খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক, ১৪৩৩

আইভীর ‘জয় বাংলা’ স্লোগান ঘিরে উত্তেজনা, দুই আইনজীবীসহ গ্রেপ্তার ৩

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৫:৪০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আইভীর ‘জয় বাংলা’ স্লোগান ঘিরে উত্তেজনা, দুই আইনজীবীসহ গ্রেপ্তার ৩

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর ‘জয় বাংলা’ স্লোগানকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে জেলার রাজনৈতিক অঙ্গন। আদালত প্রাঙ্গণে স্লোগান দেওয়ার ঘটনার পর রাতে আইভীর দুই আইনজীবীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এদিকে, স্লোগানের প্রতিবাদে আদালতপাড়ায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা। সমাবেশ থেকে আইভীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে তার বাড়ি নিয়ে হুমকিমূলক বক্তব্যও দিয়েছেন বিএনপির এক নেতা।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ আদালত প্রাঙ্গণে বিএনপিপন্থি আইনজীবী ফোরামের উদ্যোগে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন অ্যাডভোকেট জিয়াউল ইসলাম কাজল, তার ভাই আতিকুল ইসলাম এবং আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান তুষার।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাতে শহরের আল্লামা ইকবাল রোডের বাসা থেকে জিয়াউল ইসলাম কাজল ও তার ভাই আতিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই রাতে দেওভোগের পাক্কা রোড এলাকার গার্মেন্টস গলি থেকে গ্রেপ্তার করা হয় অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান তুষারকে।

পুলিশ জানায়, ফতুল্লা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা একটি মামলায় তদন্তে প্রাপ্ত আসামি হিসেবে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাদের পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়। আদালত রিমান্ড আবেদনের শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দিন ধার্য করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আব্দুস সামাদ।

আদালত প্রাঙ্গণে আইভীর স্লোগান দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এর ধারাবাহিকতায় বুধবার দুপুরে বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা আদালতপাড়ায় বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিল থেকে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক তৎপরতার অভিযোগ তুলে আইভীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।

বিক্ষোভ মিছিলে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু অভিযোগ করেন, আইভীকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জে আওয়ামী লীগ নতুন করে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে।

তিনি বলেন, আইভী যদি বারবার এভাবে নিষিদ্ধ সংগঠনকে সংগঠিত করার স্পর্ধা দেখান, তাহলে তার ‘হোয়াইট হাউস’ নামে পরিচিত বাড়ির একটি ইটও রাখা হবে না।

এ সময় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, প্রত্যেকের আইনগত অধিকারের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আইভীর বিরুদ্ধে বিশেষ কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তবে এই ভদ্রতার সুযোগ নিয়ে নারায়ণগঞ্জে নিষিদ্ধ সংগঠনকে সংগঠিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

আদালত প্রাঙ্গণে স্লোগান দেওয়ার ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আদালতপাড়ায় নিষিদ্ধ সংগঠনের স্লোগান দেওয়ার ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হচ্ছে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী জানান, ফতুল্লা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা একটি মামলায় তদন্তে প্রাপ্ত আসামি হিসেবে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সকালে সিদ্ধিরগঞ্জের তুহিন হত্যা মামলায় নারায়ণগঞ্জ আদালতে সশরীরে হাজির হন সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী। মামলাটিতে তিনি এজাহারভুক্ত ১১ নম্বর আসামি। উচ্চ আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর ওই দিন মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদনের শুনানি ও তার পুনরায় জামিনের বিষয়ে দিন ধার্য ছিল।

শুনানি শেষে আদালত থেকে বের হওয়ার সময় আইভীকে ঘিরে ছিলেন তার নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা। এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা না বলে গাড়িতে ওঠার আগে তিনি বলেন, ‘জয় বাংলাকে দমিয়ে রাখা যাবে না, জয় বাংলা।’ তার সঙ্গে উপস্থিত নেতাকর্মীরাও একই স্লোগান দেন। এরপর গাড়িতে উঠে আদালত প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন তিনি।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পীরগঞ্জে "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) অনুষ্ঠিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পীরগঞ্জে  "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) অনুষ্ঠিত

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

মো. আরফান আলী | পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি 

পীরগঞ্জে গুড নেইবারস বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে ‘চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৪ নভেম্বর বুধবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে পীরগঞ্জে শিশুদের সূরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গুড নেইবারস বাংলাদেশ, পীরগঞ্জ সিডিপির (Pirganj CDP) আয়োজনে "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) শীর্ষক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বারে  প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল—"শিশুর সুরক্ষা, আমাদের অঙ্গীকার"।  

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম রাব্বানী সরদার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেণ ঠাকূরগাঁও -৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান,  সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জিয়াউর ইসলাম জিয়া, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জিন্নাতারা ইয়াসমিন, প্রমুখ।

