খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১ আশ্বিন, ১৪৩৩

‘ধর্মীয় কারণে নয়’, নদী ভাঙন ও কৃষকের ধান রক্ষায় নৌকাবাইচ বন্ধের দাবি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৫০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘ধর্মীয় কারণে নয়’, নদী ভাঙন ও কৃষকের ধান রক্ষায় নৌকাবাইচ বন্ধের দাবি

যোগফল প্রতিবেদক: 

সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার সুনাই নদীতে আগামী ২৮ আগস্ট অনুষ্ঠেয় নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা বন্ধের দাবি নিয়ে আলোচনা চলছে। কয়েকটি গণমাধ্যমে ‘তৌহিদী জনতা’ নামের একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে নৌকাবাইচ বন্ধের দাবি জানানোর খবর প্রকাশের পর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

তবে নৌকাবাইচ বন্ধের দাবিতে যুক্ত ব্যক্তিদের কয়েকজন জানিয়েছেন, এর পেছনে কোনো ধর্মীয় কারণ নেই। বরং নদীভাঙন ঠেকানো, নদীর দুই তীরে থাকা কৃষিজমি ও ধানের ক্ষতি রোধ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় তারা এ আয়োজন বন্ধের দাবি জানিয়েছেন

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার

নৌকাবাইচ বন্ধের দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করেন স্থানীয় যুবক মাসুম বিন নুর উদ্দিন। গত ১৮ আগস্ট রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টার প্রকাশ করেন তিনি। সেখানে ‘তৌহিদী জনতা লাউতা ইউনিয়ন’ নামটি দেখা যায়।

পরে আরেকটি পোস্টারে ‘সুনাই নদীতে আগত নৌকাবাইচ বন্ধের প্রতিবাদে পরামর্শ সভা’ লেখা হয়। সেখানে সবাইকে সভায় উপস্থিত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল।

তবে শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কালবেলা অনলাইনের সঙ্গে ফোনে কথা বলার সময় মাসুম বিন নুর উদ্দিন দাবি করেন, পোস্টারে ‘নৌকাবাইচ বন্ধের প্রতিবাদে’ কথাটি ভুল করে লেখা হয়েছিল। তাঁর ভাষ্য, তিনি ব্যক্তিগতভাবে নৌকাবাইচ বন্ধের পক্ষে, তবে এর সঙ্গে ধর্মীয় কোনো বিষয় জড়িত নয়। নদীভাঙন ঠেকানো এবং কৃষকদের ধান রক্ষার বিষয়টিই তাঁর মূল উদ্বেগ।

পরে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে ওই পোস্টারটি সরিয়ে নেন। তাঁর দাবি, পরামর্শ সভার আয়োজকেরাই তাঁকে পোস্টার তৈরির দায়িত্ব দিয়েছিলেন।

সভায় নদীভাঙন ও কৃষকের ক্ষতির বিষয়টি উঠে আসে

গত ২০ আগস্ট বারিগ্রাম বাজার মসজিদে নৌকাবাইচ বন্ধের দাবিতে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে স্থানীয় আলেম ও মুরব্বিদের বক্তব্য নিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন মাসুম বিন নুর উদ্দিন। ভিডিওটি ‘মুক্ত বাতাস’ নামের একটি ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়।

ভিডিওতে দেওয়া বক্তব্যগুলোর বড় অংশজুড়ে নদীভাঙন, কৃষকের ধান রক্ষা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয় উঠে আসে। কোথাও কোথাও ধর্মীয় অবস্থানের কথা বলা হলেও নৌকাবাইচকে সরাসরি ধর্মবিরোধী হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি।

সভায় নৌকাবাইচকে কেন্দ্র করে জুয়ার আসর বসার অভিযোগও তোলা হয়। পাশাপাশি অতীতে নৌকাবাইচ ও সংশ্লিষ্ট আয়োজনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ এবং হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করা হয়।

স্থানীয় এক আলেম বলেন, এলাকার পরিবেশ সুন্দর রাখা, বিশৃঙ্খলা থেকে রক্ষা এবং নদীভাঙন ঠেকানোর স্বার্থে নৌকাবাইচ বন্ধ করা প্রয়োজন।

‘এটি ধর্মীয় নয়, সামাজিক ও জনস্বার্থের বিষয়’

প্রবীণ আলেম মাওলানা নুরুর রহমান মাসুক বলেন, নৌকাবাইচ বন্ধের দাবি কোনো ধর্মীয় বিষয় নয়; এটি সামাজিক ও জনস্বার্থের বিষয়।

তিনি বলেন, ‘তৌহিদী জনতা’ কিংবা নাগরিক সমাজের নামে কারা ব্যানার করেছে, সে বিষয়ে তাঁরা নিশ্চিত নন। তবে এলাকার সচেতন নাগরিকদের মূল দাবি হলো, ওই এলাকায় আর নৌকাবাইচ আয়োজন না করা।

