খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক, ১৪৩৩

বিশ্বম্ভরপুরে মহাষ্টমীতে মণ্ডপ পরিদর্শন, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার প্রত্যাশা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ২:২৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিশ্বম্ভরপুরে মহাষ্টমীতে মণ্ডপ পরিদর্শন, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার প্রত্যাশা

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি ।। যোগফল  অনলাইন

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন জেলা ও উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ। সোমবার মহাষ্টমী পূজার দিন সুনামগঞ্জ জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ বিশ্বম্ভরপুরে এসে উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতাদের সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন সার্বজনীন দুর্গামন্দির পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁরা পূজামণ্ডপের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন এবং ভক্তদের সঙ্গে শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

পরিদর্শনকালে নেতৃবৃন্দ বলেন, এ বছর বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার প্রতিটি পূজামণ্ডপে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, বিএনপির নেতৃবৃন্দ ও পূজা উদযাপন পরিষদসহ সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিজয়া দশমীর প্রতিমা বিসর্জন পর্যন্ত এ শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকবে বলে তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে তাঁরা বর্তমান সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা করেন।

সুনামগঞ্জ জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক সেতুল বাবু তালুকদার ও অমর চক্রবর্তী, প্রচার সম্পাদক রিংকু চৌধুরী, সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুকান্ত কুমার রায়, আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট অঞ্জন ভৌমিক, কার্যকরী সদস্য সুদীপ দে, বিভা রায়, অজান্তা সরকার, মুনমুন পাল বৃন্দা, প্রতিমা রানী দাশ ও কাজল চন্দ। এ ছাড়া হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শিলা বসু উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি স্বপন কুমার বর্মন, সহসভাপতি শচীন্দ্র পুরকায়স্থ, সাংগঠনিক সম্পাদক রামেন্দ্র দাশ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক শান্তি বিশ্বাস, দপ্তর সম্পাদক চয়ন দাশ এবং সদস্য শ্যামা বর্মন ও গোবিন্দ বিশ্বাসসহ অন্যরা।

এর আগে উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি স্বপন কুমার বর্মন ও সাধারণ সম্পাদক বিজিৎ মৌত্রের নেতৃত্বে পরিষদের সদস্যরা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ২৬টি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁরা পূজা কমিটির সদস্য ও ভক্তদের সঙ্গে শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং পূজার সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিষয়ে খোঁজখবর নেন। পূজামণ্ডপগুলোর কমিটির সঙ্গে পরিষদের নেতৃবৃন্দের নিয়মিত যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলেও জানা গেছে।

এদিকে, গত রোববার সপ্তমী পূজার দিন বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের পূজামণ্ডপসহ আরও কয়েকটি মণ্ডপ পরিদর্শন করেন সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম নুরুল। এ সময় তাঁর সঙ্গে পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ এবং জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা পূজামণ্ডপে উপস্থিত ভক্তদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

সংশ্লিষ্টদের সমন্বিত উদ্যোগ ও সহযোগিতায় বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উদ্‌যাপিত হচ্ছে। উৎসবের শেষ দিন পর্যন্ত এ পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাই আন্তরিকভাবে কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ।

পীরগঞ্জে "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) অনুষ্ঠিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পীরগঞ্জে  "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) অনুষ্ঠিত

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

মো. আরফান আলী | পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি 

পীরগঞ্জে গুড নেইবারস বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে ‘চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৪ নভেম্বর বুধবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে পীরগঞ্জে শিশুদের সূরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গুড নেইবারস বাংলাদেশ, পীরগঞ্জ সিডিপির (Pirganj CDP) আয়োজনে "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) শীর্ষক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বারে  প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল—"শিশুর সুরক্ষা, আমাদের অঙ্গীকার"।  

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম রাব্বানী সরদার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেণ ঠাকূরগাঁও -৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান,  সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জিয়াউর ইসলাম জিয়া, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জিন্নাতারা ইয়াসমিন, প্রমুখ।

​অনুষ্ঠানে বক্তারা শিশুদের নিরাপত্তা, অধিকার এবং তাদের সুরক্ষায় সমাজের সকল স্তরের মানুষকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। এ সময় স্থানীয় বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধি, আয়োজক সংস্থার কর্মকর্তা, সুধীবৃন্দ এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

ছবিতে গ্রেফতারকৃরা

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে নাশকতা, জুয়া ও অন্যান্য মামলায় মোট ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে ও বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।

থানা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের গড়েরআবাদ এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসআই নুরে আলমের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স অভিযান চালিয়ে টাকার বিনিময়ে তাস খেলার সময় ছয়জনকে আটক করে। এ সময় জুয়ার টাকা ও খেলার সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন-মৃত আবতাপ গাজীর ছেলে রশিদ গাজী (৫৫), আবুল কাসেমের ছেলে আমিরুল (৩৮), মৃত সামাদের ছেলে সফিকুল (৬০), জব্বার গাজীর ছেলে আব্দুর রহমান, জনাব মোল্লার ছেলে খানজাহান মোল্লা (৬২) এবং জামান মোল্লার ছেলে সাইফুল (৩৫)। এ ঘটনায় পাইকগাছা থানায় জুয়া আইনে মামলা হয়েছে। মামলার নম্বর ৪/২৬।

এদিকে, মঙ্গলবার রাতে নগরশ্রীরামপুর গ্রামের আব্দুল মজিদ হাজরার ছেলে হরিঢালী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মুজাহিদুল হাজরা (৪৮) এবং বুধবার সকাল ১১টার দিকে গদাইপুর ইউনিয়নের রফিকুল ইসলামের ছেলে ছাত্রলীগের সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মো. ফারজাহান পারভেজ ওরফে রুমি (২৫)-কে নাশকতা মামলায় আটক করা হয়েছে বলে জানিয়ে পুলিশ।

অন্যদিকে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে পরোয়ানাভুক্ত ও অন্যান্য মামলায় আরও ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।

পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবির আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মাদক ও জুয়া নির্মূলে পুলিশ সুপারের কঠোর নির্দেশনা বাস্তবায়নে পাইকগাছা থানা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করছে।

সিরাজগঞ্জে এসআরবি-১২ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সিরাজগঞ্জে এসআরবি-১২ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

ছবিতে অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ

মনজুরুল ইসলাম ।। সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

আত্মসমর্পণকারী চরমপন্থীদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ১০৩টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটেলিয়ন (এসআরবি-১২)। উদ্ধার করা সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১ হাজার ১৩৬ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৫টি ম্যাগাজিন, ৯৫টি দেশীয় অস্ত্র ও ৮টি ওয়াকিটকি সেট। তিন জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্যের আত্মসমর্পণের পর তাঁদের দেওয়া তথ্য এবং নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় এসআরবি-১২-এর সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বাহিনীর অধিনায়ক অতিরিক্ত আইজিপি আতিকুর রহমান মিয়া।

তিনি জানান, গত রোববার (১ নভেম্বর) এসআরবি-১২-এর পৃষ্ঠপোষকতায় সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও রাজবাড়ী জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্য আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেন। তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য ও বাহিনীর নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালানো হয়।
এসআরবি-১২ অধিনায়ক বলেন, সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, উল্লাপাড়া ও সলঙ্গা এবং পাবনা জেলার সাঁথিয়া ও আতাইকুলা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।

উদ্ধার করা ১০৩টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রের পাশাপাশি ১ হাজার ১৩৬ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৫টি ম্যাগাজিন, ৯৫টি দেশীয় অস্ত্র এবং ৮টি ওয়াকিটকি সেট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এসব আগ্নেয়াস্ত্রের ধরন, উৎস ও সংশ্লিষ্ট অপরাধী চক্র সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়নি।
আত্মসমর্পণে নতুন প্রত্যাশা।

এর আগে ১ নভেম্বর দুপুরে এসআরবি-১২-এর সদর দপ্তরে ‘নতুন পথে প্রত্যাবর্তন—চরমপন্থি সর্বহারা সদস্যদের আত্মসমর্পণ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিন জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্য আত্মসমর্পণ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মিজ্ ফারজানা শারমিন।
আত্মসমর্পণকারীরা চরমপন্থী কর্মকাণ্ড থেকে সরে এসে স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেন। তাঁদের পুনর্বাসন ও সমাজের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগও এ কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।

দীর্ঘদিন ধরে চরমপন্থী তৎপরতার ইতিহাস রয়েছে এমন জনপদে অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার রোধ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। আত্মসমর্পণকারীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধারের এ অভিযান ওই অঞ্চলে অবৈধ অস্ত্রের সন্ধান ও অপরাধী নেটওয়ার্ক শনাক্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে চরমপন্থীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের সমন্বিত উদ্যোগ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা জোরদার করেছে।