাটি পরিচালনা করেন ক্যাব সিলেটের সাধারণ সম্পাদক মহি উদ্দিন চৌধুরী।

মতবিনিময় সভায় সাংবাদিক ইকবাল কবির, ছিদ্দিকুর রহমান, প্রবাসী আশিক চৌধুরী, রিয়াজ উদ্দিন আহমদ, আনোয়ার চৌধুরী, কামাল উদ্দিন আহমদ, শিলু মিয়া, আবুল আমিন, আলী আশরাফ চৌধুরী, শাহনাজ কুলসুম আরা ও আবু সাইদসহ ক্যাবের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।

এ ছাড়া বালাগঞ্জ ক্যাব সভাপতি শাহাব উদ্দিন শাহিন, সদস্য জিহাদ আহমদ, ওসমানীনগর ক্যাব সদস্য সালমা বেগম ও তানিয়া ফারজানা, বিশ্বনাথ পৌর ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক বদরুল ইসলাম মহসিন, বিশ্বনাথ উপজেলা ক্যাব সভাপতি হোসাহিন আহমদ শাহীন, সদস্য স্বপ্না শাহিন, সমাজসেবক মাহমুদ হাসান রিপন ও হাসিনা বেগম, জকিগঞ্জ ক্যাব সভাপতি সৈয়দ আছলাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো. ফখরুল ইসলাম, সমাজসেবক আব্দুল হামিদ ও সাকিলা ফেরদৌস, কানাইঘাট ক্যাব সদস্য নাহিদুল ইসলাম চৌধুরী, বিয়ানীবাজার ক্যাব সদস্য নাসরিন বেগম, গোলাপগঞ্জ ক্যাব সদস্য রোকশানা বেগম এবং দক্ষিণ সুরমা ক্যাব সদস্য আকলিমা বেগম উপস্থিত ছিলেন।

দুপুরে দ্বিতীয় পর্বে সিলেটের বিভিন্ন এনজিওর নির্বাহী পরিচালকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন ক্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাবেক সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান। সভায় সভাপতিত্ব করেন আইডিয়ার নির্বাহী পরিচালক নজমুল হক। নিরাপদের নির্বাহী পরিচালক শাহাব উদ্দিন শাহিনের পরিচালনায় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দিরাই জনকল্যাণের নির্বাহী পরিচালক ও বিভাগীয় ক্যাব সভাপতি জামিল চৌধুরী।

সভাটির শুরুতে অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। পরে ক্যাবের কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করা, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণে কার্যকর ভূমিকা রাখা এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও এনজিওর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সভায় এওয়ার্ডের নির্বাহী পরিচালক এ কে এম আজাদ, এওয়ার্ডের প্রোগ্রাম হেড ফারুক আহমদ, এসডিএস (জকিগঞ্জ) নির্বাহী পরিচালক আব্দুল হামিদ, সদস্য সাকিলা ফেরদৌস, এইচডিও (সিলেট সদর) নির্বাহী পরিচালক মনসুর আলম, রিডো বাংলাদেশ (সিলেট সদর) নির্বাহী পরিচালক মো. নাসির উদ্দিন, সুবাস (জকিগঞ্জ) নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ আছলাম হোসেন, সদস্য নাহিদুল ইসলাম চৌধুরী, সবুজ বাংলা (বিশ্বনাথ) নির্বাহী পরিচালক বদরুল ইসলাম, এভারগ্রীন (বিশ্বনাথ) নির্বাহী পরিচালক হাসান মাহমুদ রিপন, বিশ্বনাথ নারী ফোরামের নির্বাহী পরিচালক হাসিনা বেগম, বিশ্বনাথ যুব সমিতির সভাপতি স্বপ্না শাহিন, নিরাপদ (বালাগঞ্জ) সদস্য জিহাদ আহমদ এবং নিরাপদ সেবা যুব সমিতি (ওসমানীনগর) এর তানিয়া ফারজানা ও সালমা বেগমসহ সংশ্লিষ্টরা অংশ নেন।

সভায় ক্যাবের কার্যক্রম আরও জোরদার করার লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি ক্যাব সিলেটের বিভিন্ন কমিটি ও এনজিওগুলোর মধ্যে সমন্বয় করে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ জন্য শাহাব উদ্দিন শাহিনকে সমন্বয়ক করে সাংবাদিক বদরুল ইসলাম ও সৈয়দ আছলাম হোসেনসহ তিন সদস্যের একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়েছে।

নবগঠিত কমিটির পরবর্তী সভা আগামী ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে বলে সভায় জানানো হয়।

অনুষ্ঠান শেষে এনজিও নেতৃবৃন্দ ‘সুবাস’ কার্যালয় পরিদর্শন করেন। এ সময় সুবাসের নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ আছলাম হোসেন উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

জমি নিয়ে বিরোধে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:১৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জমি নিয়ে বিরোধে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩

ছবি সংগৃহীত

নোয়াখালী প্রতিনিধি :

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে জমি নিয়ে দুই ভাইয়ের পরিবারের বিরোধের জেরে ছোট ভাইয়ের পরিবারের ওপর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে বড় ভাইয়ের মেয়ের জামাই ও তার স্বজনদের বিরুদ্ধে। হামলার সময় আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার আমানউল্লাহপুর ইউনিয়নের লাকুড়িয়ার কান্দি গ্রামে পাটোয়ারী বাড়িতে এ ঘটনার পর রাতে থানায় মামলা ও গ্রেপ্তার করা হয়।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আসামিদের নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর আগে, মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার আমানউল্লাহপুর ইউনিয়নের লাকুড়িয়ার কান্দি গ্রামের পাটোয়ারী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, লাকুড়িয়ার কান্দি গ্রামের আনোয়ার উল্লার দুই ছেলে মজিব উল্যার ও প্রয়াত শরিফ উল্যার পরিবারের মধ্যে বাড়ির জমিজমা নিয়ে বিরোধে চলছে।
মঙ্গলবার বিকেলে বিরোধীয় জায়গায় ঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের ছেলেমেয়েদের মধ্যে ঝগড়া ও মারামারি হয়। এ সময় মজিব উল্লার মেয়ে শারমিনের চোখে আঘাত করেন প্রয়াত শরিফ উল্লার ছেলেমেয়েরা। খবর পেয়ে বিকেল ৪টার দিকে পাশের গোপালপুর ইউনিয়েনের রসূরপুর গ্রাম থেকে শারমিনের স্বামী মো.ইস্রাফিল লোকজন নিয়ে চাচা শ্বশুর শরিফ উল্লার পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালান। হামলার সময়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভিডিওতে হামলাকারীদের দুইজনের হাতে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র দেখা যায়। তাদের মধ্যে কয়েকজন মুখোশধারী ছিলেন। এ সময় অস্ত্রধারীরা শরিফ উল্লার পরিবারের নারী পুরুষ সদস্যদের দিকে তেড়ে যেতে দেখা যায়। তারা শরিফ উল্লার বসতঘরে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাংচুর চালান।

বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শামসুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় শরিফ উল্যার ছোট ছেলে মোবারক উল্যাহ বাদী হয়ে মামলা করেছেন।

তিনি বলেন, মামলায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে। পরে এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইস্রাফিল, তার বাবা তোফায়েল আহমেদ ও শ্বশুর মজিব উল্যাহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অস্ত্র উদ্ধার ও মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

হাতিয়ায় সেই স্কুলে ফের ৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:০৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
হাতিয়ায় সেই স্কুলে ফের ৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ

ছবিতে অসুস্থ শিক্ষার্থী

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার জোড়খালী উচ্চ বিদ্যালয়ে আবারও ৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এ নিয়ে মাত্র ১০ দিনের মধ্যে একই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার ঘটনা ঘটল তিনবার।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আয়োজিত অভিভাবক সমাবেশ চলাকালে হঠাৎ কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে অসুস্থ শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে ৯ জনে দাঁড়ায়। তাদের মধ্যে তিনজনের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের নিয়ে সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশ চলাকালে হঠাৎ কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে আরও কয়েকজন অসুস্থ হলে বিদ্যালয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক বিদ্যালয়ে ছুটে যান হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল। তিনি শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতির খোঁজ নেন।

এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর একই বিদ্যালয়ে ঝাঁজালো গন্ধে ১৬ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। এরপর গত ১৪ সেপ্টেম্বর শ্রেণিকক্ষে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে আরও ২১ শিক্ষার্থী। তাদের হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ওই ঘটনায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলা হয়। তখন শ্রেণিকক্ষে ঝাঁজালো গন্ধ পাওয়ার বিষয়টি জানা যায়। পরপর তিনবার শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জসীমউদ্দিন বলেন, ৫-৬ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ার বিষয়টি অভিভাবকেরা জানিয়েছেন। প্রশাসনের লোকজন ঘটনাস্থলে রয়েছেন। তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।

হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল বলেন, ৯জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা শহরে পাঠানো হয়। কী কারণে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ বা অজ্ঞান হচ্ছে, তা এখনো নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। কারণ অনুসন্ধানে প্রশাসন কাজ করছে।

চুমুর দৃশ্যের শুটিংয়ে টানা চার ঘণ্টা, অভিজ্ঞতা জানালেন কিম জি সোক

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চুমুর দৃশ্যের শুটিংয়ে টানা চার ঘণ্টা, অভিজ্ঞতা জানালেন কিম জি সোক

ছবি সংগৃহীত

বিনোদন ডেস্ক: একটি চুমুর দৃশ্যের শুটিং করতে টানা চার ঘণ্টা সময় লেগেছিল। এমন অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার অভিনেতা কিম জি সোক। তাঁর সঙ্গে ওই দৃশ্যে অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী মিন জুং।

১৫ সেপ্টেম্বর লি মিন জুংয়ের ইউটিউব চ্যানেলে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন কিম জি সোক। অনুষ্ঠানে তাঁদের বন্ধুত্ব এবং নতুন নাটক ‘ওকে! লেটস গেট ডিভোর্স’-এ স্বামী-স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলেন দুই অভিনয়শিল্পী।

অনুষ্ঠানে মিথ্যা শনাক্তকারী যন্ত্র নিয়ে মজার খেলায় অংশ নেন তাঁরা। একপর্যায়ে কিম জি সোক লি মিন জুংকে প্রশ্ন করেন, ‘আমার সঙ্গে চুমুর দৃশ্যের শুটিং করে বাড়ি ফেরার পর আপনার কি অপরাধবোধ হয়েছিল?’

জবাবে লি মিন জুং বলেন, ‘না।’ মিথ্যা শনাক্তকারী যন্ত্রও জানায়, তিনি সত্যি বলেছেন। এতে অবাক হয়ে কিম জি সোক বলেন, ‘সত্যিই?’ এরপর নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার অপরাধবোধ হয়েছিল।’ তাঁর কথা শুনে হেসে ফেলেন লি মিন জুং।

চার ঘণ্টা ধরে চুমুর দৃশ্যের শুটিং

চুমুর দৃশ্যটির শুটিং নিয়ে বিস্তারিত বলতে গিয়ে কিম জি সোক বলেন, ‘আপনার জন্য বিষয়টি কেমন ছিল জানি না। তবে অভিনয়ে আসার পর এত দীর্ঘ ও তীব্র চুমুর দৃশ্য এর আগে কখনো করিনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘শুধু চুমুর দৃশ্যটির শুটিংই আমরা চার ঘণ্টা করেছি।’

শুটিংয়ের সময় নিজের দাড়ির কারণে আরও একটি সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছিল বলে জানান এই অভিনেতা। তাঁর ভাষ্য, ‘আমার দাড়ি ছিল। তাই লি মিন জুংয়ের মুখে আঁচড় লেগে লাল হয়ে গিয়েছিল।’

স্বামীকে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের কথা জানান কি?

অনুষ্ঠানে লি মিন জুংকে জিজ্ঞাসা করা হয়, কাজের প্রয়োজনে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয়ের কথা তিনি স্বামীকে জানান কি না। উত্তরে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমরা যদি প্রেমের সম্পর্কে থাকতাম, তাহলে হয়তো বলতাম। কিন্তু বিয়ে ও সন্তান হওয়ার পর, “আজ আমি চুমুর দৃশ্যের শুটিং করতে যাচ্ছি”—এভাবে বলা...’

কথা শেষ না করেই হেসে ফেলেন লি মিন জুং। কিম জি সোকও হেসে বলেন, ‘ওটা তো হাস্যকর হবে।’

উল্লেখ্য, লি মিন জুং ২০১৩ সালে অভিনেতা লি বিয়ং হুনকে বিয়ে করেন। তাঁদের দুই সন্তান রয়েছে। বর্তমানে ‘ওকে! লেটস গেট ডিভোর্স’ নাটকে কিম জি সোকের সঙ্গে স্বামী-স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি।