খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক, ১৪৩৩

দুর্গাপূজায় প্রতিটি পূজামণ্ডপে সিসি ক্যামেরা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৩:৫৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দুর্গাপূজায় প্রতিটি পূজামণ্ডপে সিসি ক্যামেরা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর

ছবি যোগফল

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা সুষ্ঠু, সুন্দর ও নির্বিঘ্নে উদযাপনে প্রতিটি পূজামণ্ডপে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, পর্যাপ্ত পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বিজিবির সহায়তা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। একই সঙ্গে সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা ও অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান, যাতে ধর্মীয় উৎসবটি শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করা যায়।

রবিবার (১১ অক্টোবর) সকালে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভাকে শুধু আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না, উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের অগ্রগতিও নিয়মিত পর্যালোচনা করতে হবে। গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করে পরবর্তী সভার আগেই অন্তত কয়েকটি কাজের দৃশ্যমান অগ্রগতি তুলে ধরতে হবে।

তিনি বলেন রাজনীতিবিদ ও সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে সমন্বয় বাড়িয়ে জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে হবে। গণতান্ত্রিক সরকার দ্রুতগতিতে কাজ করতে চায়। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। ময়মনসিংহ জেলাকে উন্নত করতে হলে উন্নয়ন কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও জনগণের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় গড়ে তুলতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, মাদকদ্রব্য নির্মূলে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে হবে। পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা এবং ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। বিশেষ করে কৃষি ও সমাজকল্যাণ বিভাগের কর্মকর্তাদের এ ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।

তিনি সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, জনগণের সেবা নিশ্চিত করা এবং জেলার উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে সবাইকে জনসম্পৃক্ততা বজায় রেখে কাজ করতে হবে। জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ময়মনসিংহকে একটি উন্নত জেলা হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

সভা শেষে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী বলেন, ময়মনসিংহের উন্নয়নে ইতোমধ্যে সংসদ সদস্য ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসককে সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, খাদ্যগুদাম নির্মাণ, নদীভাঙন রোধ এবং বিভিন্ন সরকারি ভবন নির্মাণ ও সংস্কার। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভবন সংস্কারের পাশাপাশি পাশে নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ময়মনসিংহের প্রয়োজনীয় উন্নয়নকাজ দ্রুত বাস্তবায়নে আমরা কাজ করছি। এ ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যরাও সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করছেন। আগামী বছর থেকে এসব উন্নয়নকাজ শুরু হবে এবং পর্যায়ক্রমে এর সুফল দৃশ্যমান হবে।
উন্নয়নকাজে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান সম্পূর্ণ কঠোর। কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতি হলে সংশ্লিষ্টদের বিচারের আওতায় আনা হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সংসদ সদস্যরাও উন্নয়নকাজের ওপর নজরদারি রাখবেন, যাতে কোনো ধরনের দুর্নীতি না ঘটে।
এ সময় আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদযাপনের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কোনো ব্যক্তি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তাঁকে শনাক্ত করে কঠোর আইনের আওতায় আনা হবে। এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সংসদ সদস্যরা প্রশাসনকে সহযোগিতা করবেন। প্রয়োজনে পুলিশ, বিজিবি ও আনসার সদস্যদের সমন্বয়ে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হবে বলে তিনি জানান।

ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জাকির হোসেন, ময়মনসিংহ-৮ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজেদ এবং ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদার। এছাড়াও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং প্রিন্ট ও  ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

পীরগঞ্জে "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) অনুষ্ঠিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পীরগঞ্জে  "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) অনুষ্ঠিত

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

মো. আরফান আলী | পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি 

পীরগঞ্জে গুড নেইবারস বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে ‘চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৪ নভেম্বর বুধবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে পীরগঞ্জে শিশুদের সূরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গুড নেইবারস বাংলাদেশ, পীরগঞ্জ সিডিপির (Pirganj CDP) আয়োজনে "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) শীর্ষক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বারে  প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল—"শিশুর সুরক্ষা, আমাদের অঙ্গীকার"।  

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম রাব্বানী সরদার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেণ ঠাকূরগাঁও -৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান,  সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জিয়াউর ইসলাম জিয়া, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জিন্নাতারা ইয়াসমিন, প্রমুখ।

​অনুষ্ঠানে বক্তারা শিশুদের নিরাপত্তা, অধিকার এবং তাদের সুরক্ষায় সমাজের সকল স্তরের মানুষকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। এ সময় স্থানীয় বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধি, আয়োজক সংস্থার কর্মকর্তা, সুধীবৃন্দ এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

ছবিতে গ্রেফতারকৃরা

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে নাশকতা, জুয়া ও অন্যান্য মামলায় মোট ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে ও বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।

থানা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের গড়েরআবাদ এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসআই নুরে আলমের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স অভিযান চালিয়ে টাকার বিনিময়ে তাস খেলার সময় ছয়জনকে আটক করে। এ সময় জুয়ার টাকা ও খেলার সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন-মৃত আবতাপ গাজীর ছেলে রশিদ গাজী (৫৫), আবুল কাসেমের ছেলে আমিরুল (৩৮), মৃত সামাদের ছেলে সফিকুল (৬০), জব্বার গাজীর ছেলে আব্দুর রহমান, জনাব মোল্লার ছেলে খানজাহান মোল্লা (৬২) এবং জামান মোল্লার ছেলে সাইফুল (৩৫)। এ ঘটনায় পাইকগাছা থানায় জুয়া আইনে মামলা হয়েছে। মামলার নম্বর ৪/২৬।

এদিকে, মঙ্গলবার রাতে নগরশ্রীরামপুর গ্রামের আব্দুল মজিদ হাজরার ছেলে হরিঢালী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মুজাহিদুল হাজরা (৪৮) এবং বুধবার সকাল ১১টার দিকে গদাইপুর ইউনিয়নের রফিকুল ইসলামের ছেলে ছাত্রলীগের সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মো. ফারজাহান পারভেজ ওরফে রুমি (২৫)-কে নাশকতা মামলায় আটক করা হয়েছে বলে জানিয়ে পুলিশ।

অন্যদিকে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে পরোয়ানাভুক্ত ও অন্যান্য মামলায় আরও ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।

পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবির আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মাদক ও জুয়া নির্মূলে পুলিশ সুপারের কঠোর নির্দেশনা বাস্তবায়নে পাইকগাছা থানা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করছে।

সিরাজগঞ্জে এসআরবি-১২ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সিরাজগঞ্জে এসআরবি-১২ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

ছবিতে অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ

মনজুরুল ইসলাম ।। সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

আত্মসমর্পণকারী চরমপন্থীদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ১০৩টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটেলিয়ন (এসআরবি-১২)। উদ্ধার করা সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১ হাজার ১৩৬ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৫টি ম্যাগাজিন, ৯৫টি দেশীয় অস্ত্র ও ৮টি ওয়াকিটকি সেট। তিন জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্যের আত্মসমর্পণের পর তাঁদের দেওয়া তথ্য এবং নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় এসআরবি-১২-এর সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বাহিনীর অধিনায়ক অতিরিক্ত আইজিপি আতিকুর রহমান মিয়া।

তিনি জানান, গত রোববার (১ নভেম্বর) এসআরবি-১২-এর পৃষ্ঠপোষকতায় সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও রাজবাড়ী জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্য আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেন। তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য ও বাহিনীর নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালানো হয়।
এসআরবি-১২ অধিনায়ক বলেন, সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, উল্লাপাড়া ও সলঙ্গা এবং পাবনা জেলার সাঁথিয়া ও আতাইকুলা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।

উদ্ধার করা ১০৩টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রের পাশাপাশি ১ হাজার ১৩৬ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৫টি ম্যাগাজিন, ৯৫টি দেশীয় অস্ত্র এবং ৮টি ওয়াকিটকি সেট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এসব আগ্নেয়াস্ত্রের ধরন, উৎস ও সংশ্লিষ্ট অপরাধী চক্র সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়নি।
আত্মসমর্পণে নতুন প্রত্যাশা।

এর আগে ১ নভেম্বর দুপুরে এসআরবি-১২-এর সদর দপ্তরে ‘নতুন পথে প্রত্যাবর্তন—চরমপন্থি সর্বহারা সদস্যদের আত্মসমর্পণ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিন জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্য আত্মসমর্পণ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মিজ্ ফারজানা শারমিন।
আত্মসমর্পণকারীরা চরমপন্থী কর্মকাণ্ড থেকে সরে এসে স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেন। তাঁদের পুনর্বাসন ও সমাজের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগও এ কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।

দীর্ঘদিন ধরে চরমপন্থী তৎপরতার ইতিহাস রয়েছে এমন জনপদে অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার রোধ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। আত্মসমর্পণকারীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধারের এ অভিযান ওই অঞ্চলে অবৈধ অস্ত্রের সন্ধান ও অপরাধী নেটওয়ার্ক শনাক্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে চরমপন্থীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের সমন্বিত উদ্যোগ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা জোরদার করেছে।