খুঁজুন
রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১১ শ্রাবণ, ১৪৩৩

বাবার দাফন শেষে বাড়ি ফেরার পথেই এলো মেয়ের মৃত্যুসংবাদ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৫ জুলাই ২০২৬, ৪:৩৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাবার দাফন শেষে বাড়ি ফেরার পথেই এলো মেয়ের মৃত্যুসংবাদ

ছবি: সংগৃহীত

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে হৃদয়বিদারক এক ঘটনার জন্ম হয়েছে। মাত্র ছয় ঘণ্টার ব্যবধানে একই পরিবারের দুই সদস্যকে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছে একটি পরিবার। বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবার দাফন শেষে বাড়ি ফেরার পথেই আসে মেয়ের মৃত্যুসংবাদ। একদিনেই বাবাকে ও মেয়েকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

শনিবার (২৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার দৌলতপুর পূর্বপাড়া গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দৌলতপুর পূর্বপাড়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা ফুলবাস আলী (৭২) বার্ধক্যজনিত কারণে শুক্রবার বিকেলে মারা যান। শনিবার সকাল ১০টায় উপজেলার মানিকদিয়ার কবরস্থানে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রদীপ কুমার দাসের উপস্থিতিতে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়।

দাফন শেষে পরিবারের সদস্যরা যখন বাড়ি ফিরছিলেন, তখনই ফোনে আসে আরেকটি দুঃসংবাদ। ফুলবাস আলীর নাতনি ও তুজাম উদ্দিনের মেয়ে মুন্নি খাতুন (২৩) মারা গেছেন।

স্বজনরা জানান, মুন্নি দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিসে ভুগছিলেন। কয়েকদিন আগে তাঁর টাইফয়েড ধরা পড়ে। শুক্রবার রাতে দাদার মরদেহের পাশে বসে কান্নাকাটি করতে করতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং একপর্যায়ে জ্ঞান হারান। পরে তাঁকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার প্রস্তুতির সময় শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

মুক্তিযোদ্ধার বড় ছেলে তুজাম উদ্দিন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “শুক্রবার বিকেলে বাবা মারা যান। শনিবার সকালে বাবার জানাজা ও দাফন শেষ করে বাড়ি ফেরার পথেই জানতে পারি, আমার মেয়ে মুন্নিও আর নেই। একদিনে বাবা আর মেয়েকে হারিয়ে আমরা বাকরুদ্ধ হয়ে গেছি।”

পরিবার জানায়, প্রায় এক বছর আগে দৌলতপুর থানাপাড়া গ্রামের মোস্তাকের সঙ্গে মুন্নির বিয়ে হয়। বিয়ের আগ পর্যন্ত তিনি দাদা ফুলবাস আলীর দেখাশোনার বড় দায়িত্ব পালন করতেন।

স্বজন নুরুজ্জামান বলেন, “চাচাকে শেষ বিদায় দিয়ে বাড়ি ফিরতেই ভাতিজির মৃত্যুর খবর পেলাম। এমন শোক কোনো পরিবার যেন কখনো না পায়।”

পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শনিবার বিকেলে একই মানিকদিয়ার কবরস্থানে দাদা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফুলবাস আলীর কবরের পাশেই দাফন করা হয় মুন্নি খাতুনকে। একই দিনে একই কবরস্থানে দাদা-নাতনির চিরনিদ্রায় শায়িত হওয়ার দৃশ্য এলাকাবাসীকেও আবেগাপ্লুত করে তোলে।

ঘটনার পর পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, একই দিনে একই পরিবারের দুই সদস্যকে হারানোর এমন বেদনাদায়ক ঘটনা তারা আগে কখনো দেখেননি।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ট্রাক ড্রাইভার থেকে বাদ দেওয়ার কারনে আগুন দেন দোকানে

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ জুলাই ২০২৬, ১:৪৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ট্রাক ড্রাইভার থেকে বাদ দেওয়ার কারনে আগুন দেন দোকানে

আগুনে ভস্মীভূত দোকান

এম এ হাই |সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি: 

সাঁথিয়ার বড়গ্রামে আলমগীর হোসেন বাড়ির পিঁয়াজের ঘরে গত ২৩ জুন রাত অনুমান ১ টার দিকে কে বা কাহারা আগুন ধরিয়ে দেন। আগুনের লেলিহান শিখায় মুহূর্তের মধ্যে ঘরে রাখা পেঁয়াজ এবং ঘরটি আগুনে পুড়ে ভূষ্মীভূত হয়। এতে করে আলমগীরের প্রায় ৮ লক্ষ  টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে বলে তিনি জানান। 

সরেজমিন এবং অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সাঁথিয়ার আতোসোভা বড়গ্রাম বাজারে দোকানে গত  ৮ জুলাই দিবাগত রাত দুইটার দিকে  আগুন লাগার  সংবাদ পাইয়া আলমগীরসহ কিছু লোকজন  ঘটনাস্থলে যায় এবং দোকান ঘরে আগুন জ্বলতে দেখিয়া ডাকচিৎকার করিলে স্থানীয় লোকজনসহ ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। ফায়ার সার্ভিসের লোকজন আসিয়া দোকানের আগুন নিভায়। ইতিমধ্যে ইমরান ষ্টোর নামক  দোকানে থাকা সার কীটনাশক, মুদিখানা মালামাল ও ডেকোরেরের মালামাল পুড়িয়া অনুমান ২৫ লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে বলে যানা যায়। 

আতোভসোভা গ্রামের  ইদ্রিস আলীর ছেলে সিয়াম উদ্দিন আলমগীর  হোসেনের  ট্রাক ড্রাইভার হিসাবে গাড়ী চালাইয়া আসিতেছিল। ট্রাক গাড়ী চালানো কালীন সময়ে সিয়াম উদ্দিন ট্রাক গাড়ীর বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ও গাড়ীর তেল চুরি করিয়া অন্যত্রে বিক্রয় করে। উক্ত বিষয়টি জানাজানির পর গত ইং ০৮ জুলাই আতোশোভা-বড়গ্রাম বাজারে ইমরান ষ্টোর নামক দোকান ঘরে শালিশ বৈঠক হয়। শালিশ বৈঠকে স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ সিয়ামকে ৬৭ হাজার ৬শত টাকা জরিমানা করেন। ১৪ জুলাই ২০২৬ খ্রি. এর মধ্যে  সিয়াম উদ্দিন টাকা পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দেন । সিয়ামকে ওই দিন থেকেই গাড়ির ড্রাইভার থেকে বাদ দেয়া হয়। সিয়াম উদ্দিনকে  ট্রাক গাড়ীর ড্রাইভার হইতে বাদ দেওয়ার কারনে সে প্রতিশোধ মুলকভাবে সে একেরপর এক আগুন দিতে পারে বলে এলাকাবাসী জানান। 

বড়গ্রামের আক্কাজ আলী শেখ জানান,সিয়ামকে ট্রাক ড্রাইভার থেকে বাদ দেওয়ার পর আলমগীরের দোকান পুড়ে গেল।  বাড়ির পিঁয়াজের ঘরে আগুন দেওয়া হলো এর সাথে সিয়াম ও তার ভাইয়েরা জড়িত আছে বলে আমাদের ধারণা। 

সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আনিসুর রহমান জানান, বার বার আগুনলাগা বিচ্ছিন্ন কোন ঘটনা নয়। এ ব্যাপারে শনিবার থানায় একটি মামলা হয়েছে।  

যোগফল অনলাইন নিউজ ডেস্ক 

ওমর-ফারুক-যুবরাজের-নেতৃত্বে-এনসিপিতে-যোগ-দিলেন-১৬০-বেসরকারি-বিশ্ববিদ্যালয়ের-শিক্ষার্থী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ জুলাই ২০২৬, ১:৪৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ওমর-ফারুক-যুবরাজের-নেতৃত্বে-এনসিপিতে-যোগ-দিলেন-১৬০-বেসরকারি-বিশ্ববিদ্যালয়ের-শিক্ষার্থী

ঢাকা, ২৫ জুলাই: জুলাই অভ্যুত্থান ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী দেশের বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬০ জন শিক্ষার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-তে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেছেন। সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক ওমর ফারুক যুবরাজের নেতৃত্বে তারা নতুন রাজনৈতিক যাত্রা শুরু করেন।

শুক্রবার (২৫ জুলাই) বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত জাতীয় যুবশক্তির কনভেনশনে এই যোগদান সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই আন্দোলনের আহ্বায়ক, সদস্য সচিব ও নেতৃত্বদানকারী শিক্ষার্থীরা একযোগে এনসিপিতে যোগ দেন।

জুলাই অভ্যুত্থান ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সংগঠিত করা, আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমন্বয় গড়ে তোলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন ওমর ফারুক যুবরাজ। তাঁর নেতৃত্বে আন্দোলনে সক্রিয় থাকা একাধিক শিক্ষানেতা এবার জাতীয় নাগরিক পার্টির রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

অনুষ্ঠানে নবাগতদের ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেন জাতীয় যুবশক্তির সভাপতি তারিকুল, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ সোহেল এবং সাংগঠনিক সম্পাদক রিফাত।

এ সময় জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আক্তার হোসেন, নুসরাত তাবাসসুম, হান্নান মাসুদ, গাজী সালাহউদ্দিন তানভির, মাহিন সরকার, নাসির পাটোয়ারীসহ আরও অনেকে।

যোগদানকারী শিক্ষার্থীদের পক্ষে বক্তব্য দেন ওমর ফারুক যুবরাজ, রবিউল আলম আকামিন, বাদশা, তাজরিয়ান মাহমুদ ও মাহমুদ হাসান তুহিন। বক্তারা বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে তারা জাতীয় নাগরিক পার্টির মাধ্যমে নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা করেছেন।

আয়োজকদের ভাষ্য, জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এই যোগদান দেশের সমসাময়িক রাজনীতিতে একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

দস্যুদের আর পুনর্বাসন নয়, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ জুলাই ২০২৬, ১২:২০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দস্যুদের আর পুনর্বাসন নয়, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

সুন্দরবনে দস্যুতা দমনে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, অতীতে যথাযথ নজরদারির অভাবে সুন্দরবনে দস্যুতা বেড়েছে। তবে বর্তমান সরকার সুন্দরবনে শান্তি ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে। দস্যুদের আর পুনর্বাসন করা হবে না—তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে হবে, অন্যথায় কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে।

শনিবার (২৫ জুলাই) বাগেরহাটের মোংলা উপজেলা মিলনায়তনে ‘টেকসই উন্নয়নের জন্য সুন্দরবন ও উপকূলীয় জীবিকার সুরক্ষা’ শীর্ষক দিনব্যাপী সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল আট হাজার ২৭১ জেলে পরিবারের জন্য সরকার ৬৬১ টন চাল বরাদ্দ দিয়েছে। পাশাপাশি সুন্দরবন রক্ষায় সরকার নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।

তিনি আরও বলেন, সুন্দরবনের ক্ষতির পেছনে উপকূলীয় অঞ্চলের কিছু মানুষের অসচেতনতাও দায়ী। বিশেষ করে বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকারকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

সংলাপে সুন্দরবন সংরক্ষণ, উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নীতি ও করণীয় নিয়ে জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের অংশীজনরা মতবিনিময় করেন।

পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক নাগরিক সংগঠন ‘ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)’, ব্রাইটার্স, পশুর রিভার ওয়াটারকিপার, সচেতন ফাউন্ডেশন এবং ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে এই সংলাপের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খান, অধ্যাপক মো. আব্দুল আলীম, বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শারমিন আক্তার সুমী, সহকারী পুলিশ সুপার মো. রেফাতুল ইসলাম, জাতীয় নারীশক্তি ও এনসিপির যুগ্ম-আহ্বায়ক মনিরা শারমিন, মোংলা পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র জুলফিকার আলী, পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী, উপকূলীয় সাংবাদিকতা গবেষক রফিকুল ইসলাম মন্টু এবং ‘ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)’র সদস্য সচিব শরীফ জামিলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।

সংলাপটি সঞ্চালনা করেন পশুর রিভার ওয়াটারকিপার ও ‘সুন্দরবন রক্ষায় আমরা’র সমন্বয়কারী মো. নূর আলম শেখ।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম