খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১ আশ্বিন, ১৪৩৩

এমবাপ্পেকে অপহরণের পরিকল্পনা ফাঁস!

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:২৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এমবাপ্পেকে অপহরণের পরিকল্পনা ফাঁস!

যোগফল প্রতিবেদক: 

ফুটবল মাঠের তারকাখ্যাতির বাইরে এবার কিলিয়ান এমবাপ্পেকে ঘিরে সামনে এসেছে চাঞ্চল্যকর ও উদ্বেগজনক তথ্য। রিয়াল মাদ্রিদের ফরাসি ফরোয়ার্ডকে অপহরণ ও হামলার পরিকল্পনা করেছিল একটি অপরাধী চক্র। ফরাসি সংবাদমাধ্যম ‘লা পারিজিয়েন’-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী এক তরুণের নেতৃত্বে পরিচালিত ওই অপরাধী চক্রের সম্ভাব্য টার্গেটের তালিকায় ছিলেন এমবাপ্পে। চক্রটি মূলত বিত্তশালী ব্যক্তি, র‍্যাপার ও পরিচিত ফুটবলারদের অপহরণ এবং হামলার জন্য নিশানা করছিল।

তদন্তে নেমে ফরাসি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানতে পারে, কারাগারে বসেই স্ন্যাপচ্যাট অ্যাপের মাধ্যমে চক্রটির কার্যক্রম পরিচালনা করছিল ক্লিমেন্ট এল. নামের ১৮ বছর বয়সী এক ফরাসি-সুইস তরুণ।

বর্তমানে সশস্ত্র ডাকাতি ও মানবপাচারের মতো গুরুতর অভিযোগে ভিলপেন্ট কারাগারে বন্দি রয়েছেন ক্লিমেন্ট। তদন্তকারীদের ধারণা, কারাগারে বসেই ‘লেস্টার জেড.’ ছদ্মনাম ব্যবহার করে স্ন্যাপচ্যাটের মাধ্যমে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নির্দেশনা দিচ্ছিলেন তিনি।

গত এপ্রিল মাসে নুই-সুর-সেন এলাকায় এক ঘড়ি ব্যবসায়ীর ওপর হামলার তদন্ত করতে গিয়ে এই অপরাধী চক্রের সন্ধান পায় ফরাসি পুলিশ। পরে সন্দেহভাজনদের মোবাইল ফোন ও অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য টার্গেট ব্যক্তিদের ঠিকানা ও ব্যক্তিগত তথ্য উদ্ধার করেন তদন্তকারীরা।

উদ্ধার করা তালিকায় নামী গায়ক, বিত্তশালী ব্যবসায়ী ও বেশ কয়েকজন ফুটবলারের নাম পাওয়া যায়। প্যারিসের ১৯তম অ্যারোঁদিসমঁর এক চীনা ব্যবসায়ী, একজন গহনা ব্যবসায়ী এবং ভাল-দোয়াজ এলাকার এক তুর্কি পাইকারি বিক্রেতাকেও টার্গেট করেছিল চক্রটি।

তবে ওই তালিকায় কিলিয়ান এমবাপ্পের নাম থাকায় বিষয়টি নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা তৈরি হয়েছে। সূত্রের বরাত দিয়ে ‘লা পারিজিয়েন’ জানিয়েছে, চক্রটির মূলহোতা একজন খ্যাতনামা র‍্যাপারের পাশাপাশি এমবাপ্পেকেও অপহরণ বা হামলার টার্গেট করতে চেয়েছিল।

প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর বিশ্ব ফুটবলের তারকাদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

হামের উপসর্গে আরও ৮ মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১ হাজার ৪৪

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:৩৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
হামের উপসর্গে আরও ৮ মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১ হাজার ৪৪

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও আটজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৪৪ জনে। একই সময়ে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ১০০ জনের। সব মিলিয়ে হামে ও হামের উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪৪ জনে।

বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে এই আটজনের মৃত্যু হয়েছে।

সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্তের তথ্য পাওয়া গেছে আরও ১ হাজার ২৩৯ জনের। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দেওয়া রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭৫ হাজার ১৯৮ জনে।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে ৮১ জনের শরীরে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে। ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট ২০ হাজার ২৮২ জনের শরীরে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৪২০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৪৬৫ জন।

সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি। তবে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া আটজনের মধ্যে দুজন ঢাকা বিভাগের, তিনজন সিলেট বিভাগের, দুজন বরিশাল বিভাগের এবং একজন খুলনা বিভাগের।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত পরিসংখ্যানে মৃতদের বয়সভিত্তিক তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। রোগতত্ত্ববিদেরা বলছেন, হাম যেকোনো বয়সের মানুষের হতে পারে। তবে শিশুরাই এ রোগে বেশি আক্রান্ত হয়। প্রাদুর্ভাবের সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে হওয়া মৃত্যুগুলোকে হামে মৃত্যু হিসেবেই বিবেচনা করা হয়।

হামের উপসর্গে আরও ৮ মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১ হাজার ৪৪

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:০৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
হামের উপসর্গে আরও ৮ মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১ হাজার ৪৪

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও আটজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৪৪ জনে। একই সময়ে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ১০০ জনের। সব মিলিয়ে হামে ও হামের উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪৪ জনে।

বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে এই আটজনের মৃত্যু হয়েছে।

সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্তের তথ্য পাওয়া গেছে আরও ১ হাজার ২৩৯ জনের। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দেওয়া রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭৫ হাজার ১৯৮ জনে।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে ৮১ জনের শরীরে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে। ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট ২০ হাজার ২৮২ জনের শরীরে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৪২০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৪৬৫ জন।

সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি। তবে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া আটজনের মধ্যে দুজন ঢাকা বিভাগের, তিনজন সিলেট বিভাগের, দুজন বরিশাল বিভাগের এবং একজন খুলনা বিভাগের।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত পরিসংখ্যানে মৃতদের বয়সভিত্তিক তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। রোগতত্ত্ববিদেরা বলছেন, হাম যেকোনো বয়সের মানুষের হতে পারে। তবে শিশুরাই এ রোগে বেশি আক্রান্ত হয়। প্রাদুর্ভাবের সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে হওয়া মৃত্যুগুলোকে হামে মৃত্যু হিসেবেই বিবেচনা করা হয়।

গরম খুন্তির ছ্যাঁকা, মারধর ও টয়লেটে বন্দি: ১১ বছরের শিশুকে নির্যাতনের অভিযোগ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:২৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গরম খুন্তির ছ্যাঁকা, মারধর ও টয়লেটে বন্দি: ১১ বছরের শিশুকে নির্যাতনের অভিযোগ

ছবিতে গৃহকর্তারা

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে আছে ১১ বছরের শিশুটি। শরীরজুড়ে ক্ষত, কোথাও শুকিয়ে আসা রক্তের দাগ। মাথায় একাধিক সেলাই, পিঠ ও দুই পায়েও গভীর ক্ষত। দীর্ঘদিনের নির্যাতনে দুর্বল হয়ে পড়া শিশুটি ঠিকমতো উঠে বসতেও পারছে না।

কখনো চোখ মেলে চারপাশে তাকাচ্ছে, আবার যন্ত্রণায় চোখ বন্ধ করে ফেলছে। শরীরের ব্যথা যেন তার কথা বলার শক্তিটুকুও কেড়ে নিয়েছে।

ঢাকার একটি বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করতে গিয়ে দীর্ঘদিন নির্যাতনের শিকার হওয়ার পর বর্তমানে খাগড়াছড়ির আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে শিশুটি। তার অভিযোগ, শরীরের বিভিন্ন স্থানে গরম খুন্তি দিয়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়েছে। প্রায় প্রতিদিনই মারধর করা হতো। ঠিকমতো খাবার দেওয়া হতো না। দিনের বেশির ভাগ সময় তাকে টয়লেটে আটকে রাখা হতো। এক বছরের বেশি সময় ধরে এভাবে নির্যাতন চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ শিশুটির।

শিশুটির বাড়ি খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলায়। তার বাবা দিনমজুর। সংসারে অভাবের কারণে প্রায় দেড় বছর আগে মেয়েকে গৃহকর্মীর কাজে ঢাকায় পাঠান তিনি। সে সময় শিশুটি মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ছিল। শিশুটির মা মারা গেছেন।

শিশুটির বাবা জানান, মেয়েকে ঠিক কোথায় নেওয়া হচ্ছে বা কার বাসায় রাখা হবে, সে বিষয়ে তিনি কিছুই জানতেন না। প্রতিবেশী তোফাজ্জল হোসেনের মাধ্যমে মেয়েকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। তোফাজ্জল তাঁকে আশ্বস্ত করেছিলেন, সেখানে মেয়েটি ভালো থাকবে এবং কাজের পাশাপাশি পড়াশোনার সুযোগ পাবে।

শিশুটির ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে তাকে ফেনী শহরের ট্রাংক রোড বড় মসজিদ-সংলগ্ন একটি বাসায় এক নারীর কাছে রাখা হয়। পরে ওই নারী তাকে ঢাকায় তাঁর বোনের বাসায় পাঠান। ঢাকার মিরপুরের কাফরুল থানার পূর্ব শেওড়াপাড়ার ওই বাসায় তাকে রাখা হয়েছিল।

শিশুটির অভিযোগ, ওই বাসায় যাওয়ার পর থেকেই তার ওপর নির্যাতন শুরু হয়। সামান্য ভুল হলেই তাকে মারধর করা হতো। শরীরের বিভিন্ন স্থানে গরম খুন্তি দিয়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হতো। গৃহকর্ত্রী মোর্শেদা আক্তার ওরফে ছোটন এবং তাঁর মেয়ে রাফাতুল তাকে মারধর করত বলেও অভিযোগ করেছে শিশুটি।

এ ছাড়া দিনের বেশির ভাগ সময় তাকে টয়লেটে আটকে রাখা হতো এবং ঠিকমতো খাবার দেওয়া হতো না। এক বছরের বেশি সময় ধরে প্রায় প্রতিদিনই তাকে এভাবে নির্যাতন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সে। এই দীর্ঘ সময়ে বাবার সঙ্গে একবারও কথা বলতে দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ শিশুটির।

মেয়েকে ঢাকায় পাঠানোর পর নির্যাতনের বিষয়টি জানতেন না তার বাবা। কয়েক দিন আগে শিশুটির মাথা ও থুতনিতে গুরুতর আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে তাকে ঢাকা থেকে ফেনী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। খবর পেয়ে গত শুক্রবার ফেনীতে ছুটে যান বাবা। এরপর শুক্রবার দিবাগত রাত প্রায় ৩টার দিকে মেয়েকে নিয়ে খাগড়াছড়ির আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে পৌঁছান তিনি।

হাসপাতালে শয্যা না পাওয়ায় মেঝেতেই রেখে শিশুটির চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

খাগড়াছড়ির আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল কর্মকর্তা (আরএমও) রিপল বাপ্পী চাকমা বলেন, শিশুটির শরীরে দীর্ঘ সময় ধরে নির্যাতনের চিহ্ন রয়েছে। দীর্ঘদিন অভুক্ত থাকা ও চরম নির্যাতনের কারণে তার শরীর অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছে। তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। জরুরি ভিত্তিতে উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন। হাসপাতালের পক্ষ থেকে সাধ্যমতো চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে শিশুটিকে নির্যাতনের ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। অনেকে ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি জানান।

এরই মধ্যে শিশুটিকে নির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্ত দম্পতি মোর্শেদা আক্তার (৩৮) ও তাঁর স্বামী সাইফুদ্দিন রাসেলকে (৪৮) আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঢাকার কলাবাগানের গ্রিনরোড এলাকার একটি বাসায় আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।

কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শিশুটির বাবা বাদী হয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। মামলা করতে গতকাল রাতেই ঢাকায় গেছেন শিশুটির বাবা।