খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১৯ কার্তিক, ১৪৩৩

তাহিরপুর শাহ আরেফিন মাজার নিয়ে দুই পক্ষ মুখোমুখি প্রশাসন নীরব

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৫:৩৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তাহিরপুর শাহ আরেফিন মাজার নিয়ে দুই পক্ষ মুখোমুখি প্রশাসন নীরব

ছবিতে মাজার

আমির হোসাইন | সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি 

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী লাউড়েরগড় এলাকায় অবস্থিত হযরত শাহ আরেফিন (রহ.) আস্তানা ঘিরে বিরোধ ও উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। বিএনপির নাম ভাঙিয়ে একটি পক্ষ আস্তানার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। 

প্রকাশ্যে তালা ভেঙে ভক্তদের দান করা মোরগ-ছাগল বিক্রি করে টাকা নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ করেছেন আস্তানার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

অভিযোগ অনুযায়ী, ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল আস্তানা পরিচালনা কমিটির সভাপতি, সহ-
সভাপতি, কোষাধ্যক্ষ ও সদস্যসচিবসহ সংশ্লিষ্টদের উপেক্ষা করে বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি আস্তানা ঘরের কোষাধ্যক্ষের দেওয়া তালার ওপর নতুন তালা লাগানো হয়। 

পরে প্রকাশ্য দিবালোকে মোরগ-ছাগল রাখার ঘরের তালা ভেঙে ভক্তদের দান করা মোরগ-ছাগল বিক্রি করে টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় সাজিদুর রহমান গোলাপ নামের এক ব্যক্তি ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, তাঁরা স্থানীয় সংসদ সদস্যের নাম ব্যবহার করে এসব কর্মকাণ্ড চালাচ্ছেন। তবে এ বিষয়ে সংসদ সদস্যের কোনো নির্দেশনা বা সংশ্লিষ্টতার স্বাধীন প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকার পর দেশে ফিরে সাজিদুর রহমান গোলাপ প্রথমে আস্তানা পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব সাংবাদিক আলম সাব্বিরের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তোলেন। এর প্রতিবাদে স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ, আস্তানা এলাকার লোকজন ও বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দারা মানববন্ধনসহ প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন। 

পরবর্তী সময়ে তিনি একটি দল গঠন করে আস্তানার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
হযরত শাহ আরেফিন (রহ.) আস্তানাটি দীর্ঘদিন ধরে সর্বসাধারণের ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক মিলনস্থল হিসেবে পরিচিত। 

২০০১ সাল থেকে ওরস উদ্‌যাপন উপলক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে সভাপতি এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে সহসভাপতি করে একটি সর্বজনীন ওরস উদ্‌যাপন কমিটি গঠিত হয়ে আসছে। ওরস চলাকালে আয়-ব্যয়ের হিসাব সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে পর্যালোচনা করা হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এ ছাড়া সারা বছর হযরত শাহ আরেফিন (রহ.) ভলান্টিয়ার ও খাদেম কল্যাণ সমিতির সদস্যরা বিনা পারিশ্রমিকে আস্তানায় সেবা দিয়ে থাকেন।

অন্যদিকে, গত ১৬ অক্টোবর শুক্রবার পবিত্র জুমার নামাজ চলাকালে মসজিদের মাইকে নিজেকে আস্তানার সেক্রেটারি হিসেবে ঘোষণা দেন সাজিদুর রহমান গোলাপ—এমন অভিযোগও করেছেন সংশ্লিষ্টরা। এ ঘটনায় স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি তাঁদের।

সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, গত ২৩ সেপ্টেম্বর জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আস্তানা দখলের আশঙ্কা জানিয়ে লিখিত আবেদন করা হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

আস্তানার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এটি কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠান নয়; বরং সর্বসাধারণের ধর্মীয় ও সম্প্রীতির স্থান। তাই কোনো পক্ষ যেন রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানটির নিয়ন্ত্রণ নিতে না পারে, সে জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

তাঁরা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, আস্তানার স্থাপনা ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
শাহ আরেফিন রহঃ ভলান্টিয়ার ও খাদেম গনের ভাষ্য আমরা যুগযুগ ধরে এ আস্তানায় সেবাও শ্রম দিয়ে যাচ্ছি কিন্তু একটি পক্ষ জোড় পুর্বক ক্ষমতা দখল করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে।

আস্তানা কমিটির সদস্য সচিব আলম সাব্বির বলেন, আমি কোন রাজনৈতিক দলের সদস্য নই, দীর্ঘ ২২বছর যাবত এ পদে থেকে দায়িত্ব পালন করছি। কিছু দিন হয় একটি দল নিজেদের প্রভাব বিস্তার করে কমিটি ও খাদেম ভলান্টিয়ারদের উপেক্ষা করে  প্রকাশ্যে ভক্তদের দানের মোরগ ছাগল বিক্রি করে টাকা নিয়ে যাচ্ছে। 

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাজিদুর রহমান গোলাপ ও তাঁর সহযোগীরা নিজেদের এমপির লোকজন বলে দাবী করে তারই নির্দেশনায় এসব করছে বলে জানায়।

অন্য দিকে বিএনপির তাহিরপুর উপজেলা শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বলেন শাহ আরেফিন (রহঃ) আস্তানা দখল করে যারা এসব করছে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে তাদের কর্মকান্ডের দায়ভার দল নেবেনা।

তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও আস্তানা কমিটির সভাপতি  মিজ,রিপামনি বলেন,আমি নতুন আসছি শারফিন আস্তানা দখল করে নিজেরাই জোর করে ছাগল মোরগ বিক্রির অভিযোগ পেয়েছি।অবশ্যই এখানে অন্যায়কে প্রশ্রয় দেওয়া হবেনা। এ সপ্তাহেই মিঠিং করে একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বাদাঘাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন বলেন কাউকে কিছু না জানিয়ে একটি পক্ষ জোরপূর্বক দখল নেয়ার চেষ্টা করছে । 

এ ব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ জরুরী।  অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব তাপস শীল বলেন আমি তাহিরপুর ইউএনও কে বলে দিচ্চি বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখার জন্য।  অভিযুক্ত সাজিদুর রহমান গোলাপ কে একাধিক বার কল করে ও পাওয়া যায়নি।

পীরগঞ্জে "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) অনুষ্ঠিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পীরগঞ্জে  "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) অনুষ্ঠিত

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

মো. আরফান আলী | পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি 

পীরগঞ্জে গুড নেইবারস বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে ‘চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৪ নভেম্বর বুধবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে পীরগঞ্জে শিশুদের সূরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গুড নেইবারস বাংলাদেশ, পীরগঞ্জ সিডিপির (Pirganj CDP) আয়োজনে "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) শীর্ষক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বারে  প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল—"শিশুর সুরক্ষা, আমাদের অঙ্গীকার"।  

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম রাব্বানী সরদার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেণ ঠাকূরগাঁও -৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান,  সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জিয়াউর ইসলাম জিয়া, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জিন্নাতারা ইয়াসমিন, প্রমুখ।

​অনুষ্ঠানে বক্তারা শিশুদের নিরাপত্তা, অধিকার এবং তাদের সুরক্ষায় সমাজের সকল স্তরের মানুষকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। এ সময় স্থানীয় বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধি, আয়োজক সংস্থার কর্মকর্তা, সুধীবৃন্দ এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

ছবিতে গ্রেফতারকৃরা

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে নাশকতা, জুয়া ও অন্যান্য মামলায় মোট ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে ও বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।

থানা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের গড়েরআবাদ এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসআই নুরে আলমের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স অভিযান চালিয়ে টাকার বিনিময়ে তাস খেলার সময় ছয়জনকে আটক করে। এ সময় জুয়ার টাকা ও খেলার সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন-মৃত আবতাপ গাজীর ছেলে রশিদ গাজী (৫৫), আবুল কাসেমের ছেলে আমিরুল (৩৮), মৃত সামাদের ছেলে সফিকুল (৬০), জব্বার গাজীর ছেলে আব্দুর রহমান, জনাব মোল্লার ছেলে খানজাহান মোল্লা (৬২) এবং জামান মোল্লার ছেলে সাইফুল (৩৫)। এ ঘটনায় পাইকগাছা থানায় জুয়া আইনে মামলা হয়েছে। মামলার নম্বর ৪/২৬।

এদিকে, মঙ্গলবার রাতে নগরশ্রীরামপুর গ্রামের আব্দুল মজিদ হাজরার ছেলে হরিঢালী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মুজাহিদুল হাজরা (৪৮) এবং বুধবার সকাল ১১টার দিকে গদাইপুর ইউনিয়নের রফিকুল ইসলামের ছেলে ছাত্রলীগের সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মো. ফারজাহান পারভেজ ওরফে রুমি (২৫)-কে নাশকতা মামলায় আটক করা হয়েছে বলে জানিয়ে পুলিশ।

অন্যদিকে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে পরোয়ানাভুক্ত ও অন্যান্য মামলায় আরও ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।

পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবির আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মাদক ও জুয়া নির্মূলে পুলিশ সুপারের কঠোর নির্দেশনা বাস্তবায়নে পাইকগাছা থানা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করছে।

সিরাজগঞ্জে এসআরবি-১২ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৫৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সিরাজগঞ্জে এসআরবি-১২ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

ছবিতে অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ

মনজুরুল ইসলাম ।। সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

আত্মসমর্পণকারী চরমপন্থীদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ১০৩টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটেলিয়ন (এসআরবি-১২)। উদ্ধার করা সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১ হাজার ১৩৬ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৫টি ম্যাগাজিন, ৯৫টি দেশীয় অস্ত্র ও ৮টি ওয়াকিটকি সেট। তিন জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্যের আত্মসমর্পণের পর তাঁদের দেওয়া তথ্য এবং নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় এসআরবি-১২-এর সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বাহিনীর অধিনায়ক অতিরিক্ত আইজিপি আতিকুর রহমান মিয়া।

তিনি জানান, গত রোববার (১ নভেম্বর) এসআরবি-১২-এর পৃষ্ঠপোষকতায় সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও রাজবাড়ী জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্য আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেন। তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য ও বাহিনীর নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালানো হয়।
এসআরবি-১২ অধিনায়ক বলেন, সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, উল্লাপাড়া ও সলঙ্গা এবং পাবনা জেলার সাঁথিয়া ও আতাইকুলা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।

উদ্ধার করা ১০৩টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রের পাশাপাশি ১ হাজার ১৩৬ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৫টি ম্যাগাজিন, ৯৫টি দেশীয় অস্ত্র এবং ৮টি ওয়াকিটকি সেট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এসব আগ্নেয়াস্ত্রের ধরন, উৎস ও সংশ্লিষ্ট অপরাধী চক্র সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়নি।
আত্মসমর্পণে নতুন প্রত্যাশা।

এর আগে ১ নভেম্বর দুপুরে এসআরবি-১২-এর সদর দপ্তরে ‘নতুন পথে প্রত্যাবর্তন—চরমপন্থি সর্বহারা সদস্যদের আত্মসমর্পণ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিন জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্য আত্মসমর্পণ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মিজ্ ফারজানা শারমিন।
আত্মসমর্পণকারীরা চরমপন্থী কর্মকাণ্ড থেকে সরে এসে স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেন। তাঁদের পুনর্বাসন ও সমাজের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগও এ কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।

দীর্ঘদিন ধরে চরমপন্থী তৎপরতার ইতিহাস রয়েছে এমন জনপদে অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার রোধ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। আত্মসমর্পণকারীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধারের এ অভিযান ওই অঞ্চলে অবৈধ অস্ত্রের সন্ধান ও অপরাধী নেটওয়ার্ক শনাক্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে চরমপন্থীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের সমন্বিত উদ্যোগ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা জোরদার করেছে।