খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক, ১৪৩৩

‘ধর্মীয় কারণে নয়’, নদী ভাঙন ও কৃষকের ধান রক্ষায় নৌকাবাইচ বন্ধের দাবি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১:০১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘ধর্মীয় কারণে নয়’, নদী ভাঙন ও কৃষকের ধান রক্ষায় নৌকাবাইচ বন্ধের দাবি

যোগফল প্রতিবেদক: 

সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার সুনাই নদীতে আগামী ২৮ আগস্ট অনুষ্ঠেয় নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা বন্ধের দাবি নিয়ে আলোচনা চলছে। কয়েকটি গণমাধ্যমে ‘তৌহিদী জনতা’ নামের একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে নৌকাবাইচ বন্ধের দাবি জানানোর খবর প্রকাশের পর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

তবে নৌকাবাইচ বন্ধের দাবিতে যুক্ত ব্যক্তিদের কয়েকজন জানিয়েছেন, এর পেছনে কোনো ধর্মীয় কারণ নেই। বরং নদীভাঙন ঠেকানো, নদীর দুই তীরে থাকা কৃষিজমি ও ধানের ক্ষতি রোধ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় তারা এ আয়োজন বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার

নৌকাবাইচ বন্ধের দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করেন স্থানীয় যুবক মাসুম বিন নুর উদ্দিন। গত ১৮ আগস্ট রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টার প্রকাশ করেন তিনি। সেখানে ‘তৌহিদী জনতা লাউতা ইউনিয়ন’ নামটি দেখা যায়।

পরে আরেকটি পোস্টারে ‘সুনাই নদীতে আগত নৌকাবাইচ বন্ধের প্রতিবাদে পরামর্শ সভা’ লেখা হয়। সেখানে সবাইকে সভায় উপস্থিত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল।

তবে শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কালবেলা অনলাইনের সঙ্গে ফোনে কথা বলার সময় মাসুম বিন নুর উদ্দিন দাবি করেন, পোস্টারে ‘নৌকাবাইচ বন্ধের প্রতিবাদে’ কথাটি ভুল করে লেখা হয়েছিল। তাঁর ভাষ্য, তিনি ব্যক্তিগতভাবে নৌকাবাইচ বন্ধের পক্ষে, তবে এর সঙ্গে ধর্মীয় কোনো বিষয় জড়িত নয়। নদীভাঙন ঠেকানো এবং কৃষকদের ধান রক্ষার বিষয়টিই তাঁর মূল উদ্বেগ।

পরে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে ওই পোস্টারটি সরিয়ে নেন। তাঁর দাবি, পরামর্শ সভার আয়োজকেরাই তাঁকে পোস্টার তৈরির দায়িত্ব দিয়েছিলেন।

সভায় নদীভাঙন ও কৃষকের ক্ষতির বিষয়টি উঠে আসে

গত ২০ আগস্ট বারিগ্রাম বাজার মসজিদে নৌকাবাইচ বন্ধের দাবিতে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে স্থানীয় আলেম ও মুরব্বিদের বক্তব্য নিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন মাসুম বিন নুর উদ্দিন। ভিডিওটি ‘মুক্ত বাতাস’ নামের একটি ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়।

ভিডিওতে দেওয়া বক্তব্যগুলোর বড় অংশজুড়ে নদীভাঙন, কৃষকের ধান রক্ষা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয় উঠে আসে। কোথাও কোথাও ধর্মীয় অবস্থানের কথা বলা হলেও নৌকাবাইচকে সরাসরি ধর্মবিরোধী হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি।

সভায় নৌকাবাইচকে কেন্দ্র করে জুয়ার আসর বসার অভিযোগও তোলা হয়। পাশাপাশি অতীতে নৌকাবাইচ ও সংশ্লিষ্ট আয়োজনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ এবং হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করা হয়।

স্থানীয় এক আলেম বলেন, এলাকার পরিবেশ সুন্দর রাখা, বিশৃঙ্খলা থেকে রক্ষা এবং নদীভাঙন ঠেকানোর স্বার্থে নৌকাবাইচ বন্ধ করা প্রয়োজন।

‘এটি ধর্মীয় নয়, সামাজিক ও জনস্বার্থের বিষয়’

প্রবীণ আলেম মাওলানা নুরুর রহমান মাসুক বলেন, নৌকাবাইচ বন্ধের দাবি কোনো ধর্মীয় বিষয় নয়; এটি সামাজিক ও জনস্বার্থের বিষয়।

