খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক, ১৪৩৩

নিরাপত্তাশঙ্কায় কারাগার থেকে ভার্চ্যুয়ালি হাজিরা জিয়াউল আহসানের

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৫২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিরাপত্তাশঙ্কায় কারাগার থেকে ভার্চ্যুয়ালি হাজিরা জিয়াউল আহসানের

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

শতাধিক ব্যক্তিকে গুম ও হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগার থেকে ভার্চ্যুয়ালি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজিরা দিয়েছেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান। নিরাপত্তাশঙ্কার কারণে তাকে সশরীরে ট্রাইব্যুনালে হাজির না করে ভার্চ্যুয়ালি শুনানিতে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে শুনানি চলাকালে প্রয়োজন হলে মুঠোফোনে আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন তিনি। এ জন্য আসামি ও তার আইনজীবীর মধ্যে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগের ব্যবস্থাও করে দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলামের জেরা শুরুর দিনে কারাগার থেকে ভার্চ্যুয়ালি অংশ নেন জিয়াউল আহসান। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনালে তার আইনজীবী ও বোন নাজনীন নাহারের আবেদনের শুনানি হয়। পরে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা শুরুর অনুমতি দেন ট্রাইব্যুনাল।

শুনানি শুরুর আগে প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম সাংবাদিকদের বলেন, এত দিন জিয়াউল আহসানকে নিয়মিত ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। তবে গত ৮ অক্টোবর তার জীবননাশের আশঙ্কার কথা জানিয়ে আবেদন করেন আইনজীবী নাজনীন নাহার।

তিনি বলেন, নিরাপত্তার কারণে অন্য আসামিদের সঙ্গে একই প্রিজনভ্যানে জিয়াউল আহসানকে আনা-নেওয়ার আবেদন করা হয়েছিল। আসামির নিরাপত্তাঝুঁকির বিষয়টি স্বীকার করলেও অন্য আসামিদের সঙ্গে একই প্রিজনভ্যানে আনা-নেওয়ার আবেদনে আপত্তি জানিয়েছিল প্রসিকিউশন।

তামিম আরও বলেন, নিরাপত্তাহীনতার কারণে জিয়াউল আহসানকে কারাগারে রেখেই ভার্চ্যুয়ালি হাজিরার আবেদন করা হয়। ট্রাইব্যুনাল ও কারাগারে অডিও-ভিজ্যুয়াল যোগাযোগের ব্যবস্থা থাকায় এভাবে শুনানিতে অংশ নেওয়া সম্ভব। ট্রাইব্যুনাল সেই আবেদন মঞ্জুর করেছেন।

এদিকে তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা শুরুর আগে নাজনীন নাহার আগের একটি আবেদন প্রত্যাহারের বিষয়ে শুনানি করেন। তিনি জানান, জিয়াউল আহসানকে অন্য আসামিদের সঙ্গে একই প্রিজনভ্যানে আনা-নেওয়ার আবেদনটি আর বহাল রাখতে চান না তারা। তাকে একা আনা-নেওয়া করা হলে তাদের আপত্তি নেই। তবে শুনানির সময় জিয়াউল আহসান নিজে ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত থাকতে চান।

জবাবে ট্রাইব্যুনাল জানান, গত ৮ অক্টোবর এ বিষয়ে উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আদেশ দেওয়া হয়েছে। পরে বিকেলে জিয়াউল আহসানকে কারাগার থেকে ভার্চ্যুয়ালি শুনানিতে অংশ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। ফলে বিষয়টি ইতোমধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে।

তবে নাজনীন নাহার জানান, তারা ওই আদেশ পাননি। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও আদেশের বিষয়ে জানতে পারেননি। এ কারণে পরবর্তী কার্যদিবসের শুরুতে আগের আবেদন প্রত্যাহারের কথা জানান তিনি।

শুনানিতে নাজনীন নাহার বলেন, জিয়াউল আহসান সশরীরে উপস্থিত না থাকলে তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরার সময় সম্পূরক প্রশ্ন করার ক্ষেত্রে তার পরামর্শ নেওয়া কঠিন হবে।

আসামিপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনাল নির্দেশ দেন, ভার্চ্যুয়ালি শুনানিতে অংশ নেওয়ার সময় জিয়াউল আহসানের কাছে একটি মুঠোফোন থাকবে। ট্রাইব্যুনালে থাকা তার আইনজীবীর কাছেও একটি মুঠোফোন থাকবে। প্রয়োজনে ফোন করে আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন তিনি।

ট্রাইব্যুনালের নির্দেশনা অনুযায়ী, আসামি ও তার আইনজীবী হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে কথা বলতে পারবেন। এ জন্য প্রয়োজনীয় সিম সরবরাহ করবে আসামিপক্ষ। শুনানি চলাকালে প্রয়োজন হলে তারা যোগাযোগ করতে পারবেন। এ ছাড়া শুনানির দিন সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত আইনজীবী জিয়াউল আহসানের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে কথা বলতে পারবেন। ভার্চ্যুয়াল শুনানির সময় জিয়াউল আহসান হাত তুললে তাকে ট্রাইব্যুনালে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হবে।

পরে এসব নির্দেশনার মধ্য দিয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলামের জেরা শুরু করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী। এ সময় কারাগার থেকে ভার্চ্যুয়ালি শুনানিতে অংশ নেন জিয়াউল আহসান।

তুলি আক্তার / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

চু/রি/র বিরোধে কৃষককে পি/টি/য়ে হ/ত্যা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চু/রি/র বিরোধে কৃষককে পি/টি/য়ে হ/ত্যা
নোয়াখালী প্রতিনিধি | যোগফল অনলাইন 

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা হুমায়ন কবির (৬০) নামে এক কৃষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে ঢাকার উত্তরার বাংলাদেশ ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে সোমবার ২ নভেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ফেনীর সোনাগাজীর চরদরবেশ ইউনিয়নের চরচান্দিয়া এলাকায় তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

নিহত হুমায়ন কবির কোম্পানীগঞ্জ ও ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার সীমান্তবর্তী চরদরবেশ ইউনিয়নের চরচান্দিয়া গ্রামের আলী আহম্মদের ছেলে। তিনি পেশায় কৃষক ছিলেন। তার বাড়ি সোনাগাজীতে হলেও তিনি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার।

নিহতের ছেলে মিজানুর রহমান বলেন, তারা সোনাগাজীর চরচান্দিয়া গ্রামে বসবাস করলেও তাদের ভোটার ও অন্যান্য কার্যক্রম কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায়। প্রায় ১৫-১৬ দিন আগে কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নের জিন্না মাঝি বাড়ির মো. ইলিয়াছের (৫৫) ছেলে নূর আমিনের (৩০) পাম্প মেশিন ভাড়া নিয়ে তাদের একটি পুকুরে সেচ দিয়ে মাছ ধরা হয়। ওই সময় নূর আমিন তাদের তেল ও মাছ চুরি করেন। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। পরে মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য জহিরুল হক দুই পক্ষকে নিয়ে বৈঠক করে বিষয়টি মীমাংসা করে দেন।

তিনি আরও বলেন, সোমবার বিকেলে তার বাবা প্রতিবেশী আব্দুস ছাত্তারের সঙ্গে দাড়িয়ে কথা বলছিলেন। এ সময় ইলিয়াছ ভুল বুঝে মনে করেন, তার বাবা তাদের নিয়ে কথা বলছেন। তাৎক্ষণিক ইলিয়াছ তার দুই ছেলে নূর আমিন ও শুক্কুরকে ফোন করে সেখানে ডেকে আনেন। পরে তারা কয়েকজন মিলে লোহার রড, ধারালো কিরিচ ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তার বাবার ওপর হামলা চালান।

