খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১৯ কার্তিক, ১৪৩৩

গোপালগঞ্জে বিনা ধান-২৬ চাষে ব্যাপক সাফল্য

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৯:১৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে বিনা ধান-২৬ চাষে ব্যাপক সাফল্য
সাইফুল ইসলাম ।। গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রচলিত আমন ধানের চেয়ে বেশি ফলন পেয়ে গোপালগঞ্জের কৃষকদের মধ্যে বিনা ধান-২৬ চাষে আগ্রহ বাড়ছে। চলতি আমন মৌসুমে এ জাতের ধান আবাদ করে বিঘাপ্রতি সাড়ে ৩২ মণ ফলন পেয়েছেন সদর উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের শুকতাইল গ্রামের কৃষক মহব্বত আলী। অথচ আগে প্রচলিত জাতের ধান চাষ করে একই জমিতে বিঘাপ্রতি সর্বোচ্চ ১৮ মণ ফলন পেতেন তিনি। ফলন বেশি হওয়ায় মহব্বত হোসেন এখন আমন চাষে আরও আশাবাদী হয়েছেন। 

শুধু মহব্বত হোসেন নন, বিনা ধান-২৬ আবাদ করে ভালো ফলন পেয়েছেন গোপালগঞ্জের আরও ৪০০ জন কৃষক। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন জালালাবাদ ইউনিয়নের কৃষক মো. শহীদ সর্দার ও মো. ইলিয়াসসহ অনেকে। ভালো ফলন ও লাভের সম্ভাবনা দেখে আগামী আমন মৌসুমেও এ জাতের ধান চাষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। 

পাশাপাশি আশপাশের অনেক কৃষকও বিনা ধান-২৬ চাষে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। 
এই সাফল্যকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের পশ্চিম শুকতাইল গ্রামের কৃষক মহব্বত হোসেনের জমিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিনা ধান-২৬-এর মাঠ দিবস ও ফসল কর্তন কর্মসূচি। মাঠে পাকা ধান কেটে ফলন পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি কৃষকদের সঙ্গে এ জাতের ধান চাষের অভিজ্ঞতা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। 

মাঠ দিবসে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর গোপালগঞ্জের উপপরিচালক ড. মামুনুর রহমান, বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) গোপালগঞ্জ উপকেন্দ্রের ইনচার্জ ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. হারুন অর রশীদ, এবং গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাফরোজ আক্তারসহ জালালাবাদ ইউনিয়নের অর্ধ শতাধিক কৃষক। 

বিনা- গোপালগঞ্জ উপকেন্দ্রের ইনচার্জ ড. হারুন অর রশীদ জানা, চলতি বছর গোপালগঞ্জের ৪০০ জন কৃষককে বিনা ধান-২৬-এর বীজ দেওয়া হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট কৃষকেরা এ জাতের ধান আবাদ করে ভালো ফলন পেয়েছেন। এই ধানের জীবনকাল কম ১২০ দিন, এছাড়া, জলাবদ্ধতা ও রোগবালাই সহনশীল । এর গড় ফলন হেক্টরপ্রতি ৬.৫ থেকে ৭ টন। মাঠপর্যায়ে এ সাফল্য নতুন কৃষকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করছে। ফলে আগামী আমন মৌসুমে এ জাতের আবাদ আরও বাড়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। 

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর গোপালগঞ্জের উপপরিচালক ড. মামুনুর রহমান বলেন, বিনা ধান-২৬ মাঠ দিবসে ফসল কর্তন করে কৃষক মহব্বত হোসেনের জমিতে হেক্টরপ্রতি ৬.২ টন ফলন পেয়েছি, যা এ অঞ্চলে আমন চাষীদের জন্য অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। এই ধানের জাতটিতে রোগ-বালাই কম এবং জলাবদ্ধতা সহিষ্ণু। এই ধানের আবাদ বৃদ্ধি করতে পারলে কৃষক লাভবান হবেন। 

কৃষক মহব্বত হোসেন জানান, আগে প্রচলিত জাতের আমন ধান চাষ করে বিঘাপ্রতি সর্বোচ্চ ১৮ মণ ফলন পেয়েছেন। কিন্তু এবার বিনা ধান-২৬ আবাদ করে পেয়েছেন সাড়ে ৩২ মণ ধান। এতে তাঁর ফলন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে এবং তিনি আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। বেশি ফলন পাওয়ায় আমন ধান চাষের প্রতি তাঁর আগ্রহও বেড়েছে। আগামী মৌসুমেও তিনি এ জাতের ধান আবাদ করতে চান। 

কৃষকদের মতে, একই জমিতে তুলনামূলক বেশি ফলন পাওয়া গেলে উৎপাদন খরচের তুলনায় আয় বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়। মহব্বত আলীর জমিতে ভালো ফলন দেখে আশপাশের কৃষকেরাও বিনা ধান-২৬ চাষের বিষয়ে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। তাঁদের প্রত্যাশা, এ জাতের ধান চাষের মাধ্যমে আমন মৌসুমে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষিকাজে লাভের সম্ভাবনাও বাড়বে। 

গোপালগঞ্জের সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাফরোজা আক্তার জানান, মাঠপর্যায়ে প্রদর্শনী ও ফসল কর্তন কর্মসূচির মাধ্যমে নতুন জাতের ধানের ফলন সম্পর্কে কৃষকদের সরাসরি ধারণা দেওয়া সম্ভব হয়েছে। এতে কৃষকেরা নিজেদের জমি ও চাষের পরিবেশ অনুযায়ী উপযোগী জাত বেছে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গোপালগঞ্জে বিনা ধান-২৬-এর এই সাফল্য স্থানীয় কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। কৃষকদের আগ্রহ অব্যাহত থাকলে আগামী আমন মৌসুমে এ জাতের আবাদ সম্প্রসারিত হতে পারে, যা জেলার ধান উৎপাদন ও কৃষকের আয় বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরি করবে।

পীরগঞ্জে "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) অনুষ্ঠিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পীরগঞ্জে  "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) অনুষ্ঠিত

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

মো. আরফান আলী | পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি 

পীরগঞ্জে গুড নেইবারস বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে ‘চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৪ নভেম্বর বুধবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে পীরগঞ্জে শিশুদের সূরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গুড নেইবারস বাংলাদেশ, পীরগঞ্জ সিডিপির (Pirganj CDP) আয়োজনে "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) শীর্ষক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বারে  প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল—"শিশুর সুরক্ষা, আমাদের অঙ্গীকার"।  

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম রাব্বানী সরদার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেণ ঠাকূরগাঁও -৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান,  সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জিয়াউর ইসলাম জিয়া, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জিন্নাতারা ইয়াসমিন, প্রমুখ।

​অনুষ্ঠানে বক্তারা শিশুদের নিরাপত্তা, অধিকার এবং তাদের সুরক্ষায় সমাজের সকল স্তরের মানুষকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। এ সময় স্থানীয় বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধি, আয়োজক সংস্থার কর্মকর্তা, সুধীবৃন্দ এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

ছবিতে গ্রেফতারকৃরা

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে নাশকতা, জুয়া ও অন্যান্য মামলায় মোট ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে ও বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।

থানা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের গড়েরআবাদ এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসআই নুরে আলমের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স অভিযান চালিয়ে টাকার বিনিময়ে তাস খেলার সময় ছয়জনকে আটক করে। এ সময় জুয়ার টাকা ও খেলার সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন-মৃত আবতাপ গাজীর ছেলে রশিদ গাজী (৫৫), আবুল কাসেমের ছেলে আমিরুল (৩৮), মৃত সামাদের ছেলে সফিকুল (৬০), জব্বার গাজীর ছেলে আব্দুর রহমান, জনাব মোল্লার ছেলে খানজাহান মোল্লা (৬২) এবং জামান মোল্লার ছেলে সাইফুল (৩৫)। এ ঘটনায় পাইকগাছা থানায় জুয়া আইনে মামলা হয়েছে। মামলার নম্বর ৪/২৬।

এদিকে, মঙ্গলবার রাতে নগরশ্রীরামপুর গ্রামের আব্দুল মজিদ হাজরার ছেলে হরিঢালী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মুজাহিদুল হাজরা (৪৮) এবং বুধবার সকাল ১১টার দিকে গদাইপুর ইউনিয়নের রফিকুল ইসলামের ছেলে ছাত্রলীগের সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মো. ফারজাহান পারভেজ ওরফে রুমি (২৫)-কে নাশকতা মামলায় আটক করা হয়েছে বলে জানিয়ে পুলিশ।

অন্যদিকে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে পরোয়ানাভুক্ত ও অন্যান্য মামলায় আরও ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।

পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবির আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মাদক ও জুয়া নির্মূলে পুলিশ সুপারের কঠোর নির্দেশনা বাস্তবায়নে পাইকগাছা থানা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করছে।

সিরাজগঞ্জে এসআরবি-১২ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সিরাজগঞ্জে এসআরবি-১২ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

ছবিতে অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ

মনজুরুল ইসলাম ।। সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

আত্মসমর্পণকারী চরমপন্থীদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ১০৩টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটেলিয়ন (এসআরবি-১২)। উদ্ধার করা সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১ হাজার ১৩৬ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৫টি ম্যাগাজিন, ৯৫টি দেশীয় অস্ত্র ও ৮টি ওয়াকিটকি সেট। তিন জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্যের আত্মসমর্পণের পর তাঁদের দেওয়া তথ্য এবং নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় এসআরবি-১২-এর সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বাহিনীর অধিনায়ক অতিরিক্ত আইজিপি আতিকুর রহমান মিয়া।

তিনি জানান, গত রোববার (১ নভেম্বর) এসআরবি-১২-এর পৃষ্ঠপোষকতায় সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও রাজবাড়ী জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্য আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেন। তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য ও বাহিনীর নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালানো হয়।
এসআরবি-১২ অধিনায়ক বলেন, সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, উল্লাপাড়া ও সলঙ্গা এবং পাবনা জেলার সাঁথিয়া ও আতাইকুলা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।

উদ্ধার করা ১০৩টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রের পাশাপাশি ১ হাজার ১৩৬ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৫টি ম্যাগাজিন, ৯৫টি দেশীয় অস্ত্র এবং ৮টি ওয়াকিটকি সেট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এসব আগ্নেয়াস্ত্রের ধরন, উৎস ও সংশ্লিষ্ট অপরাধী চক্র সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়নি।
আত্মসমর্পণে নতুন প্রত্যাশা।

এর আগে ১ নভেম্বর দুপুরে এসআরবি-১২-এর সদর দপ্তরে ‘নতুন পথে প্রত্যাবর্তন—চরমপন্থি সর্বহারা সদস্যদের আত্মসমর্পণ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিন জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্য আত্মসমর্পণ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মিজ্ ফারজানা শারমিন।
আত্মসমর্পণকারীরা চরমপন্থী কর্মকাণ্ড থেকে সরে এসে স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেন। তাঁদের পুনর্বাসন ও সমাজের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগও এ কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।

দীর্ঘদিন ধরে চরমপন্থী তৎপরতার ইতিহাস রয়েছে এমন জনপদে অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার রোধ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। আত্মসমর্পণকারীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধারের এ অভিযান ওই অঞ্চলে অবৈধ অস্ত্রের সন্ধান ও অপরাধী নেটওয়ার্ক শনাক্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে চরমপন্থীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের সমন্বিত উদ্যোগ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা জোরদার করেছে।