খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১ আশ্বিন, ১৪৩৩

পিএফজি গ্রুপের ত্রৈমাসিক সভায় ব্রিটিশ হাইকমিশনের গভর্নেন্স এডভাইজার এমা উইন্ড।

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পিএফজি গ্রুপের ত্রৈমাসিক সভায় ব্রিটিশ হাইকমিশনের গভর্নেন্স এডভাইজার এমা উইন্ড।

সিলেট প্রতিনিধি:

সংঘাত নয়, শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে ধর্মীয় সহিংসতামুক্ত সমাজ গঠনের প্রত্যয়ে সিলেটের বিশ্বনাথে ‘দি হাঙ্গার প্রজেক্ট’ বাংলাদেশের উদ্যোগে পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ (পিএফজি)-এর ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বিগত তিন মাসের কার্যক্রম মূল্যায়নের পাশাপাশি আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করা হয়। এ সময় সভা পরিদর্শন করেন ব্রিটিশ হাইকমিশনের গভর্নেন্স এডভাইজার এমা উইন্ড।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে বিশ্বনাথ উপজেলা মডেল মসজিদের হলরুমে আয়োজিত সভায় আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য সংঘাত প্রতিরোধ, সামাজিক সম্প্রীতি জোরদার, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ ও জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে পিএফজির কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিশ্বনাথ পিএফজির অ্যাম্বাসেডর ও উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মোনায়েম খানের সভাপতিত্বে এবং পিএফজির কো-অর্ডিনেটর সাংবাদিক বদরুল ইসলাম (মহসিন)-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভা পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ হাইকমিশনের গভর্নেন্স এডভাইজার এমা উইন্ড। তাঁর সঙ্গে ছিলেন এফসিডিও প্রতিনিধি তাসনিম সিদ্দিক, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর প্রশান্ত ত্রিপুরা, ডেপুটি প্রোগ্রাম ডিরেক্টর (এমআইপিএস) ড. নাজমুন নাহার নূর লুবনা, ইয়ুথ অ্যান্ড জেন্ডার এক্সপার্ট শারমিন সুলতানা লাবণ্য, এমআইপিএস প্রকল্পের সিলেট বিভাগীয় কর্মকর্তা নাজমুল ইসলাম মিনা এবং মাঠ সমন্বয়ক কুদরত পাশা।

সভায় অতিথিরা বলেন, কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থের প্রত্যাশা ছাড়াই বিশ্বনাথ পিএফজির সদস্যরা স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় কাজ করছেন। তারা বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বৃদ্ধি এবং ভেদাভেদ ভুলে সম্মিলিতভাবে কাজ করার মাধ্যমেই একটি উন্নত, শান্তিপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

তারা আরও বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং সংঘাত নিরসনে পিএফজির মতো উদ্যোগগুলোকে আরও শক্তিশালী করতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যম ও সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্বনাথ পিএফজির পিস অ্যাম্বাসেডর প্রভাষক নাসরিন জাহান, সাংবাদিক তজম্মুল আলী রাজু, আন্তঃধর্মীয় কমিটির আহ্বায়ক মাওলানা আবুল বশর ফারুক, উপজেলা জাতীয় পার্টির একাংশের আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীন, পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সামসুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও পিএফজি সদস্য কাওছার খান, হাজী সিতাব আলী, প্রভাষক আফিয়া রশিদ, আব্দুর রব, নাজমা বেগম, রাসনা বেগম, আশিকুর রহমান রানা, হাসান মাহমুদ রিপন, মলয় ভট্টাচার্য, শফিক আহমদ পিয়ার, মুক্তা রানী, মিনা বেগম, জুসনা বেগমসহ পিএফজির সদস্যরা।

এছাড়া ওয়াইপিজির সদস্য হাসিনা বেগম, ইয়ুথ কো-অর্ডিনেটর শাহ টিপু মিয়া, আজিজুর রহমান, ফয়ছল ইসলাম, আবদুল্লাহ, তানিয়া বেগম, সুমা বেগম, লিজা আক্তার শারমিন, সোহানা বেগমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

র‍্যাব বিলুপ্ত, এসআরবি নামে নতুন যাত্রা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:২৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
র‍্যাব বিলুপ্ত, এসআরবি নামে নতুন যাত্রা

যোগফল প্রতিবেদক:

র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) বিলুপ্ত করে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ (এসআরবি) নামে নতুন পরিচয়ে কার্যক্রম শুরু করেছে বিশেষায়িত এই ইউনিট। পুলিশের অধীনে গঠিত এসআরবি বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করেছে।

বাহিনী প্রধান আহসান হাবীব পলাশ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)’ নামে গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। র‍্যাবের নাম পরিবর্তন করে বুধবার থেকেই এসআরবি নামে কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

নতুন বাহিনীর সংবাদ সম্মেলনের আমন্ত্রণপত্রেও পরিবর্তনের বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে। সেখানে র‍্যাবের পরিবর্তে ‘এসআরবি বাংলাদেশ’ লেখা লোগো ব্যবহার করা হয়েছে। তবে লোগোর নকশায় কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। বিভিন্ন ইউনিটের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতেও নতুন নামের লোগো ব্যবহার করা হচ্ছে।

এর আগে ১০ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে র‍্যাব বিলুপ্ত করে পুলিশের অধীনে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ নামে নতুন বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের বিল পাস হয়।

পরবর্তীতে ১৫ সেপ্টেম্বর এ-সংক্রান্ত আইনের গেজেট প্রকাশ করা হয়। গেজেটে জননিরাপত্তা রক্ষা, সন্ত্রাসবাদ ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে পুলিশকে সহায়তার জন্য নতুন এই বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি ইউনিটটির ক্ষমতা প্রয়োগে স্বচ্ছতা, তদারকি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে।

২০০৪ সালের ২৬ মার্চ র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) গঠিত হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিভিন্ন অভিযানে বাহিনীটির ভূমিকা থাকলেও পরবর্তী সময়ে বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়।

২০২১ সালের ১০ ডিসেম্বর গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র র‍্যাব এবং বাহিনীর তৎকালীন ও সাবেক সাত কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর র‍্যাবের কাঠামো পুনর্গঠনের দাবি ওঠে। এর ধারাবাহিকতায় বিদ্যমান র‍্যাব বিলুপ্ত করে নতুন আইনি কাঠামোর অধীনে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ গঠন করা হয়েছে।

ফলে বুধবার থেকে র‍্যাবের পরিবর্তে এসআরবি নামে পুলিশের অধীনে বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করেছে বাহিনীটি।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

নিখোঁজের ২ দিন পর বাঁশঝাড়ে মিলল সিএনজিচালকের মরদেহ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:১৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিখোঁজের ২ দিন পর বাঁশঝাড়ে মিলল সিএনজিচালকের মরদেহ

যোগফল প্রতিবেদক:

হবিগঞ্জের বাহুবল বাজার এলাকা থেকে সিএনজি অটোরিকশাসহ নিখোঁজের দুই দিন পর তুহিন মিয়া (২৩) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে নবীগঞ্জ উপজেলার সাতাইহাল গাজির মোকাম এলাকায় একটি বাঁশঝাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত তুহিন মিয়া বাহুবল উপজেলার শংকরপুর (ইছবপুর) গ্রামের আব্দুল্লাহ মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় সিএনজি অটোরিকশাচালক ছিলেন।

সিএনজিসহ নিখোঁজ

স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে বাহুবল বাজার এলাকা থেকে সিএনজি অটোরিকশাসহ নিখোঁজ হন তুহিন। এরপর পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।

বুধবার সকালে নবীগঞ্জ উপজেলার সাতাইহাল গাজির মোকাম এলাকায় রাস্তার পাশে একটি বাঁশঝাড়ের মধ্যে তুহিনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে তারা বিষয়টি পুলিশকে জানালে নবীগঞ্জ থানা-পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।

ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে হত্যার ধারণা

স্থানীয়দের ধারণা, তুহিনের সিএনজি অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো নিশ্চিত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল হোসাইন বলেন, বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে স্থানীয়রা ফোন করে একটি মরদেহ পড়ে থাকার খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়।

তিনি জানান, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার ভেতরে একটি রাস্তার পাশে বাঁশঝাড়ের মধ্যে মরদেহটি পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় ৪৮ ঘণ্টা আগে সেখানে মরদেহটি ফেলে রাখা হয়ে থাকতে পারে।

ওসি আরও বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশের তদন্ত কার্যক্রম চলছে। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।


তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুরে ডোবায় মিলল হাত-পা বাঁধা ব্যবসায়ীর মরদেহ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুরে ডোবায় মিলল হাত-পা বাঁধা ব্যবসায়ীর মরদেহ

যোগফল প্রতিবেদক: 

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুরে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় বস্তাবন্দি এক ভাঙারি ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের নাম মো. আইয়ুব হোসেন (৫০)। তিনি কাঁচপুর উত্তরপাড়া এলাকার আলতাফ হোসেনের ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন আইয়ুব হোসেন। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে কাঁচপুরে জালালাবাদ ওষুধ কোম্পানির কাছে একটি ভাঙারি গোডাউনের পেছনের ডোবায় স্থানীয়রা হাত-পা বাঁধা অবস্থায় একটি বস্তা দেখতে পান। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে তারা পুলিশকে খবর দেন।

খবর পেয়ে সোনারগাঁ থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তাবন্দি অবস্থায় আইয়ুব হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করে।

পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া (জেনারেল) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জামির হোসেন নামে এক নিরাপত্তাপ্রহরীকে আটক করেছে পুলিশ। খবর পেয়ে নারায়ণগঞ্জের খ-সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

পুলিশ ও স্থানীয়দের ধারণা, আইয়ুব হোসেনকে অন্য কোনো স্থানে হত্যার পর পরিচয় গোপন করতে মরদেহ বস্তাবন্দি করে ডোবায় ফেলে রাখা হয়ে থাকতে পারে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বারিক বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। ঘটনার কারণ উদঘাটন এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে আইনি প্রক্রিয়া ও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।


তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম