খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১ আশ্বিন, ১৪৩৩

বিদ্যুৎ অফিসে 'ভয়ের স্রোত', ফেসবুকে কর্মকর্তাদের আকুতি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৩ আগস্ট ২০২৬, ৭:৫৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিদ্যুৎ অফিসে 'ভয়ের স্রোত', ফেসবুকে কর্মকর্তাদের আকুতি

দেশজুড়ে তীব্র লোডশেডিংয়ের মধ্যে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকরা। একই সঙ্গে বাড়ছে পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর চাপও। বিদ্যুৎ না থাকায় গ্রাহকদের ক্ষোভের মুখে পড়ছেন মাঠপর্যায়ের কর্মীরা। অনেকেই ফোনে গালাগালি ও হুমকির শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন।

এমন পরিস্থিতিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরে পল্লীবিদ্যুৎকর্মীরা বলছেন, ‘পল্লীবিদ্যুৎ বিদ্যুৎ উৎপাদন করে না, শুধু বিতরণ করে।’

মাদারীপুর এলাকার এক বিদ্যুৎকর্মী ‘বিদ্যুৎ প্রতিদিন’ নামের একটি ফেসবুক পেজে নিজের ছবি দিয়ে লিখেছেন, ‘আজকে রাতের লোডশেডিংয়ের ভার আমার কাঁধে দিয়েন না।’ তার এমন আকুতিতে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের চাপ ও অসহায়ত্বের বিষয়টি সামনে এসেছে।

রাজশাহীর এক বিদ্যুৎকর্মীও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের নিরাপত্তাহীনতার কথা তুলে ধরেছেন। ‘রাজশাহীর লাইনম্যান পিবিএস এর প্রাণ’ নামের পেজে দেওয়া পোস্টে তিনি জানান, বিদ্যুৎকর্মীদের মাঠপর্যায়ের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। অফিসে ভাঙচুর ও কর্মীদের ওপর হামলার আশঙ্কায় অনেকেই আতঙ্কে রয়েছেন।

খুলনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এক কর্মী গ্রাহকদের উদ্দেশে বলেন, অযথা বিদ্যুৎকর্মীদের গালাগালি বা দায়ী না করার জন্য। তার ভাষ্য, পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি নিজস্বভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে না; জাতীয় গ্রিড থেকে পাওয়া বিদ্যুৎই গ্রাহকদের মধ্যে বিতরণ করে। জাতীয় গ্রিডে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকলে বিতরণ ব্যবস্থায়ও সংকট তৈরি হয়।

কর্মীদের অভিযোগ, অনেক সময় একজন কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে একসঙ্গে চার-পাঁচটি ফোন সামলাতে হয়। অথচ একই সময়ে হাজার হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎ পরিস্থিতি জানতে ফোন করেন। এতে চাপ সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। অভিযোগ রয়েছে, ফোনে অনেক কর্মীকে ব্যক্তিগতভাবে গালাগালিও শুনতে হচ্ছে।

জেলা পর্যায়ের পল্লীবিদ্যুৎ অফিসগুলোর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টেও সংকটের চিত্র উঠে এসেছে। ‘পল্লী বিদ্যুৎ খোকসা, কুষ্টিয়া’ পেজের এক বার্তায় জানানো হয়, পিক আওয়ারে সেখানে বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৪ মেগাওয়াট হলেও বটতৈল গ্রিড থেকে বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৪ দশমিক ৫ মেগাওয়াট। ফলে দীর্ঘ সময় লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।

গ্রিড থেকে বিদ্যুতের বরাদ্দ বারবার পরিবর্তিত হওয়ায় ২৪ ঘণ্টার নির্দিষ্ট লোডশেডিং শিডিউলও দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে জানানো হয়েছে। পরিস্থিতি সম্পর্কে গ্রাহকদের অবহিত করতে বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত সতর্কতামূলক বার্তাও দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে দেশজুড়ে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির অবনতির কারণে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলো নিজেদের কার্যালয়, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন জেলার পুলিশ সুপার ও সংশ্লিষ্ট থানায় লিখিত আবেদন করেছে।

সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় গ্রিডে বড় ধরনের ঘাটতির কারণেই মূলত বর্তমান সংকট তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) দৈনিক তথ্য অনুযায়ী, পিক আওয়ারে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ১৬ হাজার মেগাওয়াটের বেশি। বিপরীতে গ্যাস ও কয়লার সংকট এবং বিদ্যুৎ আমদানি কমে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত ঘাটতি তৈরি হচ্ছে।

পিজিসিবির তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রতিদিন প্রায় ১০০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের প্রয়োজন হলেও সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ৭০ কোটি ঘনফুট। ফলে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে প্রায় ২ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

বিপিডিবি ও পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের তথ্য বলছে, বিদ্যুৎ সংকটের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ছে মফস্বল ও গ্রামাঞ্চলে। এসব এলাকায় অনেক জায়গায় দিনে ৮ থেকে ১২ ঘণ্টারও বেশি সময় লোডশেডিং হচ্ছে। ফলে গ্রাহকদের পাশাপাশি সংকট মোকাবিলায় মাঠে থাকা বিদ্যুৎকর্মীরাও পড়েছেন চরম চাপের মধ্যে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

জমি নিয়ে বিরোধে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:১৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জমি নিয়ে বিরোধে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩

ছবি সংগৃহীত

নোয়াখালী প্রতিনিধি :

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে জমি নিয়ে দুই ভাইয়ের পরিবারের বিরোধের জেরে ছোট ভাইয়ের পরিবারের ওপর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে বড় ভাইয়ের মেয়ের জামাই ও তার স্বজনদের বিরুদ্ধে। হামলার সময় আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার আমানউল্লাহপুর ইউনিয়নের লাকুড়িয়ার কান্দি গ্রামে পাটোয়ারী বাড়িতে এ ঘটনার পর রাতে থানায় মামলা ও গ্রেপ্তার করা হয়।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আসামিদের নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর আগে, মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার আমানউল্লাহপুর ইউনিয়নের লাকুড়িয়ার কান্দি গ্রামের পাটোয়ারী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, লাকুড়িয়ার কান্দি গ্রামের আনোয়ার উল্লার দুই ছেলে মজিব উল্যার ও প্রয়াত শরিফ উল্যার পরিবারের মধ্যে বাড়ির জমিজমা নিয়ে বিরোধে চলছে।
মঙ্গলবার বিকেলে বিরোধীয় জায়গায় ঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের ছেলেমেয়েদের মধ্যে ঝগড়া ও মারামারি হয়। এ সময় মজিব উল্লার মেয়ে শারমিনের চোখে আঘাত করেন প্রয়াত শরিফ উল্লার ছেলেমেয়েরা। খবর পেয়ে বিকেল ৪টার দিকে পাশের গোপালপুর ইউনিয়েনের রসূরপুর গ্রাম থেকে শারমিনের স্বামী মো.ইস্রাফিল লোকজন নিয়ে চাচা শ্বশুর শরিফ উল্লার পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালান। হামলার সময়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভিডিওতে হামলাকারীদের দুইজনের হাতে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র দেখা যায়। তাদের মধ্যে কয়েকজন মুখোশধারী ছিলেন। এ সময় অস্ত্রধারীরা শরিফ উল্লার পরিবারের নারী পুরুষ সদস্যদের দিকে তেড়ে যেতে দেখা যায়। তারা শরিফ উল্লার বসতঘরে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাংচুর চালান।

বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শামসুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় শরিফ উল্যার ছোট ছেলে মোবারক উল্যাহ বাদী হয়ে মামলা করেছেন।

তিনি বলেন, মামলায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে। পরে এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইস্রাফিল, তার বাবা তোফায়েল আহমেদ ও শ্বশুর মজিব উল্যাহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অস্ত্র উদ্ধার ও মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

হাতিয়ায় সেই স্কুলে ফের ৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:০৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
হাতিয়ায় সেই স্কুলে ফের ৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ

ছবিতে অসুস্থ শিক্ষার্থী

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার জোড়খালী উচ্চ বিদ্যালয়ে আবারও ৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এ নিয়ে মাত্র ১০ দিনের মধ্যে একই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার ঘটনা ঘটল তিনবার।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আয়োজিত অভিভাবক সমাবেশ চলাকালে হঠাৎ কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে অসুস্থ শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে ৯ জনে দাঁড়ায়। তাদের মধ্যে তিনজনের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের নিয়ে সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশ চলাকালে হঠাৎ কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে আরও কয়েকজন অসুস্থ হলে বিদ্যালয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক বিদ্যালয়ে ছুটে যান হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল। তিনি শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতির খোঁজ নেন।

এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর একই বিদ্যালয়ে ঝাঁজালো গন্ধে ১৬ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। এরপর গত ১৪ সেপ্টেম্বর শ্রেণিকক্ষে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে আরও ২১ শিক্ষার্থী। তাদের হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ওই ঘটনায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলা হয়। তখন শ্রেণিকক্ষে ঝাঁজালো গন্ধ পাওয়ার বিষয়টি জানা যায়। পরপর তিনবার শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জসীমউদ্দিন বলেন, ৫-৬ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ার বিষয়টি অভিভাবকেরা জানিয়েছেন। প্রশাসনের লোকজন ঘটনাস্থলে রয়েছেন। তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।

হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল বলেন, ৯জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা শহরে পাঠানো হয়। কী কারণে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ বা অজ্ঞান হচ্ছে, তা এখনো নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। কারণ অনুসন্ধানে প্রশাসন কাজ করছে।

চুমুর দৃশ্যের শুটিংয়ে টানা চার ঘণ্টা, অভিজ্ঞতা জানালেন কিম জি সোক

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চুমুর দৃশ্যের শুটিংয়ে টানা চার ঘণ্টা, অভিজ্ঞতা জানালেন কিম জি সোক

ছবি সংগৃহীত

বিনোদন ডেস্ক: একটি চুমুর দৃশ্যের শুটিং করতে টানা চার ঘণ্টা সময় লেগেছিল। এমন অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার অভিনেতা কিম জি সোক। তাঁর সঙ্গে ওই দৃশ্যে অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী মিন জুং।

১৫ সেপ্টেম্বর লি মিন জুংয়ের ইউটিউব চ্যানেলে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন কিম জি সোক। অনুষ্ঠানে তাঁদের বন্ধুত্ব এবং নতুন নাটক ‘ওকে! লেটস গেট ডিভোর্স’-এ স্বামী-স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলেন দুই অভিনয়শিল্পী।

অনুষ্ঠানে মিথ্যা শনাক্তকারী যন্ত্র নিয়ে মজার খেলায় অংশ নেন তাঁরা। একপর্যায়ে কিম জি সোক লি মিন জুংকে প্রশ্ন করেন, ‘আমার সঙ্গে চুমুর দৃশ্যের শুটিং করে বাড়ি ফেরার পর আপনার কি অপরাধবোধ হয়েছিল?’

জবাবে লি মিন জুং বলেন, ‘না।’ মিথ্যা শনাক্তকারী যন্ত্রও জানায়, তিনি সত্যি বলেছেন। এতে অবাক হয়ে কিম জি সোক বলেন, ‘সত্যিই?’ এরপর নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার অপরাধবোধ হয়েছিল।’ তাঁর কথা শুনে হেসে ফেলেন লি মিন জুং।

চার ঘণ্টা ধরে চুমুর দৃশ্যের শুটিং

চুমুর দৃশ্যটির শুটিং নিয়ে বিস্তারিত বলতে গিয়ে কিম জি সোক বলেন, ‘আপনার জন্য বিষয়টি কেমন ছিল জানি না। তবে অভিনয়ে আসার পর এত দীর্ঘ ও তীব্র চুমুর দৃশ্য এর আগে কখনো করিনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘শুধু চুমুর দৃশ্যটির শুটিংই আমরা চার ঘণ্টা করেছি।’

শুটিংয়ের সময় নিজের দাড়ির কারণে আরও একটি সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছিল বলে জানান এই অভিনেতা। তাঁর ভাষ্য, ‘আমার দাড়ি ছিল। তাই লি মিন জুংয়ের মুখে আঁচড় লেগে লাল হয়ে গিয়েছিল।’

স্বামীকে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের কথা জানান কি?

অনুষ্ঠানে লি মিন জুংকে জিজ্ঞাসা করা হয়, কাজের প্রয়োজনে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয়ের কথা তিনি স্বামীকে জানান কি না। উত্তরে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমরা যদি প্রেমের সম্পর্কে থাকতাম, তাহলে হয়তো বলতাম। কিন্তু বিয়ে ও সন্তান হওয়ার পর, “আজ আমি চুমুর দৃশ্যের শুটিং করতে যাচ্ছি”—এভাবে বলা...’

কথা শেষ না করেই হেসে ফেলেন লি মিন জুং। কিম জি সোকও হেসে বলেন, ‘ওটা তো হাস্যকর হবে।’

উল্লেখ্য, লি মিন জুং ২০১৩ সালে অভিনেতা লি বিয়ং হুনকে বিয়ে করেন। তাঁদের দুই সন্তান রয়েছে। বর্তমানে ‘ওকে! লেটস গেট ডিভোর্স’ নাটকে কিম জি সোকের সঙ্গে স্বামী-স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি।