খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক, ১৪৩৩

ফুসফুসের কার্যকারিতা নষ্ট করে দেয় যে ৭ অভ্যাস

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:২৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ফুসফুসের কার্যকারিতা নষ্ট করে দেয় যে ৭ অভ্যাস

 যোগফল প্রতিবেদক:

বয়স কম হলেও অনেকেরই শ্বাসকষ্ট, দীর্ঘস্থায়ী কাশি কিংবা সামান্য পরিশ্রমেই হাঁপিয়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে। এসব সমস্যার পেছনে বিভিন্ন রোগ ও সংক্রমণের পাশাপাশি দৈনন্দিন কিছু অভ্যাসও ভূমিকা রাখতে পারে। দীর্ঘদিনের কিছু অনিয়ম ফুসফুস ও শ্বাসযন্ত্রের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে।

ধূমপান, পরোক্ষ ধূমপান, বায়ুদূষণের সংস্পর্শ, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা এবং প্রয়োজন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের মতো অভ্যাস শ্বাসযন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। ফুসফুসের কার্যকারিতা কমে গেলে শ্বাসকষ্ট, দীর্ঘস্থায়ী কাশি, শ্বাস নেওয়ার সময় অস্বাভাবিক শব্দ হওয়া কিংবা অল্প পরিশ্রমেই অতিরিক্ত ক্লান্ত হয়ে পড়ার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

ফুসফুসের ক্ষতির ঝুঁকি বাড়াতে পারে এমন সাতটি অভ্যাস সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

১. ধূমপান

ফুসফুসের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর অভ্যাসগুলোর একটি হলো ধূমপান। সিগারেটসহ তামাকজাত পণ্যের ধোঁয়ায় থাকা বিভিন্ন রাসায়নিক শ্বাসনালি ও ফুসফুসে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে। দীর্ঘদিন ধূমপানের ফলে ফুসফুসের টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসযন্ত্রের রোগের ঝুঁকি বাড়ে।

বিশেষ করে ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ বা সিওপিডির অন্যতম প্রধান ঝুঁকির কারণ ধূমপান। তাই ফুসফুস সুস্থ রাখতে ধূমপান থেকে বিরত থাকা এবং ধূমপায়ী হলে তা ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টা করা জরুরি।

২. পরোক্ষ ধূমপান

নিজে ধূমপান না করলেও অন্যের সিগারেটের ধোঁয়া নিয়মিত শ্বাসের সঙ্গে গ্রহণ করলে শ্বাসযন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। একে পরোক্ষ ধূমপান বলা হয়।

বাড়ি, কর্মস্থল কিংবা অন্য কোনো স্থানে দীর্ঘ সময় ধূমপানের ধোঁয়ার মধ্যে থাকলে শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই অন্যের ধোঁয়া থেকেও নিজেকে যতটা সম্ভব দূরে রাখা প্রয়োজন।

৩. দূষিত পরিবেশে সুরক্ষা ছাড়া চলাফেরা

যানবাহনের ধোঁয়া, ধুলাবালি, কলকারখানার দূষণ এবং বিভিন্ন ক্ষতিকর কণার সংস্পর্শ নিয়মিত হলে শ্বাসযন্ত্রের ওপর চাপ পড়ে। রাসায়নিক পদার্থের সংস্পর্শও ফুসফুসের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

দীর্ঘদিন বায়ুদূষণের মধ্যে থাকলে শ্বাসযন্ত্রের বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে। একই সঙ্গে আগে থেকে থাকা শ্বাসকষ্ট বা অন্যান্য শ্বাসযন্ত্রের সমস্যাও আরও বাড়তে পারে।

তাই অতিরিক্ত দূষিত পরিবেশে অপ্রয়োজনে দীর্ঘ সময় না থাকা এবং ধুলা, ধোঁয়া বা রাসায়নিক পদার্থের মধ্যে কাজ করার সময় প্রয়োজনীয় সুরক্ষা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

৪. বদ্ধ ঘরে দীর্ঘ সময় থাকা

পর্যাপ্ত আলো-বাতাস চলাচল করে না এমন ঘরে দীর্ঘ সময় থাকলে ঘরের বাতাসের মান খারাপ হতে পারে। রান্নার ধোঁয়া, মশার কয়েল, তামাকের ধোঁয়া কিংবা বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি থেকে উৎপন্ন ধোঁয়া ঘরের ভেতরে জমে গেলে শ্বাসযন্ত্রের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হতে পারে।

বিশেষ করে রান্নার সময় পর্যাপ্ত বায়ু চলাচল না থাকলে ধোঁয়া ও ক্ষতিকর কণার সংস্পর্শ বেড়ে যায়। তাই ঘরে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখা এবং রান্নার ধোঁয়া বাইরে বের হওয়ার ব্যবস্থা করা জরুরি।

৫. দীর্ঘ সময় বসে থাকা

দিনের বড় একটি সময় বসে থাকা এবং শারীরিকভাবে নিষ্ক্রিয় থাকা সামগ্রিক শারীরিক সক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। নিয়মিত শারীরিক কর্মকাণ্ড শরীরের কর্মক্ষমতা ধরে রাখতে সহায়তা করে।

তাই একটানা দীর্ঘ সময় বসে না থেকে কাজের ফাঁকে হাঁটাচলা করা এবং নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী নিয়মিত ব্যায়াম বা শারীরিক কর্মকাণ্ডের অভ্যাস করা ভালো।

৬. প্রয়োজন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া

সর্দি-কাশি হলেই নিজের ইচ্ছায় অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার অভ্যাসও ক্ষতিকর হতে পারে। কারণ সব ধরনের সর্দি-কাশি বা শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োজন হয় না।

চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বারবার অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করলে অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী জীবাণু তৈরির ঝুঁকি বাড়তে পারে। এতে ভবিষ্যতে প্রয়োজনের সময় অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকর না হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা হলে তাই নিজের সিদ্ধান্তে অ্যান্টিবায়োটিক না খেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

৭. পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ না করা

শরীরে পানির ঘাটতি হলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। শ্বাসনালিতে থাকা মিউকাস শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার একটি অংশ। পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ শরীরের স্বাভাবিক আর্দ্রতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।

তবে শুধু বেশি পানি পান করলেই ফুসফুসের সব ধরনের রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব—এমন ধারণা ঠিক নয়। ফুসফুস ভালো রাখতে ধূমপান এড়িয়ে চলা, বায়ুদূষণ থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখা এবং নিয়মিত শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

ফুসফুস ভালো রাখতে যা করবেন

বয়স বাড়ার সঙ্গে ফুসফুসের কার্যকারিতা কিছুটা কমতে পারে। তবে ধূমপান ও পরোক্ষ ধূমপান এড়িয়ে চলা, বায়ুদূষণের সংস্পর্শ কমানো, ঘরে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা রাখা এবং নিয়মিত শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকার মাধ্যমে ফুসফুসের ওপর ক্ষতিকর প্রভাবের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

দীর্ঘস্থায়ী কাশি, শ্বাসকষ্ট, বুকে চাপ অনুভূত হওয়া, শ্বাস নেওয়ার সময় অস্বাভাবিক শব্দ হওয়া কিংবা অল্প পরিশ্রমেই অতিরিক্ত হাঁপিয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিলে তা অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

চু/রি/র বিরোধে কৃষককে পি/টি/য়ে হ/ত্যা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ১:০৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চু/রি/র বিরোধে কৃষককে পি/টি/য়ে হ/ত্যা
নোয়াখালী প্রতিনিধি | যোগফল অনলাইন 

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা হুমায়ন কবির (৬০) নামে এক কৃষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে ঢাকার উত্তরার বাংলাদেশ ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে সোমবার ২ নভেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ফেনীর সোনাগাজীর চরদরবেশ ইউনিয়নের চরচান্দিয়া এলাকায় তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

নিহত হুমায়ন কবির কোম্পানীগঞ্জ ও ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার সীমান্তবর্তী চরদরবেশ ইউনিয়নের চরচান্দিয়া গ্রামের আলী আহম্মদের ছেলে। তিনি পেশায় কৃষক ছিলেন। তার বাড়ি সোনাগাজীতে হলেও তিনি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার।

নিহতের ছেলে মিজানুর রহমান বলেন, তারা সোনাগাজীর চরচান্দিয়া গ্রামে বসবাস করলেও তাদের ভোটার ও অন্যান্য কার্যক্রম কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায়। প্রায় ১৫-১৬ দিন আগে কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নের জিন্না মাঝি বাড়ির মো. ইলিয়াছের (৫৫) ছেলে নূর আমিনের (৩০) পাম্প মেশিন ভাড়া নিয়ে তাদের একটি পুকুরে সেচ দিয়ে মাছ ধরা হয়। ওই সময় নূর আমিন তাদের তেল ও মাছ চুরি করেন। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। পরে মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য জহিরুল হক দুই পক্ষকে নিয়ে বৈঠক করে বিষয়টি মীমাংসা করে দেন।

তিনি আরও বলেন, সোমবার বিকেলে তার বাবা প্রতিবেশী আব্দুস ছাত্তারের সঙ্গে দাড়িয়ে কথা বলছিলেন। এ সময় ইলিয়াছ ভুল বুঝে মনে করেন, তার বাবা তাদের নিয়ে কথা বলছেন। তাৎক্ষণিক ইলিয়াছ তার দুই ছেলে নূর আমিন ও শুক্কুরকে ফোন করে সেখানে ডেকে আনেন। পরে তারা কয়েকজন মিলে লোহার রড, ধারালো কিরিচ ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তার বাবার ওপর হামলা চালান।

মিজানুর রহমানের অভিযোগ, হামলাকারীদের একজন লোহার রড দিয়ে তার বাবার মাথায় আঘাত করেন। আরেকজন ধারালো কিরিচ দিয়ে মাথায় কোপ দেওয়ার চেষ্টা করলে তিনি সরে যান। এতে তার মুখের বাম পাশে ও বাম চোখের নিচে দুটি স্থানে গুরুতর জখম হয়। এ সময় তার পকেটে থাকা মহিষ বিক্রির বায়না বাবদ ১৫ হাজার টাকাও নিয়ে যাওয়া হয়।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে শারীরিক অবস্থার অবনতি ও বমি হওয়ায় চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেন। পরে তাকে ঢাকার উত্তরার বাংলাদেশ ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার বিকেলে তার মৃত্যু হয়।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তবে ঘটনাটি ফেনীর সোনাগাজী থানার আওতাধীন এলাকায় হওয়ায় বিষয়টি সেখানকার পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।

সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল হাসিম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তিনিও ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পীরগঞ্জে "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) অনুষ্ঠিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পীরগঞ্জে  "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) অনুষ্ঠিত

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

মো. আরফান আলী | পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি 

পীরগঞ্জে গুড নেইবারস বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে ‘চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৪ নভেম্বর বুধবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে পীরগঞ্জে শিশুদের সূরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গুড নেইবারস বাংলাদেশ, পীরগঞ্জ সিডিপির (Pirganj CDP) আয়োজনে "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) শীর্ষক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বারে  প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল—"শিশুর সুরক্ষা, আমাদের অঙ্গীকার"।  

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম রাব্বানী সরদার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেণ ঠাকূরগাঁও -৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান,  সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জিয়াউর ইসলাম জিয়া, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জিন্নাতারা ইয়াসমিন, প্রমুখ।

​অনুষ্ঠানে বক্তারা শিশুদের নিরাপত্তা, অধিকার এবং তাদের সুরক্ষায় সমাজের সকল স্তরের মানুষকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। এ সময় স্থানীয় বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধি, আয়োজক সংস্থার কর্মকর্তা, সুধীবৃন্দ এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

ছবিতে গ্রেফতারকৃরা

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে নাশকতা, জুয়া ও অন্যান্য মামলায় মোট ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে ও বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।

থানা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের গড়েরআবাদ এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসআই নুরে আলমের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স অভিযান চালিয়ে টাকার বিনিময়ে তাস খেলার সময় ছয়জনকে আটক করে। এ সময় জুয়ার টাকা ও খেলার সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন-মৃত আবতাপ গাজীর ছেলে রশিদ গাজী (৫৫), আবুল কাসেমের ছেলে আমিরুল (৩৮), মৃত সামাদের ছেলে সফিকুল (৬০), জব্বার গাজীর ছেলে আব্দুর রহমান, জনাব মোল্লার ছেলে খানজাহান মোল্লা (৬২) এবং জামান মোল্লার ছেলে সাইফুল (৩৫)। এ ঘটনায় পাইকগাছা থানায় জুয়া আইনে মামলা হয়েছে। মামলার নম্বর ৪/২৬।

এদিকে, মঙ্গলবার রাতে নগরশ্রীরামপুর গ্রামের আব্দুল মজিদ হাজরার ছেলে হরিঢালী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মুজাহিদুল হাজরা (৪৮) এবং বুধবার সকাল ১১টার দিকে গদাইপুর ইউনিয়নের রফিকুল ইসলামের ছেলে ছাত্রলীগের সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মো. ফারজাহান পারভেজ ওরফে রুমি (২৫)-কে নাশকতা মামলায় আটক করা হয়েছে বলে জানিয়ে পুলিশ।

অন্যদিকে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে পরোয়ানাভুক্ত ও অন্যান্য মামলায় আরও ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।

পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবির আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মাদক ও জুয়া নির্মূলে পুলিশ সুপারের কঠোর নির্দেশনা বাস্তবায়নে পাইকগাছা থানা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করছে।