খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক, ১৪৩৩

রংপুরে চার খুন: সন্দেহের তীর ‘পাড়ার ছেলেদের’ দিকে

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রংপুরে চার খুন: সন্দেহের তীর ‘পাড়ার ছেলেদের’ দিকে

যোগফল প্রতিবেদক:

রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় স্থানীয় কয়েক যুবকের দিকে সন্দেহের তীর যাচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের পর বাড়ির ভেতরে ইয়াবা সেবনের আলামত পাওয়া গেছে বলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি সূত্র জানিয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় দুই যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।

রোববার (২৩ আগস্ট) ভোর পর্যন্ত মাছুয়াপাড়া এলাকার সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ নামে দুই যুবককে আটকের তথ্য পাওয়া যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি সূত্র জানায়, হত্যাকাণ্ডের খবর পাওয়ার পরপরই বিভিন্ন সংস্থা এলাকায় অভিযান শুরু করে। অভিযানের সময় ওই দুই যুবককে আটক করা হয়।

সূত্রের দাবি, আটকদের একজন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান টের পেয়ে পালিয়ে রেশম উন্নয়ন বোর্ডের তুতবাগানে গিয়ে আত্মগোপন করেন। পরে তুতবাগানের পাশের দখীগঞ্জ শ্মশান এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রাথমিক ধারণা, স্থানীয় কয়েক যুবক ডাকাতির উদ্দেশ্যে ওই বাড়িতে প্রবেশ করে থাকতে পারে। এরপর পরিবারের চার সদস্যকে হত্যা করা হয়। তবে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত নয়। ঘটনাস্থল থেকে ইয়াবা সেবনের কিছু আলামত পাওয়ার কথাও জানিয়েছে সূত্র।

সন্দেহভাজনদের আটকের বিষয়ে পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু না জানালেও রোববার দুপুর ১২টার দিকে মহানগর পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

এর আগে শনিবার রাতে মাছুয়াপাড়ায় নিজ বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতরা হলেন—গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী পার্থী (২৪) ও ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী প্রিয়ম (১২)।

স্থানীয়রা জানান, শনিবার রাতে গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ি থেকে পচা দুর্গন্ধ বের হলে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরে কোতোয়ালি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহগুলো উদ্ধার করে। দোতলা বাড়ির ছাদ থেকে গণপতি চক্রবর্তীর মরদেহ, সিঁড়ি থেকে তাঁর স্ত্রী ও মেয়ের মরদেহ এবং শোবার ঘরের খাটের নিচ থেকে ছেলে প্রিয়মের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ভোর ৪টার দিকে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহগুলো রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

গণপতি চক্রবর্তী গত বছরের ডিসেম্বরে শিক্ষকতা থেকে অবসর নেন। এরপর তিনি নিজ বাড়িতে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার চেম্বার পরিচালনা করতেন। তাঁর মেয়ে আগামী চক্রবর্তী কারমাইকেল কলেজের ইংরেজি বিভাগ থেকে মাস্টার্স পরীক্ষা দিয়েছেন। ছেলে প্রিয়ম রংপুর জিলা স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, হত্যাকাণ্ডটি দুই থেকে তিন দিন আগে ঘটতে পারে। বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় পাওয়া গেছে। পাশাপাশি আসবাবপত্র, টাকা ও স্বর্ণালংকার রাখার স্থানগুলো ভাঙচুর করা হয়েছে। এ কারণে প্রাথমিকভাবে ডাকাতির বিষয়টি সামনে এসেছে। তবে হত্যার পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ঘটনাস্থল থেকে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে। মহানগর পুলিশ, গোয়েন্দা বিভাগ, র‌্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সংস্থা ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনে কাজ করছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রংপুর মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ও উপকমিশনার (ডিবি) সনাতন চক্রবর্তী বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক সংস্থা কাজ করছে। কেউ আটক হয়ে থাকলেও সেটি তদন্তের অংশ হতে পারে।

তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ভুক্তভোগীদের শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার উদ্দেশ্য এখনো স্পষ্ট নয়। তবে বাড়ির বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুরের চিহ্ন থাকায় টাকা-পয়সা ও মূল্যবান সামগ্রী লুটের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের আশা করছে পুলিশ।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

চু/রি/র বিরোধে কৃষককে পি/টি/য়ে হ/ত্যা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ১:০৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চু/রি/র বিরোধে কৃষককে পি/টি/য়ে হ/ত্যা
নোয়াখালী প্রতিনিধি | যোগফল অনলাইন 

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা হুমায়ন কবির (৬০) নামে এক কৃষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে ঢাকার উত্তরার বাংলাদেশ ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে সোমবার ২ নভেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ফেনীর সোনাগাজীর চরদরবেশ ইউনিয়নের চরচান্দিয়া এলাকায় তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

নিহত হুমায়ন কবির কোম্পানীগঞ্জ ও ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার সীমান্তবর্তী চরদরবেশ ইউনিয়নের চরচান্দিয়া গ্রামের আলী আহম্মদের ছেলে। তিনি পেশায় কৃষক ছিলেন। তার বাড়ি সোনাগাজীতে হলেও তিনি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার।

নিহতের ছেলে মিজানুর রহমান বলেন, তারা সোনাগাজীর চরচান্দিয়া গ্রামে বসবাস করলেও তাদের ভোটার ও অন্যান্য কার্যক্রম কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায়। প্রায় ১৫-১৬ দিন আগে কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নের জিন্না মাঝি বাড়ির মো. ইলিয়াছের (৫৫) ছেলে নূর আমিনের (৩০) পাম্প মেশিন ভাড়া নিয়ে তাদের একটি পুকুরে সেচ দিয়ে মাছ ধরা হয়। ওই সময় নূর আমিন তাদের তেল ও মাছ চুরি করেন। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। পরে মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য জহিরুল হক দুই পক্ষকে নিয়ে বৈঠক করে বিষয়টি মীমাংসা করে দেন।

তিনি আরও বলেন, সোমবার বিকেলে তার বাবা প্রতিবেশী আব্দুস ছাত্তারের সঙ্গে দাড়িয়ে কথা বলছিলেন। এ সময় ইলিয়াছ ভুল বুঝে মনে করেন, তার বাবা তাদের নিয়ে কথা বলছেন। তাৎক্ষণিক ইলিয়াছ তার দুই ছেলে নূর আমিন ও শুক্কুরকে ফোন করে সেখানে ডেকে আনেন। পরে তারা কয়েকজন মিলে লোহার রড, ধারালো কিরিচ ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তার বাবার ওপর হামলা চালান।

মিজানুর রহমানের অভিযোগ, হামলাকারীদের একজন লোহার রড দিয়ে তার বাবার মাথায় আঘাত করেন। আরেকজন ধারালো কিরিচ দিয়ে মাথায় কোপ দেওয়ার চেষ্টা করলে তিনি সরে যান। এতে তার মুখের বাম পাশে ও বাম চোখের নিচে দুটি স্থানে গুরুতর জখম হয়। এ সময় তার পকেটে থাকা মহিষ বিক্রির বায়না বাবদ ১৫ হাজার টাকাও নিয়ে যাওয়া হয়।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে শারীরিক অবস্থার অবনতি ও বমি হওয়ায় চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেন। পরে তাকে ঢাকার উত্তরার বাংলাদেশ ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার বিকেলে তার মৃত্যু হয়।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তবে ঘটনাটি ফেনীর সোনাগাজী থানার আওতাধীন এলাকায় হওয়ায় বিষয়টি সেখানকার পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।

সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল হাসিম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তিনিও ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পীরগঞ্জে "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) অনুষ্ঠিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পীরগঞ্জে  "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) অনুষ্ঠিত

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

মো. আরফান আলী | পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি 

পীরগঞ্জে গুড নেইবারস বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে ‘চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৪ নভেম্বর বুধবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে পীরগঞ্জে শিশুদের সূরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গুড নেইবারস বাংলাদেশ, পীরগঞ্জ সিডিপির (Pirganj CDP) আয়োজনে "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) শীর্ষক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বারে  প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল—"শিশুর সুরক্ষা, আমাদের অঙ্গীকার"।  

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম রাব্বানী সরদার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেণ ঠাকূরগাঁও -৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান,  সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জিয়াউর ইসলাম জিয়া, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জিন্নাতারা ইয়াসমিন, প্রমুখ।

​অনুষ্ঠানে বক্তারা শিশুদের নিরাপত্তা, অধিকার এবং তাদের সুরক্ষায় সমাজের সকল স্তরের মানুষকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। এ সময় স্থানীয় বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধি, আয়োজক সংস্থার কর্মকর্তা, সুধীবৃন্দ এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

ছবিতে গ্রেফতারকৃরা

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে নাশকতা, জুয়া ও অন্যান্য মামলায় মোট ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে ও বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।

থানা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের গড়েরআবাদ এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসআই নুরে আলমের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স অভিযান চালিয়ে টাকার বিনিময়ে তাস খেলার সময় ছয়জনকে আটক করে। এ সময় জুয়ার টাকা ও খেলার সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন-মৃত আবতাপ গাজীর ছেলে রশিদ গাজী (৫৫), আবুল কাসেমের ছেলে আমিরুল (৩৮), মৃত সামাদের ছেলে সফিকুল (৬০), জব্বার গাজীর ছেলে আব্দুর রহমান, জনাব মোল্লার ছেলে খানজাহান মোল্লা (৬২) এবং জামান মোল্লার ছেলে সাইফুল (৩৫)। এ ঘটনায় পাইকগাছা থানায় জুয়া আইনে মামলা হয়েছে। মামলার নম্বর ৪/২৬।

এদিকে, মঙ্গলবার রাতে নগরশ্রীরামপুর গ্রামের আব্দুল মজিদ হাজরার ছেলে হরিঢালী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মুজাহিদুল হাজরা (৪৮) এবং বুধবার সকাল ১১টার দিকে গদাইপুর ইউনিয়নের রফিকুল ইসলামের ছেলে ছাত্রলীগের সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মো. ফারজাহান পারভেজ ওরফে রুমি (২৫)-কে নাশকতা মামলায় আটক করা হয়েছে বলে জানিয়ে পুলিশ।

অন্যদিকে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে পরোয়ানাভুক্ত ও অন্যান্য মামলায় আরও ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।

পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবির আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মাদক ও জুয়া নির্মূলে পুলিশ সুপারের কঠোর নির্দেশনা বাস্তবায়নে পাইকগাছা থানা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করছে।