খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১ আশ্বিন, ১৪৩৩

কোথায় যাচ্ছে কিশোরীরা? আড়াইহাজারে ৩ মাসে নিখোঁজ ৪০ কিশোরী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৩১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কোথায় যাচ্ছে কিশোরীরা? আড়াইহাজারে ৩ মাসে নিখোঁজ ৪০ কিশোরী

 যোগফল প্রতিবেদক:

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে কিশোরীদের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। পরিবারের সদস্যরা একের পর এক থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করছেন। গত তিন মাসে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে অন্তত ৪০ কিশোরী নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় জিডি হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এর মধ্যে সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এক দিনেই উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে চার কিশোরী নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় থানায় জিডি করেন তাদের পরিবারের সদস্যরা। নিখোঁজ কিশোরীদের বয়স ১৪ থেকে ১৭ বছরের মধ্যে। তাদের মধ্যে দুজনের অবস্থান শনাক্ত করতে পেরেছে পুলিশ। বাকি দুজনের সন্ধানে অনুসন্ধান চলছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিখোঁজ কিশোরীদের মধ্যে স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীও রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে মুঠোফোন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে পরিচিত কিংবা অপরিচিত তরুণদের সঙ্গে যোগাযোগের পর সম্পর্ক তৈরি হচ্ছে। পরে পারিবারিক বাধা, অভিভাবকের শাসন কিংবা সম্পর্ক মেনে না নেওয়ার আশঙ্কা থেকে কেউ কেউ স্বেচ্ছায় বাড়ি ছেড়ে চলে যাচ্ছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তবে নিখোঁজ হওয়া সব কিশোরীর ঘটনাকে প্রেমের সম্পর্কের সঙ্গে যুক্ত করা যাচ্ছে না বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কিশোর বয়সের আবেগ, পারিবারিক যোগাযোগের ঘাটতি, সন্তানদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের অভাব, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে অসচেতনতা এবং অভিভাবকের পর্যাপ্ত নজরদারির ঘাটতিও এসব ঘটনার পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে বলে তাদের ধারণা।

আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সবজেল হোসেন বলেন, গত তিন মাসে ৪০টি নিখোঁজের জিডি করা হয়েছে। কোনো কিশোরী নিখোঁজ হলে বিষয়টি গোপন না রেখে দ্রুত থানায় জানাতে হবে। নিখোঁজ কিশোরীর সাম্প্রতিক ছবি, মুঠোফোন নম্বর, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য, কার সঙ্গে যোগাযোগ ছিল এবং সম্ভাব্য কোথায় যেতে পারে—এসব তথ্য দ্রুত পুলিশকে দিলে অনুসন্ধানে সহায়তা পাওয়া যায়।

তিনি আরও বলেন, নিখোঁজ কিশোরীদের অবস্থান শনাক্তের পাশাপাশি তারা কোনো ধরনের প্রলোভন, চাপ বা প্রতারণার শিকার হয়েছে কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এক অভিভাবক জানান, অনেক পরিবার সামাজিক সম্মানের কথা চিন্তা করে মেয়ের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি প্রকাশ করতে চায় না। প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টি জানাজানি হওয়ার ভয়েও কেউ কেউ পুলিশকে জানাতে দেরি করেন। তার মতে, বিষয়টি গোপন রাখার পরিবর্তে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হলে নিখোঁজ কিশোরীর অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা করা সহজ হয়।

আরেক অভিভাবক বলেন, মেয়ে নিখোঁজ হওয়ার পর বিষয়টি গোপন রাখলে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। দ্রুত পুলিশকে জানানো হলে অন্তত তার অবস্থান শনাক্ত করার চেষ্টা করা সম্ভব।

সংশ্লিষ্টদের মতে, কিশোরীদের ঘর ছাড়ার ঘটনায় শুধু মুঠোফোন বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে দায়ী করলে সমস্যার পুরো চিত্র পাওয়া যাবে না। এর সঙ্গে পারিবারিক যোগাযোগের ঘাটতি, কিশোর বয়সের আবেগ, সন্তানদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের অভাব এবং অনলাইনে নিরাপদ যোগাযোগ সম্পর্কে সচেতনতার ঘাটতিও বিবেচনায় নিতে হবে।