মিজানুর রহমানের অভিযোগ, হামলাকারীদের একজন লোহার রড দিয়ে তার বাবার মাথায় আঘাত করেন। আরেকজন ধারালো কিরিচ দিয়ে মাথায় কোপ দেওয়ার চেষ্টা করলে তিনি সরে যান। এতে তার মুখের বাম পাশে ও বাম চোখের নিচে দুটি স্থানে গুরুতর জখম হয়। এ সময় তার পকেটে থাকা মহিষ বিক্রির বায়না বাবদ ১৫ হাজার টাকাও নিয়ে যাওয়া হয়।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে শারীরিক অবস্থার অবনতি ও বমি হওয়ায় চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেন। পরে তাকে ঢাকার উত্তরার বাংলাদেশ ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার বিকেলে তার মৃত্যু হয়।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তবে ঘটনাটি ফেনীর সোনাগাজী থানার আওতাধীন এলাকায় হওয়ায় বিষয়টি সেখানকার পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।

সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল হাসিম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তিনিও ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পীরগঞ্জে "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) অনুষ্ঠিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পীরগঞ্জে  "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) অনুষ্ঠিত

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

মো. আরফান আলী | পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি 

পীরগঞ্জে গুড নেইবারস বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে ‘চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৪ নভেম্বর বুধবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে পীরগঞ্জে শিশুদের সূরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গুড নেইবারস বাংলাদেশ, পীরগঞ্জ সিডিপির (Pirganj CDP) আয়োজনে "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) শীর্ষক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বারে  প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল—"শিশুর সুরক্ষা, আমাদের অঙ্গীকার"।  

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম রাব্বানী সরদার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেণ ঠাকূরগাঁও -৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান,  সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জিয়াউর ইসলাম জিয়া, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জিন্নাতারা ইয়াসমিন, প্রমুখ।

​অনুষ্ঠানে বক্তারা শিশুদের নিরাপত্তা, অধিকার এবং তাদের সুরক্ষায় সমাজের সকল স্তরের মানুষকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। এ সময় স্থানীয় বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধি, আয়োজক সংস্থার কর্মকর্তা, সুধীবৃন্দ এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

ছবিতে গ্রেফতারকৃরা

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে নাশকতা, জুয়া ও অন্যান্য মামলায় মোট ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে ও বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।

থানা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের গড়েরআবাদ এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসআই নুরে আলমের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স অভিযান চালিয়ে টাকার বিনিময়ে তাস খেলার সময় ছয়জনকে আটক করে। এ সময় জুয়ার টাকা ও খেলার সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন-মৃত আবতাপ গাজীর ছেলে রশিদ গাজী (৫৫), আবুল কাসেমের ছেলে আমিরুল (৩৮), মৃত সামাদের ছেলে সফিকুল (৬০), জব্বার গাজীর ছেলে আব্দুর রহমান, জনাব মোল্লার ছেলে খানজাহান মোল্লা (৬২) এবং জামান মোল্লার ছেলে সাইফুল (৩৫)। এ ঘটনায় পাইকগাছা থানায় জুয়া আইনে মামলা হয়েছে। মামলার নম্বর ৪/২৬।

এদিকে, মঙ্গলবার রাতে নগরশ্রীরামপুর গ্রামের আব্দুল মজিদ হাজরার ছেলে হরিঢালী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মুজাহিদুল হাজরা (৪৮) এবং বুধবার সকাল ১১টার দিকে গদাইপুর ইউনিয়নের রফিকুল ইসলামের ছেলে ছাত্রলীগের সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মো. ফারজাহান পারভেজ ওরফে রুমি (২৫)-কে নাশকতা মামলায় আটক করা হয়েছে বলে জানিয়ে পুলিশ।

অন্যদিকে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে পরোয়ানাভুক্ত ও অন্যান্য মামলায় আরও ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।

পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবির আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মাদক ও জুয়া নির্মূলে পুলিশ সুপারের কঠোর নির্দেশনা বাস্তবায়নে পাইকগাছা থানা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করছে।