তাঁর দাবি, অতীতে নৌকাবাইচকে কেন্দ্র করে দুই নৌকার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অনেকে আহত হয়েছেন। এ ছাড়া নৌকাবাইচের পাশের এলাকায় গানের আসরকে কেন্দ্র করে গুরুতর অপরাধের ঘটনাও ঘটেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

নৌকাবাইচের পক্ষেও মত

তবে স্থানীয়দের একটি অংশ নৌকাবাইচ বন্ধের দাবির সঙ্গে একমত নয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি বলেন, নৌকাবাইচ আয়োজনের কারণে নদীর বড় ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা নেই। জুয়ার আসর বসলে তা বন্ধ করার দায়িত্ব প্রশাসনের।

তাঁদের মতে, নৌকাবাইচ একটি ঐতিহ্যবাহী আয়োজন। কোনো অনিয়ম বা অপরাধের আশঙ্কা থাকলে তা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা না করে পুরো আয়োজন বন্ধ করে দেওয়া সমাধান নয়।

ফলে সুনাই নদীর নৌকাবাইচকে ঘিরে একদিকে কৃষিজমি রক্ষা, নদীভাঙন ও আইনশৃঙ্খলার বিষয় তুলে ধরে আয়োজন বন্ধের দাবি উঠেছে, অন্যদিকে স্থানীয়দের একটি অংশ এটিকে ঐতিহ্যবাহী আয়োজন হিসেবে চালু রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় দুই ধরনের মত তৈরি হয়েছে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

জমি নিয়ে বিরোধে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:১৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জমি নিয়ে বিরোধে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩

ছবি সংগৃহীত

নোয়াখালী প্রতিনিধি :

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে জমি নিয়ে দুই ভাইয়ের পরিবারের বিরোধের জেরে ছোট ভাইয়ের পরিবারের ওপর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে বড় ভাইয়ের মেয়ের জামাই ও তার স্বজনদের বিরুদ্ধে। হামলার সময় আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার আমানউল্লাহপুর ইউনিয়নের লাকুড়িয়ার কান্দি গ্রামে পাটোয়ারী বাড়িতে এ ঘটনার পর রাতে থানায় মামলা ও গ্রেপ্তার করা হয়।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আসামিদের নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর আগে, মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার আমানউল্লাহপুর ইউনিয়নের লাকুড়িয়ার কান্দি গ্রামের পাটোয়ারী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, লাকুড়িয়ার কান্দি গ্রামের আনোয়ার উল্লার দুই ছেলে মজিব উল্যার ও প্রয়াত শরিফ উল্যার পরিবারের মধ্যে বাড়ির জমিজমা নিয়ে বিরোধে চলছে।
মঙ্গলবার বিকেলে বিরোধীয় জায়গায় ঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের ছেলেমেয়েদের মধ্যে ঝগড়া ও মারামারি হয়। এ সময় মজিব উল্লার মেয়ে শারমিনের চোখে আঘাত করেন প্রয়াত শরিফ উল্লার ছেলেমেয়েরা। খবর পেয়ে বিকেল ৪টার দিকে পাশের গোপালপুর ইউনিয়েনের রসূরপুর গ্রাম থেকে শারমিনের স্বামী মো.ইস্রাফিল লোকজন নিয়ে চাচা শ্বশুর শরিফ উল্লার পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালান। হামলার সময়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভিডিওতে হামলাকারীদের দুইজনের হাতে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র দেখা যায়। তাদের মধ্যে কয়েকজন মুখোশধারী ছিলেন। এ সময় অস্ত্রধারীরা শরিফ উল্লার পরিবারের নারী পুরুষ সদস্যদের দিকে তেড়ে যেতে দেখা যায়। তারা শরিফ উল্লার বসতঘরে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাংচুর চালান।

বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শামসুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় শরিফ উল্যার ছোট ছেলে মোবারক উল্যাহ বাদী হয়ে মামলা করেছেন।

তিনি বলেন, মামলায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে। পরে এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইস্রাফিল, তার বাবা তোফায়েল আহমেদ ও শ্বশুর মজিব উল্যাহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অস্ত্র উদ্ধার ও মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

হাতিয়ায় সেই স্কুলে ফের ৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:০৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
হাতিয়ায় সেই স্কুলে ফের ৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ

ছবিতে অসুস্থ শিক্ষার্থী

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার জোড়খালী উচ্চ বিদ্যালয়ে আবারও ৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এ নিয়ে মাত্র ১০ দিনের মধ্যে একই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার ঘটনা ঘটল তিনবার।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আয়োজিত অভিভাবক সমাবেশ চলাকালে হঠাৎ কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে অসুস্থ শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে ৯ জনে দাঁড়ায়। তাদের মধ্যে তিনজনের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের নিয়ে সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশ চলাকালে হঠাৎ কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে আরও কয়েকজন অসুস্থ হলে বিদ্যালয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক বিদ্যালয়ে ছুটে যান হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল। তিনি শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতির খোঁজ নেন।

এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর একই বিদ্যালয়ে ঝাঁজালো গন্ধে ১৬ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। এরপর গত ১৪ সেপ্টেম্বর শ্রেণিকক্ষে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে আরও ২১ শিক্ষার্থী। তাদের হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ওই ঘটনায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলা হয়। তখন শ্রেণিকক্ষে ঝাঁজালো গন্ধ পাওয়ার বিষয়টি জানা যায়। পরপর তিনবার শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জসীমউদ্দিন বলেন, ৫-৬ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ার বিষয়টি অভিভাবকেরা জানিয়েছেন। প্রশাসনের লোকজন ঘটনাস্থলে রয়েছেন। তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।

হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল বলেন, ৯জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা শহরে পাঠানো হয়। কী কারণে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ বা অজ্ঞান হচ্ছে, তা এখনো নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। কারণ অনুসন্ধানে প্রশাসন কাজ করছে।

চুমুর দৃশ্যের শুটিংয়ে টানা চার ঘণ্টা, অভিজ্ঞতা জানালেন কিম জি সোক

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চুমুর দৃশ্যের শুটিংয়ে টানা চার ঘণ্টা, অভিজ্ঞতা জানালেন কিম জি সোক

ছবি সংগৃহীত

বিনোদন ডেস্ক: একটি চুমুর দৃশ্যের শুটিং করতে টানা চার ঘণ্টা সময় লেগেছিল। এমন অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার অভিনেতা কিম জি সোক। তাঁর সঙ্গে ওই দৃশ্যে অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী মিন জুং।

১৫ সেপ্টেম্বর লি মিন জুংয়ের ইউটিউব চ্যানেলে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন কিম জি সোক। অনুষ্ঠানে তাঁদের বন্ধুত্ব এবং নতুন নাটক ‘ওকে! লেটস গেট ডিভোর্স’-এ স্বামী-স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলেন দুই অভিনয়শিল্পী।

অনুষ্ঠানে মিথ্যা শনাক্তকারী যন্ত্র নিয়ে মজার খেলায় অংশ নেন তাঁরা। একপর্যায়ে কিম জি সোক লি মিন জুংকে প্রশ্ন করেন, ‘আমার সঙ্গে চুমুর দৃশ্যের শুটিং করে বাড়ি ফেরার পর আপনার কি অপরাধবোধ হয়েছিল?’

জবাবে লি মিন জুং বলেন, ‘না।’ মিথ্যা শনাক্তকারী যন্ত্রও জানায়, তিনি সত্যি বলেছেন। এতে অবাক হয়ে কিম জি সোক বলেন, ‘সত্যিই?’ এরপর নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার অপরাধবোধ হয়েছিল।’ তাঁর কথা শুনে হেসে ফেলেন লি মিন জুং।

চার ঘণ্টা ধরে চুমুর দৃশ্যের শুটিং

চুমুর দৃশ্যটির শুটিং নিয়ে বিস্তারিত বলতে গিয়ে কিম জি সোক বলেন, ‘আপনার জন্য বিষয়টি কেমন ছিল জানি না। তবে অভিনয়ে আসার পর এত দীর্ঘ ও তীব্র চুমুর দৃশ্য এর আগে কখনো করিনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘শুধু চুমুর দৃশ্যটির শুটিংই আমরা চার ঘণ্টা করেছি।’

শুটিংয়ের সময় নিজের দাড়ির কারণে আরও একটি সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছিল বলে জানান এই অভিনেতা। তাঁর ভাষ্য, ‘আমার দাড়ি ছিল। তাই লি মিন জুংয়ের মুখে আঁচড় লেগে লাল হয়ে গিয়েছিল।’

স্বামীকে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের কথা জানান কি?

অনুষ্ঠানে লি মিন জুংকে জিজ্ঞাসা করা হয়, কাজের প্রয়োজনে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয়ের কথা তিনি স্বামীকে জানান কি না। উত্তরে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমরা যদি প্রেমের সম্পর্কে থাকতাম, তাহলে হয়তো বলতাম। কিন্তু বিয়ে ও সন্তান হওয়ার পর, “আজ আমি চুমুর দৃশ্যের শুটিং করতে যাচ্ছি”—এভাবে বলা...’

কথা শেষ না করেই হেসে ফেলেন লি মিন জুং। কিম জি সোকও হেসে বলেন, ‘ওটা তো হাস্যকর হবে।’

উল্লেখ্য, লি মিন জুং ২০১৩ সালে অভিনেতা লি বিয়ং হুনকে বিয়ে করেন। তাঁদের দুই সন্তান রয়েছে। বর্তমানে ‘ওকে! লেটস গেট ডিভোর্স’ নাটকে কিম জি সোকের সঙ্গে স্বামী-স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি।