খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক, ১৪৩৩

কর মামলার রায়, ইউনূস আমলের সিদ্ধান্তগুলো পুনর্বিবেচনার দাবি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কর মামলার রায়, ইউনূস আমলের সিদ্ধান্তগুলো পুনর্বিবেচনার দাবি

যোগফল প্রতিবেদক:

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ কল্যাণের কাছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকার বেশি আয়করের বৈধতা নিয়ে করা দুটি রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। গত বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি রেজাউল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

রায়ের ফলে ২০১২-১৩ থেকে ২০১৬-১৭ করবর্ষ পর্যন্ত পাঁচ বছরের জন্য এনবিআরের নির্ধারিত আয়কর পরিশোধে গ্রামীণ কল্যাণের সামনে থাকা আইনি বাধা দূর হয়েছে বলে রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের হিসাবে প্রতিষ্ঠানটিকে ৬৬৬ কোটি ৯১ লাখ ৫২ হাজার ৩৭০ টাকা আয়কর পরিশোধ করতে হবে।

এই রায়কে কেন্দ্র করে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রধান উপদেষ্টা থাকাকালীন নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও কর্মকাণ্ডের তদন্তের দাবি সামনে এসেছে। সমালোচকদের মতে, কর মামলার রায়টি শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের করসংক্রান্ত বিষয় নয়; এর মধ্য দিয়ে ওই সময়ের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের আইনগত বৈধতা ও স্বচ্ছতা পর্যালোচনার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষকদের একটি অংশ মনে করছেন, রাষ্ট্র পরিচালনার সময় নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো যদি কোনো আইন বা বিধি লঙ্ঘন করে থাকে, তাহলে সেগুলোর বিষয়ে স্বাধীনভাবে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করে কাউকে দায়ী না করে সংশ্লিষ্ট প্রতিটি বিষয় আইন ও প্রমাণের ভিত্তিতে পর্যালোচনা করার কথাও উঠে এসেছে।

গ্রামীণ-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সুবিধা নিয়ে প্রশ্ন

ড. ইউনূস প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেওয়ার পর গ্রামীণ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সরকারি অনুমোদন ও সুবিধা পেয়েছে বলে লেখাটিতে দাবি করা হয়েছে। এর মধ্যে ‘গ্রামীণ ইউনিভার্সিটি’ নামে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন, গ্রামীণ এমপ্লয়মেন্ট সার্ভিসেসের জনশক্তি রপ্তানির লাইসেন্স এবং গ্রামীণ টেলিকমের ডিজিটাল ওয়ালেট চালুর অনুমতির বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।

এসব সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের আইনগত অনিয়ম বা স্বার্থের সংঘাত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে। একইভাবে গ্রামীণ ব্যাংকের কর-সংক্রান্ত সুবিধা এবং ব্যাংকটিতে সরকারের শেয়ারের পরিমাণ পরিবর্তনের বিষয়টিও পর্যালোচনার দাবি রয়েছে।

ড. ইউনূস ও গ্রামীণ টেলিকমের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শ্রম আইন লঙ্ঘন ও অর্থপাচারসংক্রান্ত মামলার বিচারিক ফল নিয়েও লেখাটিতে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তবে এসব বিষয়ে আদালতের রায় ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রের ভিত্তিতে পৃথকভাবে আইনগত অবস্থান যাচাই করা প্রয়োজন।

অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্ত নিয়েও তদন্তের দাবি

লেখাটিতে আরও দাবি করা হয়েছে, ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সংবিধান, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং নাগরিক অধিকার নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল।

বিশেষ করে সংবিধান সংশোধনসংক্রান্ত আদেশ, বিভিন্ন পেশাজীবীর কর্মস্থলে প্রবেশে বাধা, শিল্পপ্রতিষ্ঠানে হামলা ও অগ্নিসংযোগ, সংবাদমাধ্যমের ওপর চাপ এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে ওঠা অভিযোগগুলো তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।

এসব অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে স্বাধীন তদন্ত প্রয়োজন বলে মত দিয়েছেন লেখাটির автор। তদন্তের মাধ্যমে কোনো সিদ্ধান্ত বা কর্মকাণ্ড আইনবিরোধী প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য খাতের সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন

হাম ও শিশু মৃত্যুর প্রসঙ্গও লেখাটিতে তুলে ধরা হয়েছে। লেখকের দাবি, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে হাম প্রতিরোধে টিকাদান কার্যক্রমে ঘাটতি ও প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনার কারণে শিশু মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

তবে এ ধরনের ঘটনায় কারও ব্যক্তিগত দায় নির্ধারণের আগে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যনীতি, টিকাদান কর্মসূচি, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। কোনো ব্যক্তি বা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি দায় প্রতিষ্ঠার জন্য প্রমাণ ও আদালতের সিদ্ধান্ত অপরিহার্য।

স্বাধীন তদন্তের দাবি

লেখাটির মূল বক্তব্য হলো—ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও কর্মকাণ্ড নিয়ে যেসব অভিযোগ উঠেছে, সেগুলো রাজনৈতিক বিবেচনার বাইরে রেখে স্বাধীনভাবে তদন্ত করা উচিত।

কর মামলার হাইকোর্টের রায়কে সামনে রেখে লেখক মনে করেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় আইনের শাসন, জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ওই সময়ের বিতর্কিত সিদ্ধান্তগুলো পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

তবে অভিযোগ, রাজনৈতিক বক্তব্য এবং আদালতে প্রমাণিত তথ্য—এই তিনটি বিষয়কে আলাদা রেখে প্রতিটি অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারণ করাই হবে ন্যায়বিচারের মূল শর্ত।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পীরগঞ্জে "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) অনুষ্ঠিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পীরগঞ্জে  "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) অনুষ্ঠিত

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

মো. আরফান আলী | পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি 

পীরগঞ্জে গুড নেইবারস বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে ‘চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৪ নভেম্বর বুধবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে পীরগঞ্জে শিশুদের সূরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গুড নেইবারস বাংলাদেশ, পীরগঞ্জ সিডিপির (Pirganj CDP) আয়োজনে "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) শীর্ষক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বারে  প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল—"শিশুর সুরক্ষা, আমাদের অঙ্গীকার"।  

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম রাব্বানী সরদার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেণ ঠাকূরগাঁও -৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান,  সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জিয়াউর ইসলাম জিয়া, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জিন্নাতারা ইয়াসমিন, প্রমুখ।

​অনুষ্ঠানে বক্তারা শিশুদের নিরাপত্তা, অধিকার এবং তাদের সুরক্ষায় সমাজের সকল স্তরের মানুষকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। এ সময় স্থানীয় বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধি, আয়োজক সংস্থার কর্মকর্তা, সুধীবৃন্দ এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

ছবিতে গ্রেফতারকৃরা

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে নাশকতা, জুয়া ও অন্যান্য মামলায় মোট ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে ও বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।

থানা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের গড়েরআবাদ এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসআই নুরে আলমের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স অভিযান চালিয়ে টাকার বিনিময়ে তাস খেলার সময় ছয়জনকে আটক করে। এ সময় জুয়ার টাকা ও খেলার সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন-মৃত আবতাপ গাজীর ছেলে রশিদ গাজী (৫৫), আবুল কাসেমের ছেলে আমিরুল (৩৮), মৃত সামাদের ছেলে সফিকুল (৬০), জব্বার গাজীর ছেলে আব্দুর রহমান, জনাব মোল্লার ছেলে খানজাহান মোল্লা (৬২) এবং জামান মোল্লার ছেলে সাইফুল (৩৫)। এ ঘটনায় পাইকগাছা থানায় জুয়া আইনে মামলা হয়েছে। মামলার নম্বর ৪/২৬।

এদিকে, মঙ্গলবার রাতে নগরশ্রীরামপুর গ্রামের আব্দুল মজিদ হাজরার ছেলে হরিঢালী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মুজাহিদুল হাজরা (৪৮) এবং বুধবার সকাল ১১টার দিকে গদাইপুর ইউনিয়নের রফিকুল ইসলামের ছেলে ছাত্রলীগের সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মো. ফারজাহান পারভেজ ওরফে রুমি (২৫)-কে নাশকতা মামলায় আটক করা হয়েছে বলে জানিয়ে পুলিশ।

অন্যদিকে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে পরোয়ানাভুক্ত ও অন্যান্য মামলায় আরও ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।

পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবির আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মাদক ও জুয়া নির্মূলে পুলিশ সুপারের কঠোর নির্দেশনা বাস্তবায়নে পাইকগাছা থানা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করছে।

সিরাজগঞ্জে এসআরবি-১২ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সিরাজগঞ্জে এসআরবি-১২ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

ছবিতে অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ

মনজুরুল ইসলাম ।। সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

আত্মসমর্পণকারী চরমপন্থীদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ১০৩টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটেলিয়ন (এসআরবি-১২)। উদ্ধার করা সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১ হাজার ১৩৬ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৫টি ম্যাগাজিন, ৯৫টি দেশীয় অস্ত্র ও ৮টি ওয়াকিটকি সেট। তিন জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্যের আত্মসমর্পণের পর তাঁদের দেওয়া তথ্য এবং নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় এসআরবি-১২-এর সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বাহিনীর অধিনায়ক অতিরিক্ত আইজিপি আতিকুর রহমান মিয়া।

তিনি জানান, গত রোববার (১ নভেম্বর) এসআরবি-১২-এর পৃষ্ঠপোষকতায় সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও রাজবাড়ী জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্য আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেন। তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য ও বাহিনীর নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালানো হয়।
এসআরবি-১২ অধিনায়ক বলেন, সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, উল্লাপাড়া ও সলঙ্গা এবং পাবনা জেলার সাঁথিয়া ও আতাইকুলা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।

উদ্ধার করা ১০৩টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রের পাশাপাশি ১ হাজার ১৩৬ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৫টি ম্যাগাজিন, ৯৫টি দেশীয় অস্ত্র এবং ৮টি ওয়াকিটকি সেট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এসব আগ্নেয়াস্ত্রের ধরন, উৎস ও সংশ্লিষ্ট অপরাধী চক্র সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়নি।
আত্মসমর্পণে নতুন প্রত্যাশা।

এর আগে ১ নভেম্বর দুপুরে এসআরবি-১২-এর সদর দপ্তরে ‘নতুন পথে প্রত্যাবর্তন—চরমপন্থি সর্বহারা সদস্যদের আত্মসমর্পণ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিন জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্য আত্মসমর্পণ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মিজ্ ফারজানা শারমিন।
আত্মসমর্পণকারীরা চরমপন্থী কর্মকাণ্ড থেকে সরে এসে স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেন। তাঁদের পুনর্বাসন ও সমাজের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগও এ কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।

দীর্ঘদিন ধরে চরমপন্থী তৎপরতার ইতিহাস রয়েছে এমন জনপদে অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার রোধ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। আত্মসমর্পণকারীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধারের এ অভিযান ওই অঞ্চলে অবৈধ অস্ত্রের সন্ধান ও অপরাধী নেটওয়ার্ক শনাক্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে চরমপন্থীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের সমন্বিত উদ্যোগ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা জোরদার করেছে।