​অনুষ্ঠানে বক্তারা শিশুদের নিরাপত্তা, অধিকার এবং তাদের সুরক্ষায় সমাজের সকল স্তরের মানুষকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। এ সময় স্থানীয় বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধি, আয়োজক সংস্থার কর্মকর্তা, সুধীবৃন্দ এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

ছবিতে গ্রেফতারকৃরা

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে নাশকতা, জুয়া ও অন্যান্য মামলায় মোট ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে ও বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।

থানা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের গড়েরআবাদ এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসআই নুরে আলমের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স অভিযান চালিয়ে টাকার বিনিময়ে তাস খেলার সময় ছয়জনকে আটক করে। এ সময় জুয়ার টাকা ও খেলার সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন-মৃত আবতাপ গাজীর ছেলে রশিদ গাজী (৫৫), আবুল কাসেমের ছেলে আমিরুল (৩৮), মৃত সামাদের ছেলে সফিকুল (৬০), জব্বার গাজীর ছেলে আব্দুর রহমান, জনাব মোল্লার ছেলে খানজাহান মোল্লা (৬২) এবং জামান মোল্লার ছেলে সাইফুল (৩৫)। এ ঘটনায় পাইকগাছা থানায় জুয়া আইনে মামলা হয়েছে। মামলার নম্বর ৪/২৬।

এদিকে, মঙ্গলবার রাতে নগরশ্রীরামপুর গ্রামের আব্দুল মজিদ হাজরার ছেলে হরিঢালী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মুজাহিদুল হাজরা (৪৮) এবং বুধবার সকাল ১১টার দিকে গদাইপুর ইউনিয়নের রফিকুল ইসলামের ছেলে ছাত্রলীগের সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মো. ফারজাহান পারভেজ ওরফে রুমি (২৫)-কে নাশকতা মামলায় আটক করা হয়েছে বলে জানিয়ে পুলিশ।

অন্যদিকে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে পরোয়ানাভুক্ত ও অন্যান্য মামলায় আরও ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।

পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবির আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মাদক ও জুয়া নির্মূলে পুলিশ সুপারের কঠোর নির্দেশনা বাস্তবায়নে পাইকগাছা থানা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করছে।

সিরাজগঞ্জে এসআরবি-১২ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সিরাজগঞ্জে এসআরবি-১২ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

ছবিতে অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ

মনজুরুল ইসলাম ।। সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

আত্মসমর্পণকারী চরমপন্থীদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ১০৩টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটেলিয়ন (এসআরবি-১২)। উদ্ধার করা সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১ হাজার ১৩৬ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৫টি ম্যাগাজিন, ৯৫টি দেশীয় অস্ত্র ও ৮টি ওয়াকিটকি সেট। তিন জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্যের আত্মসমর্পণের পর তাঁদের দেওয়া তথ্য এবং নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় এসআরবি-১২-এর সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বাহিনীর অধিনায়ক অতিরিক্ত আইজিপি আতিকুর রহমান মিয়া।

তিনি জানান, গত রোববার (১ নভেম্বর) এসআরবি-১২-এর পৃষ্ঠপোষকতায় সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও রাজবাড়ী জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্য আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেন। তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য ও বাহিনীর নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালানো হয়।
এসআরবি-১২ অধিনায়ক বলেন, সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, উল্লাপাড়া ও সলঙ্গা এবং পাবনা জেলার সাঁথিয়া ও আতাইকুলা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।

উদ্ধার করা ১০৩টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রের পাশাপাশি ১ হাজার ১৩৬ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৫টি ম্যাগাজিন, ৯৫টি দেশীয় অস্ত্র এবং ৮টি ওয়াকিটকি সেট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এসব আগ্নেয়াস্ত্রের ধরন, উৎস ও সংশ্লিষ্ট অপরাধী চক্র সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়নি।
আত্মসমর্পণে নতুন প্রত্যাশা।

এর আগে ১ নভেম্বর দুপুরে এসআরবি-১২-এর সদর দপ্তরে ‘নতুন পথে প্রত্যাবর্তন—চরমপন্থি সর্বহারা সদস্যদের আত্মসমর্পণ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিন জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্য আত্মসমর্পণ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মিজ্ ফারজানা শারমিন।
আত্মসমর্পণকারীরা চরমপন্থী কর্মকাণ্ড থেকে সরে এসে স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেন। তাঁদের পুনর্বাসন ও সমাজের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগও এ কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।

দীর্ঘদিন ধরে চরমপন্থী তৎপরতার ইতিহাস রয়েছে এমন জনপদে অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার রোধ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। আত্মসমর্পণকারীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধারের এ অভিযান ওই অঞ্চলে অবৈধ অস্ত্রের সন্ধান ও অপরাধী নেটওয়ার্ক শনাক্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে চরমপন্থীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের সমন্বিত উদ্যোগ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা জোরদার করেছে।