আড়াইহাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুর রহমান বলেন, শুধু মুঠোফোন কেড়ে নেওয়া বা শাসন করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। কিশোর-কিশোরীদের সঙ্গে নিয়মিত কথা বলতে হবে। পাশাপাশি মুঠোফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নিরাপদ ব্যবহার সম্পর্কে তাদের সচেতন করতে হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

জমি নিয়ে বিরোধে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:১৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জমি নিয়ে বিরোধে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩

ছবি সংগৃহীত

নোয়াখালী প্রতিনিধি :

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে জমি নিয়ে দুই ভাইয়ের পরিবারের বিরোধের জেরে ছোট ভাইয়ের পরিবারের ওপর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে বড় ভাইয়ের মেয়ের জামাই ও তার স্বজনদের বিরুদ্ধে। হামলার সময় আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার আমানউল্লাহপুর ইউনিয়নের লাকুড়িয়ার কান্দি গ্রামে পাটোয়ারী বাড়িতে এ ঘটনার পর রাতে থানায় মামলা ও গ্রেপ্তার করা হয়।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আসামিদের নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর আগে, মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার আমানউল্লাহপুর ইউনিয়নের লাকুড়িয়ার কান্দি গ্রামের পাটোয়ারী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, লাকুড়িয়ার কান্দি গ্রামের আনোয়ার উল্লার দুই ছেলে মজিব উল্যার ও প্রয়াত শরিফ উল্যার পরিবারের মধ্যে বাড়ির জমিজমা নিয়ে বিরোধে চলছে।
মঙ্গলবার বিকেলে বিরোধীয় জায়গায় ঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের ছেলেমেয়েদের মধ্যে ঝগড়া ও মারামারি হয়। এ সময় মজিব উল্লার মেয়ে শারমিনের চোখে আঘাত করেন প্রয়াত শরিফ উল্লার ছেলেমেয়েরা। খবর পেয়ে বিকেল ৪টার দিকে পাশের গোপালপুর ইউনিয়েনের রসূরপুর গ্রাম থেকে শারমিনের স্বামী মো.ইস্রাফিল লোকজন নিয়ে চাচা শ্বশুর শরিফ উল্লার পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালান। হামলার সময়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভিডিওতে হামলাকারীদের দুইজনের হাতে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র দেখা যায়। তাদের মধ্যে কয়েকজন মুখোশধারী ছিলেন। এ সময় অস্ত্রধারীরা শরিফ উল্লার পরিবারের নারী পুরুষ সদস্যদের দিকে তেড়ে যেতে দেখা যায়। তারা শরিফ উল্লার বসতঘরে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাংচুর চালান।

বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শামসুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় শরিফ উল্যার ছোট ছেলে মোবারক উল্যাহ বাদী হয়ে মামলা করেছেন।

তিনি বলেন, মামলায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে। পরে এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইস্রাফিল, তার বাবা তোফায়েল আহমেদ ও শ্বশুর মজিব উল্যাহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অস্ত্র উদ্ধার ও মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

হাতিয়ায় সেই স্কুলে ফের ৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:০৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
হাতিয়ায় সেই স্কুলে ফের ৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ

ছবিতে অসুস্থ শিক্ষার্থী

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার জোড়খালী উচ্চ বিদ্যালয়ে আবারও ৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এ নিয়ে মাত্র ১০ দিনের মধ্যে একই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার ঘটনা ঘটল তিনবার।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আয়োজিত অভিভাবক সমাবেশ চলাকালে হঠাৎ কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে অসুস্থ শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে ৯ জনে দাঁড়ায়। তাদের মধ্যে তিনজনের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের নিয়ে সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশ চলাকালে হঠাৎ কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে আরও কয়েকজন অসুস্থ হলে বিদ্যালয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক বিদ্যালয়ে ছুটে যান হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল। তিনি শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতির খোঁজ নেন।

এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর একই বিদ্যালয়ে ঝাঁজালো গন্ধে ১৬ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। এরপর গত ১৪ সেপ্টেম্বর শ্রেণিকক্ষে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে আরও ২১ শিক্ষার্থী। তাদের হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ওই ঘটনায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলা হয়। তখন শ্রেণিকক্ষে ঝাঁজালো গন্ধ পাওয়ার বিষয়টি জানা যায়। পরপর তিনবার শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জসীমউদ্দিন বলেন, ৫-৬ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ার বিষয়টি অভিভাবকেরা জানিয়েছেন। প্রশাসনের লোকজন ঘটনাস্থলে রয়েছেন। তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।

হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল বলেন, ৯জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা শহরে পাঠানো হয়। কী কারণে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ বা অজ্ঞান হচ্ছে, তা এখনো নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। কারণ অনুসন্ধানে প্রশাসন কাজ করছে।

চুমুর দৃশ্যের শুটিংয়ে টানা চার ঘণ্টা, অভিজ্ঞতা জানালেন কিম জি সোক

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চুমুর দৃশ্যের শুটিংয়ে টানা চার ঘণ্টা, অভিজ্ঞতা জানালেন কিম জি সোক

ছবি সংগৃহীত

বিনোদন ডেস্ক: একটি চুমুর দৃশ্যের শুটিং করতে টানা চার ঘণ্টা সময় লেগেছিল। এমন অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার অভিনেতা কিম জি সোক। তাঁর সঙ্গে ওই দৃশ্যে অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী মিন জুং।

১৫ সেপ্টেম্বর লি মিন জুংয়ের ইউটিউব চ্যানেলে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন কিম জি সোক। অনুষ্ঠানে তাঁদের বন্ধুত্ব এবং নতুন নাটক ‘ওকে! লেটস গেট ডিভোর্স’-এ স্বামী-স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলেন দুই অভিনয়শিল্পী।

অনুষ্ঠানে মিথ্যা শনাক্তকারী যন্ত্র নিয়ে মজার খেলায় অংশ নেন তাঁরা। একপর্যায়ে কিম জি সোক লি মিন জুংকে প্রশ্ন করেন, ‘আমার সঙ্গে চুমুর দৃশ্যের শুটিং করে বাড়ি ফেরার পর আপনার কি অপরাধবোধ হয়েছিল?’

জবাবে লি মিন জুং বলেন, ‘না।’ মিথ্যা শনাক্তকারী যন্ত্রও জানায়, তিনি সত্যি বলেছেন। এতে অবাক হয়ে কিম জি সোক বলেন, ‘সত্যিই?’ এরপর নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার অপরাধবোধ হয়েছিল।’ তাঁর কথা শুনে হেসে ফেলেন লি মিন জুং।

চার ঘণ্টা ধরে চুমুর দৃশ্যের শুটিং

চুমুর দৃশ্যটির শুটিং নিয়ে বিস্তারিত বলতে গিয়ে কিম জি সোক বলেন, ‘আপনার জন্য বিষয়টি কেমন ছিল জানি না। তবে অভিনয়ে আসার পর এত দীর্ঘ ও তীব্র চুমুর দৃশ্য এর আগে কখনো করিনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘শুধু চুমুর দৃশ্যটির শুটিংই আমরা চার ঘণ্টা করেছি।’

শুটিংয়ের সময় নিজের দাড়ির কারণে আরও একটি সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছিল বলে জানান এই অভিনেতা। তাঁর ভাষ্য, ‘আমার দাড়ি ছিল। তাই লি মিন জুংয়ের মুখে আঁচড় লেগে লাল হয়ে গিয়েছিল।’

স্বামীকে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের কথা জানান কি?

অনুষ্ঠানে লি মিন জুংকে জিজ্ঞাসা করা হয়, কাজের প্রয়োজনে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয়ের কথা তিনি স্বামীকে জানান কি না। উত্তরে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমরা যদি প্রেমের সম্পর্কে থাকতাম, তাহলে হয়তো বলতাম। কিন্তু বিয়ে ও সন্তান হওয়ার পর, “আজ আমি চুমুর দৃশ্যের শুটিং করতে যাচ্ছি”—এভাবে বলা...’

কথা শেষ না করেই হেসে ফেলেন লি মিন জুং। কিম জি সোকও হেসে বলেন, ‘ওটা তো হাস্যকর হবে।’

উল্লেখ্য, লি মিন জুং ২০১৩ সালে অভিনেতা লি বিয়ং হুনকে বিয়ে করেন। তাঁদের দুই সন্তান রয়েছে। বর্তমানে ‘ওকে! লেটস গেট ডিভোর্স’ নাটকে কিম জি সোকের সঙ্গে স্বামী-স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি।