খুঁজুন
রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১১ শ্রাবণ, ১৪৩৩

যাদুকাটা নদীতে খেয়া পারাপার বন্ধ | দুর্ভোগে লাখো মানুষ ও পর্যটক

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ জুলাই ২০২৬, ১:৪১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
যাদুকাটা নদীতে খেয়া পারাপার বন্ধ | দুর্ভোগে লাখো মানুষ ও পর্যটক

খেয়াঘাটের ছবি

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি 

‎সুনামগঞ্জ জেলার ​যাদুকাটা নদীর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মিয়ারচড়-পাঠানপাড়া খেয়াঘাটটি দুই ইজারাদারের অভ্যন্তরীণ ও দখল সংক্রান্ত দ্বন্দ্বে হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন লাখো সাধারণ মানুষ এবং দূর-দূরান্ত থেকে আসা পর্যটকরা। 

ঘাটের দখল নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের জেরে পারাপার বন্ধ থাকায় তাহিরপুর ও বিশ্বম্ভরপুরসহ পার্শ্ববর্তী তিনটি উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এতে একদিকে যেমন স্থবির হয়ে পড়েছে স্থানীয়দের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা, অন্যদিকে বিখ্যাত সব পর্যটন কেন্দ্রে আসা হাজার হাজার দর্শনার্থী পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইজারাদারদের দ্বন্দ্ব ও হঠাৎ খেয়া বন্ধ যাদুকাটা নদীর মিয়ারচড়-পাঠানপাড়া খেয়াঘাটের ইজারা ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুটি পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি এই দ্বন্দ্বে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং আজ ২৩ জুলাই বৃহস্পতিবার সকালে দেবোত্তর স্টেটের ইজারার দাবিদার শিশির মনির যাদুকাটা নদীর পূর্ব পাড় মিয়ারচড় এলাকায়  ও জেলা পরিষদ থেকে আনা ইজারাদার ওয়াহিদ মিয়া পশ্চিম পাড় পাঠানপাড়া এলাকায় বসে ঘাটের টোল আদায়ের চেষ্টা করে দুই পক্ষ। পরে দুই পক্ষের টোল আদায়ের করার সময় দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে

‎একপর্যায়ে ঘাটের স্বাভাবিক খেয়া পারাপার বন্ধ করে দেওয়া হয়। ​কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই হঠাৎ খেয়া চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নদীর দুই পাড়ে হঠাৎ করেই আটকে পড়ে শত শত যানবাহন ও হাজার হাজার সাধারণ যাত্রী। ইজারাদারদের নিজস্ব স্বার্থের লড়াইয়ে জিম্মি হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ। ​স্থবির ৩ উপজেলার জীবনযাত্রা

‎​মিয়ারচর-পাঠানপাড়া খেয়াঘাটটি মূলত সুনামগঞ্জের তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর এবং আশপাশের তিন উপজেলার প্রধান সংযোগস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ​সাধারণ মানুষের ভোগান্তি: প্রতিদিন এই ঘাট দিয়ে হাজার হাজার শিক্ষার্থী, হাট-বাজারের ব্যবসায়ী, জরুরি রোগী ও সাধারণ কর্মজীবী মানুষ যাতায়াত করেন। খেয়া বন্ধ থাকায় জরুরি স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। দুই পক্ষের দ্বন্দ্বে  ঘাট বন্ধ থাকায় বাধ্য হয়ে  বিকল্প পথ ঘুরে গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে। এতে যেমন অতিরিক্ত সময় অপচয় হচ্ছে, তেমনি কয়েকগুণ বেশি পরিবহন ভাড়া গুনতে হচ্ছে। ​পর্যটন খাতে মারাত্মক প্রভাব

‎​প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপার লীলাভূমি সুনামগঞ্জের তাহিরপুর প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটকে মুখরিত থাকে। কিন্তু এই খেয়াঘাটটি বন্ধ থাকায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকেরা চরম বিপাকে পড়েছেন। ​পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে পৌঁছানো অনিশ্চিত: দর্শনার্থীরা মূলত তাহিরপুরের শিমুল বাগান, বারিক্কার টিলা, নীলাদ্রি লেক, লাকমাছড়া এবং টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমণের উদ্দেশ্যে এই পথ ব্যবহার করে থাকেন। খেয়া পারাপার বন্ধ থাকায় যাদুকাটা নদীর পাড়ে এসে হাজার হাজার পর্যটক আটকা পড়ছেন। বাধ্য হয়ে অনেকেই দর্শনীয় স্থানগুলো না দেখেই ক্ষোভ ও হতাশা নিয়ে ফিরে যাচ্ছেন। ​জনমনে ক্ষোভ ও প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি ​দুই ইজারাদারের দ্বন্দ্বে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ও পর্যটন খাত জিম্মি হয়ে পড়ায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। জানাযায়,  সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ থেকে  ইজারা প্রাপ্ত হয়ে গত ১৮/২০ বছর ধরে ভোগদখল করে আসছে তাহিরপুর উপজেলার বালিজুরী ইউনিয়নের মাহতাবপুর গ্রামের মৃত দেওয়ান আলীর ছেলে ইজারা ওয়াহিদ মিয়া(৪৫)।

‎আজ ২৩ জুলাই বৃহস্পতিবার সকালে শিশির মনির নামের একজন ২০/২৫ জনের একটি গ্রুপ নিয়ে দেবোত্তর স্টেটের ইজারাদার দাবি করে ঘাটের দখলে আসে। এই নিয়ে দেবোত্তর স্টেট ও জেলা পরিষদ আনা দুই ইজারাদারের দ্বন্দ্বে সকাল থেকেই বন্ধ থাকে খেয়া পারাপার। যার ফলে চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েছে হাজার হাজার সাধারণ যাত্রীসহ স্থানীয় এলাকাবাসী। স্থানীয়দের ধারণ, ঘাট দখল নিয়ে দুই ইজারাদারের লোকজনের সংঘর্ষে জড়িয়ে ঘটতে পারে যে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।  খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,মাননীয় হাইকোর্ট বিভাগের সিভিল রিভিশন ২৭৪০/২০২৪ নং মামলায় থাকায় দরপত্র বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিন্নাকুলি,লাউড়েরগড়, বড়ণ্ডপটিলাগাঁও ও মিয়ারচর খেয়াঘাটগুলো ইজারা দেয়া যায়নি বিধায়,জেলা পরিষদের রাজস্ব আদায় খেয়াঘাটগুলোর দখল বজায় রাখা, স্থানীয় জনসাধারণের খেয়া পারাপারের সুবিধা এবং জেলা পরিষদ চলতি বছরের ২৪ জুন মাসিক সভায় ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের জন্য মোঃ ওয়াহিদ মিয়াকে ৪২ লক্ষ টাকায় টোল খাস আদায়ের অনুমতি প্রদানের জন্য সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের ২ জুলাই ২০২৬ হতে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক খেয়াঘাটগুলো সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য খেয়াঘাটগুলো টোল খাস আদায়ে জন্য নির্দেশক্রমে অনুমতি দেয়া হয়।

‎এদিকে,দেবোত্তর ষ্টেটের মালিকানা দাবী করে শিশির আহমেদ জানান,আমি দেবোত্তর ষ্টেটের মালিক কালী চরণ ভজন এর কাছ থেকে এই ঘাটের ইজারা এনেছি। আমি বৈধ্য ইজারাদার। আরেকটি পক্ষ যারা জেলা পরিষদ থেকে এনে ইজারাদার দাবী করছে তারা অবৈধ। মামলা জড়িত থাকার পরেও জেলা পরিষদ কিভাবে হাইকোর্টের আদেশ অন্য করে ইজারা দেয়। কারন এই ঘাট জেলা পরিষদের না।

‎ইজারাদার মোঃ ওয়াহিদ মিয়া জানান,আমরা জেলা পরিষদ থেকে ইজারা এনেছি। শুধু এই বছরেই নয় গত দুই যুগ ধরে আমরা জেলা পরিষদ থেকে এনে এই ঘাট দিয়ে মানুষসহ বিভিন্ন যানবাহন পাড়াপার করছি। আজ হঠাৎ করে একটি পক্ষ দেবোত্তর ষ্টেটের মালিকানা দাবী করে নৌকা পাড়াপাড়ে বাঁধা সৃষ্টি করছে আর আমাদেরকে অবৈধ ইজারাদার বলছে। আমরা জেলা পরিষদ থেকে দীর্ঘ ১৩-১৪ বছর ধরেই ইজারা এনে বৈধভাবেই ঘাট পরিচালনা  করছি।

এ বিষয়ে দেবোত্তর ষ্টেটের মালিক কালী চয়ণ দত্ত চৌধুরী ভজন জানান,আমি কোনো কাগজ শিশির কে দেই নি,তার সাথে আমার কোনো যোগাযোগ নেই। তবে ওই সব ঘাটের মালিক আমি,জেলা পরিষদ ওই সব ঘাট খাশকালেকশন দিতে পারে না। 

‎এই বিষয়ে জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা সমর কুমার পাল এর সাথে এই বিষয়ে বার বার মোটোফোনে যোগাযোগ করা হলেও ফোন রিসিভ না করায় ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েও কোনো উত্তর পাওয়া যায় নি।

যোগফল অনলাইন নিউজ ডেস্ক 

ট্রাক ড্রাইভার থেকে বাদ দেওয়ার কারনে আগুন দেন দোকানে

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ জুলাই ২০২৬, ১:৪৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ট্রাক ড্রাইভার থেকে বাদ দেওয়ার কারনে আগুন দেন দোকানে

আগুনে ভস্মীভূত দোকান

এম এ হাই |সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি: 

সাঁথিয়ার বড়গ্রামে আলমগীর হোসেন বাড়ির পিঁয়াজের ঘরে গত ২৩ জুন রাত অনুমান ১ টার দিকে কে বা কাহারা আগুন ধরিয়ে দেন। আগুনের লেলিহান শিখায় মুহূর্তের মধ্যে ঘরে রাখা পেঁয়াজ এবং ঘরটি আগুনে পুড়ে ভূষ্মীভূত হয়। এতে করে আলমগীরের প্রায় ৮ লক্ষ  টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে বলে তিনি জানান। 

সরেজমিন এবং অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সাঁথিয়ার আতোসোভা বড়গ্রাম বাজারে দোকানে গত  ৮ জুলাই দিবাগত রাত দুইটার দিকে  আগুন লাগার  সংবাদ পাইয়া আলমগীরসহ কিছু লোকজন  ঘটনাস্থলে যায় এবং দোকান ঘরে আগুন জ্বলতে দেখিয়া ডাকচিৎকার করিলে স্থানীয় লোকজনসহ ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। ফায়ার সার্ভিসের লোকজন আসিয়া দোকানের আগুন নিভায়। ইতিমধ্যে ইমরান ষ্টোর নামক  দোকানে থাকা সার কীটনাশক, মুদিখানা মালামাল ও ডেকোরেরের মালামাল পুড়িয়া অনুমান ২৫ লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে বলে যানা যায়। 

আতোভসোভা গ্রামের  ইদ্রিস আলীর ছেলে সিয়াম উদ্দিন আলমগীর  হোসেনের  ট্রাক ড্রাইভার হিসাবে গাড়ী চালাইয়া আসিতেছিল। ট্রাক গাড়ী চালানো কালীন সময়ে সিয়াম উদ্দিন ট্রাক গাড়ীর বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ও গাড়ীর তেল চুরি করিয়া অন্যত্রে বিক্রয় করে। উক্ত বিষয়টি জানাজানির পর গত ইং ০৮ জুলাই আতোশোভা-বড়গ্রাম বাজারে ইমরান ষ্টোর নামক দোকান ঘরে শালিশ বৈঠক হয়। শালিশ বৈঠকে স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ সিয়ামকে ৬৭ হাজার ৬শত টাকা জরিমানা করেন। ১৪ জুলাই ২০২৬ খ্রি. এর মধ্যে  সিয়াম উদ্দিন টাকা পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দেন । সিয়ামকে ওই দিন থেকেই গাড়ির ড্রাইভার থেকে বাদ দেয়া হয়। সিয়াম উদ্দিনকে  ট্রাক গাড়ীর ড্রাইভার হইতে বাদ দেওয়ার কারনে সে প্রতিশোধ মুলকভাবে সে একেরপর এক আগুন দিতে পারে বলে এলাকাবাসী জানান। 

বড়গ্রামের আক্কাজ আলী শেখ জানান,সিয়ামকে ট্রাক ড্রাইভার থেকে বাদ দেওয়ার পর আলমগীরের দোকান পুড়ে গেল।  বাড়ির পিঁয়াজের ঘরে আগুন দেওয়া হলো এর সাথে সিয়াম ও তার ভাইয়েরা জড়িত আছে বলে আমাদের ধারণা। 

সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আনিসুর রহমান জানান, বার বার আগুনলাগা বিচ্ছিন্ন কোন ঘটনা নয়। এ ব্যাপারে শনিবার থানায় একটি মামলা হয়েছে।  

যোগফল অনলাইন নিউজ ডেস্ক 

ওমর-ফারুক-যুবরাজের-নেতৃত্বে-এনসিপিতে-যোগ-দিলেন-১৬০-বেসরকারি-বিশ্ববিদ্যালয়ের-শিক্ষার্থী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ জুলাই ২০২৬, ১:৪৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ওমর-ফারুক-যুবরাজের-নেতৃত্বে-এনসিপিতে-যোগ-দিলেন-১৬০-বেসরকারি-বিশ্ববিদ্যালয়ের-শিক্ষার্থী

ঢাকা, ২৫ জুলাই: জুলাই অভ্যুত্থান ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী দেশের বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬০ জন শিক্ষার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-তে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেছেন। সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক ওমর ফারুক যুবরাজের নেতৃত্বে তারা নতুন রাজনৈতিক যাত্রা শুরু করেন।

শুক্রবার (২৫ জুলাই) বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত জাতীয় যুবশক্তির কনভেনশনে এই যোগদান সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই আন্দোলনের আহ্বায়ক, সদস্য সচিব ও নেতৃত্বদানকারী শিক্ষার্থীরা একযোগে এনসিপিতে যোগ দেন।

জুলাই অভ্যুত্থান ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সংগঠিত করা, আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমন্বয় গড়ে তোলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন ওমর ফারুক যুবরাজ। তাঁর নেতৃত্বে আন্দোলনে সক্রিয় থাকা একাধিক শিক্ষানেতা এবার জাতীয় নাগরিক পার্টির রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

অনুষ্ঠানে নবাগতদের ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেন জাতীয় যুবশক্তির সভাপতি তারিকুল, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ সোহেল এবং সাংগঠনিক সম্পাদক রিফাত।

এ সময় জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আক্তার হোসেন, নুসরাত তাবাসসুম, হান্নান মাসুদ, গাজী সালাহউদ্দিন তানভির, মাহিন সরকার, নাসির পাটোয়ারীসহ আরও অনেকে।

যোগদানকারী শিক্ষার্থীদের পক্ষে বক্তব্য দেন ওমর ফারুক যুবরাজ, রবিউল আলম আকামিন, বাদশা, তাজরিয়ান মাহমুদ ও মাহমুদ হাসান তুহিন। বক্তারা বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে তারা জাতীয় নাগরিক পার্টির মাধ্যমে নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা করেছেন।

আয়োজকদের ভাষ্য, জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এই যোগদান দেশের সমসাময়িক রাজনীতিতে একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

দস্যুদের আর পুনর্বাসন নয়, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ জুলাই ২০২৬, ১২:২০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দস্যুদের আর পুনর্বাসন নয়, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

সুন্দরবনে দস্যুতা দমনে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, অতীতে যথাযথ নজরদারির অভাবে সুন্দরবনে দস্যুতা বেড়েছে। তবে বর্তমান সরকার সুন্দরবনে শান্তি ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে। দস্যুদের আর পুনর্বাসন করা হবে না—তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে হবে, অন্যথায় কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে।

শনিবার (২৫ জুলাই) বাগেরহাটের মোংলা উপজেলা মিলনায়তনে ‘টেকসই উন্নয়নের জন্য সুন্দরবন ও উপকূলীয় জীবিকার সুরক্ষা’ শীর্ষক দিনব্যাপী সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল আট হাজার ২৭১ জেলে পরিবারের জন্য সরকার ৬৬১ টন চাল বরাদ্দ দিয়েছে। পাশাপাশি সুন্দরবন রক্ষায় সরকার নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।

তিনি আরও বলেন, সুন্দরবনের ক্ষতির পেছনে উপকূলীয় অঞ্চলের কিছু মানুষের অসচেতনতাও দায়ী। বিশেষ করে বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকারকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

সংলাপে সুন্দরবন সংরক্ষণ, উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নীতি ও করণীয় নিয়ে জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের অংশীজনরা মতবিনিময় করেন।

পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক নাগরিক সংগঠন ‘ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)’, ব্রাইটার্স, পশুর রিভার ওয়াটারকিপার, সচেতন ফাউন্ডেশন এবং ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে এই সংলাপের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খান, অধ্যাপক মো. আব্দুল আলীম, বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শারমিন আক্তার সুমী, সহকারী পুলিশ সুপার মো. রেফাতুল ইসলাম, জাতীয় নারীশক্তি ও এনসিপির যুগ্ম-আহ্বায়ক মনিরা শারমিন, মোংলা পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র জুলফিকার আলী, পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী, উপকূলীয় সাংবাদিকতা গবেষক রফিকুল ইসলাম মন্টু এবং ‘ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)’র সদস্য সচিব শরীফ জামিলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।

সংলাপটি সঞ্চালনা করেন পশুর রিভার ওয়াটারকিপার ও ‘সুন্দরবন রক্ষায় আমরা’র সমন্বয়কারী মো. নূর আলম শেখ।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম