খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক, ১৪৩৩

লালপুরে ১৬ দিনেও সন্ধান মেলেনি আলতাবের, দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
লালপুরে ১৬ দিনেও সন্ধান মেলেনি আলতাবের, দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নাটোরের লালপুরে নিখোঁজ হওয়ার ১৬ দিন পেরিয়ে গেলেও সন্ধান মেলেনি আলতাব আলী (২৯) নামের এক যুবকের। এ ঘটনায় তার পরিবারের পক্ষ থেকে স্থানীয় এক মিস্ত্রি ও এক কাঠ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। নিখোঁজ যুবককে উদ্ধার ও ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত করছে পুলিশ।

রোববার (১৮ অক্টোবর) সকালে উপজেলার দুয়ারিয়া ইউনিয়নের সাতপুকুরিয়া এলাকায় সরেজমিনে গেলে আলতাবের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি জানান তার বাবা আনছার আলী।

আনছার আলীর অভিযোগ, প্রায় ১৬ দিন আগে সাতপুকুরিয়া মোড় থেকে স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ী লিটনের সহযোগিতায় সুমির মিস্ত্রি নামের এক ব্যক্তি আলতাবকে সঙ্গে নিয়ে ভ্যানযোগে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার আড়কান্দি এলাকায় ফার্নিচারের মালামাল পৌঁছে দিতে যান। সেখানে মালামাল পৌঁছে দেওয়ার পর সুমির নিজ এলাকায় ফিরে এলেও আলতাব আর বাড়ি ফেরেননি। এরপর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।

তিনি জানান, আলতাব বাড়ি ফিরে না আসায় সুমির মিস্ত্রি ও কাঠ ব্যবসায়ী লিটনের কাছে ছেলের অবস্থান সম্পর্কে জানতে চান। তবে তাদের কাছ থেকে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা পাননি বলে দাবি করেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়স্বজনের বাড়িসহ বিভিন্ন সম্ভাব্য স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও আলতাবের সন্ধান পাননি। পরে গত ৪ অক্টোবর লালপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তিনি।

নিখোঁজ আলতাবের মামা মন্টু মালিথা অভিযোগ করেন, থানায় জিডি করার পর থেকে সুমির মিস্ত্রি তার ফার্নিচারের দোকান বন্ধ রেখে এলাকা ছেড়ে চলে গেছেন। অন্যদিকে কাঠ ব্যবসায়ী লিটনের বক্তব্য ও আচরণেও অসংগতি রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এসব কারণে আলতাবের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় ওই দুই ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে বলে সন্দেহ করছে পরিবার।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় আলতাবের বাবা আনছার আলী বাদী হয়ে গত ১৪ অক্টোবর সুমির মিস্ত্রি ও কাঠ ব্যবসায়ী লিটনকে অভিযুক্ত করে লালপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুর রশিদ বলেন, যাদের সঙ্গে আলতাব গিয়েছিলেন, তাদের কাছ থেকে নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য না পাওয়ায় পরিবারের উদ্বেগ বেড়েছে। আলতাবকে দ্রুত উদ্ধার, সর্বশেষ তার সঙ্গে থাকা ব্যক্তিদের ভূমিকা তদন্ত এবং ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে পুলিশ প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

অভিযোগের বিষয়ে সুমির মিস্ত্রি বলেন, আলতাব তার সঙ্গে ঈশ্বরদী এলাকায় কাজে গিয়েছিলেন। কাজ শেষে সন্ধ্যার দিকে সাতপুকুরিয়া সেন্টার মোড়ে ভ্যান থেকে আলতাবকে নামিয়ে দিয়ে তিনি বাজার শেষে দোকান বন্ধ করে বাড়ি চলে যান। পরে রাত ৯টার দিকে জানতে পারেন, আলতাবকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

দোকান বন্ধ রেখে আত্মগোপনে থাকার অভিযোগ অস্বীকার করে সুমির বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে তার দোকান বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়া আলতাবের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি তাকে হুমকি দিচ্ছেন বলে দাবি করেন তিনি। নিজের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে দোকানে যাচ্ছেন না বলেও জানান।

কাঠ ব্যবসায়ী লিটন আলী বলেন, সুমির মিস্ত্রির সঙ্গে আলতাব ঈশ্বরদীর আড়কান্দি এলাকায় কাজে গিয়েছিলেন। সন্ধ্যার দিকে তারা ভ্যানে করে সাতপুকুরিয়া সেন্টার মোড়ে ফিরে আসেন। সুমির তাকে জানিয়েছেন, সেখানে আলতাবকে নামিয়ে দিয়ে তিনি বাজার শেষে দোকান বন্ধ করে বাড়ি চলে যান। এরপর থেকেই আলতাব নিখোঁজ রয়েছেন।

লিটন আরও বলেন, আলতাব নিজের নাম, বাবার নাম ও গ্রামের নাম ছাড়া বেশি কিছু বলতে পারেন না। তাকে উদ্ধারে তিনিও পরিবারের সঙ্গে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

এ বিষয়ে লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিখোঁজ আলতাব আলীকে উদ্ধার এবং ঘটনার পেছনের প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চলছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পীরগঞ্জে "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) অনুষ্ঠিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পীরগঞ্জে  "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) অনুষ্ঠিত

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

মো. আরফান আলী | পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি 

পীরগঞ্জে গুড নেইবারস বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে ‘চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৪ নভেম্বর বুধবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে পীরগঞ্জে শিশুদের সূরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গুড নেইবারস বাংলাদেশ, পীরগঞ্জ সিডিপির (Pirganj CDP) আয়োজনে "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) শীর্ষক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বারে  প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল—"শিশুর সুরক্ষা, আমাদের অঙ্গীকার"।  

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম রাব্বানী সরদার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেণ ঠাকূরগাঁও -৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান,  সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জিয়াউর ইসলাম জিয়া, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জিন্নাতারা ইয়াসমিন, প্রমুখ।

​অনুষ্ঠানে বক্তারা শিশুদের নিরাপত্তা, অধিকার এবং তাদের সুরক্ষায় সমাজের সকল স্তরের মানুষকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। এ সময় স্থানীয় বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধি, আয়োজক সংস্থার কর্মকর্তা, সুধীবৃন্দ এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

ছবিতে গ্রেফতারকৃরা

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে নাশকতা, জুয়া ও অন্যান্য মামলায় মোট ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে ও বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।

থানা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের গড়েরআবাদ এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসআই নুরে আলমের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স অভিযান চালিয়ে টাকার বিনিময়ে তাস খেলার সময় ছয়জনকে আটক করে। এ সময় জুয়ার টাকা ও খেলার সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন-মৃত আবতাপ গাজীর ছেলে রশিদ গাজী (৫৫), আবুল কাসেমের ছেলে আমিরুল (৩৮), মৃত সামাদের ছেলে সফিকুল (৬০), জব্বার গাজীর ছেলে আব্দুর রহমান, জনাব মোল্লার ছেলে খানজাহান মোল্লা (৬২) এবং জামান মোল্লার ছেলে সাইফুল (৩৫)। এ ঘটনায় পাইকগাছা থানায় জুয়া আইনে মামলা হয়েছে। মামলার নম্বর ৪/২৬।

এদিকে, মঙ্গলবার রাতে নগরশ্রীরামপুর গ্রামের আব্দুল মজিদ হাজরার ছেলে হরিঢালী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মুজাহিদুল হাজরা (৪৮) এবং বুধবার সকাল ১১টার দিকে গদাইপুর ইউনিয়নের রফিকুল ইসলামের ছেলে ছাত্রলীগের সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মো. ফারজাহান পারভেজ ওরফে রুমি (২৫)-কে নাশকতা মামলায় আটক করা হয়েছে বলে জানিয়ে পুলিশ।

অন্যদিকে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে পরোয়ানাভুক্ত ও অন্যান্য মামলায় আরও ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।

পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবির আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মাদক ও জুয়া নির্মূলে পুলিশ সুপারের কঠোর নির্দেশনা বাস্তবায়নে পাইকগাছা থানা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করছে।

সিরাজগঞ্জে এসআরবি-১২ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সিরাজগঞ্জে এসআরবি-১২ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

ছবিতে অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ

মনজুরুল ইসলাম ।। সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

আত্মসমর্পণকারী চরমপন্থীদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ১০৩টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটেলিয়ন (এসআরবি-১২)। উদ্ধার করা সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১ হাজার ১৩৬ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৫টি ম্যাগাজিন, ৯৫টি দেশীয় অস্ত্র ও ৮টি ওয়াকিটকি সেট। তিন জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্যের আত্মসমর্পণের পর তাঁদের দেওয়া তথ্য এবং নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় এসআরবি-১২-এর সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বাহিনীর অধিনায়ক অতিরিক্ত আইজিপি আতিকুর রহমান মিয়া।

তিনি জানান, গত রোববার (১ নভেম্বর) এসআরবি-১২-এর পৃষ্ঠপোষকতায় সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও রাজবাড়ী জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্য আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেন। তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য ও বাহিনীর নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালানো হয়।
এসআরবি-১২ অধিনায়ক বলেন, সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, উল্লাপাড়া ও সলঙ্গা এবং পাবনা জেলার সাঁথিয়া ও আতাইকুলা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।

উদ্ধার করা ১০৩টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রের পাশাপাশি ১ হাজার ১৩৬ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৫টি ম্যাগাজিন, ৯৫টি দেশীয় অস্ত্র এবং ৮টি ওয়াকিটকি সেট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এসব আগ্নেয়াস্ত্রের ধরন, উৎস ও সংশ্লিষ্ট অপরাধী চক্র সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়নি।
আত্মসমর্পণে নতুন প্রত্যাশা।

এর আগে ১ নভেম্বর দুপুরে এসআরবি-১২-এর সদর দপ্তরে ‘নতুন পথে প্রত্যাবর্তন—চরমপন্থি সর্বহারা সদস্যদের আত্মসমর্পণ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিন জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্য আত্মসমর্পণ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মিজ্ ফারজানা শারমিন।
আত্মসমর্পণকারীরা চরমপন্থী কর্মকাণ্ড থেকে সরে এসে স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেন। তাঁদের পুনর্বাসন ও সমাজের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগও এ কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।

দীর্ঘদিন ধরে চরমপন্থী তৎপরতার ইতিহাস রয়েছে এমন জনপদে অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার রোধ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। আত্মসমর্পণকারীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধারের এ অভিযান ওই অঞ্চলে অবৈধ অস্ত্রের সন্ধান ও অপরাধী নেটওয়ার্ক শনাক্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে চরমপন্থীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের সমন্বিত উদ্যোগ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা জোরদার করেছে।