তিনি বলেন, ‘তৌহিদী জনতা’ কিংবা নাগরিক সমাজের নামে কারা ব্যানার করেছে, সে বিষয়ে তাঁরা নিশ্চিত নন। তবে এলাকার সচেতন নাগরিকদের মূল দাবি হলো, ওই এলাকায় আর নৌকাবাইচ আয়োজন না করা।

তাঁর দাবি, অতীতে নৌকাবাইচকে কেন্দ্র করে দুই নৌকার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অনেকে আহত হয়েছেন। এ ছাড়া নৌকাবাইচের পাশের এলাকায় গানের আসরকে কেন্দ্র করে গুরুতর অপরাধের ঘটনাও ঘটেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

নৌকাবাইচের পক্ষেও মত

তবে স্থানীয়দের একটি অংশ নৌকাবাইচ বন্ধের দাবির সঙ্গে একমত নয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি বলেন, নৌকাবাইচ আয়োজনের কারণে নদীর বড় ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা নেই। জুয়ার আসর বসলে তা বন্ধ করার দায়িত্ব প্রশাসনের।

তাঁদের মতে, নৌকাবাইচ একটি ঐতিহ্যবাহী আয়োজন। কোনো অনিয়ম বা অপরাধের আশঙ্কা থাকলে তা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা না করে পুরো আয়োজন বন্ধ করে দেওয়া সমাধান নয়।

ফলে সুনাই নদীর নৌকাবাইচকে ঘিরে একদিকে কৃষিজমি রক্ষা, নদীভাঙন ও আইনশৃঙ্খলার বিষয় তুলে ধরে আয়োজন বন্ধের দাবি উঠেছে, অন্যদিকে স্থানীয়দের একটি অংশ এটিকে ঐতিহ্যবাহী আয়োজন হিসেবে চালু রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় দুই ধরনের মত তৈরি হয়েছে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

চু/রি/র বিরোধে কৃষককে পি/টি/য়ে হ/ত্যা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ১:০৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চু/রি/র বিরোধে কৃষককে পি/টি/য়ে হ/ত্যা
নোয়াখালী প্রতিনিধি | যোগফল অনলাইন 

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা হুমায়ন কবির (৬০) নামে এক কৃষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে ঢাকার উত্তরার বাংলাদেশ ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে সোমবার ২ নভেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ফেনীর সোনাগাজীর চরদরবেশ ইউনিয়নের চরচান্দিয়া এলাকায় তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

নিহত হুমায়ন কবির কোম্পানীগঞ্জ ও ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার সীমান্তবর্তী চরদরবেশ ইউনিয়নের চরচান্দিয়া গ্রামের আলী আহম্মদের ছেলে। তিনি পেশায় কৃষক ছিলেন। তার বাড়ি সোনাগাজীতে হলেও তিনি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার।

নিহতের ছেলে মিজানুর রহমান বলেন, তারা সোনাগাজীর চরচান্দিয়া গ্রামে বসবাস করলেও তাদের ভোটার ও অন্যান্য কার্যক্রম কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায়। প্রায় ১৫-১৬ দিন আগে কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নের জিন্না মাঝি বাড়ির মো. ইলিয়াছের (৫৫) ছেলে নূর আমিনের (৩০) পাম্প মেশিন ভাড়া নিয়ে তাদের একটি পুকুরে সেচ দিয়ে মাছ ধরা হয়। ওই সময় নূর আমিন তাদের তেল ও মাছ চুরি করেন। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। পরে মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য জহিরুল হক দুই পক্ষকে নিয়ে বৈঠক করে বিষয়টি মীমাংসা করে দেন।

তিনি আরও বলেন, সোমবার বিকেলে তার বাবা প্রতিবেশী আব্দুস ছাত্তারের সঙ্গে দাড়িয়ে কথা বলছিলেন। এ সময় ইলিয়াছ ভুল বুঝে মনে করেন, তার বাবা তাদের নিয়ে কথা বলছেন। তাৎক্ষণিক ইলিয়াছ তার দুই ছেলে নূর আমিন ও শুক্কুরকে ফোন করে সেখানে ডেকে আনেন। পরে তারা কয়েকজন মিলে লোহার রড, ধারালো কিরিচ ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তার বাবার ওপর হামলা চালান।

মিজানুর রহমানের অভিযোগ, হামলাকারীদের একজন লোহার রড দিয়ে তার বাবার মাথায় আঘাত করেন। আরেকজন ধারালো কিরিচ দিয়ে মাথায় কোপ দেওয়ার চেষ্টা করলে তিনি সরে যান। এতে তার মুখের বাম পাশে ও বাম চোখের নিচে দুটি স্থানে গুরুতর জখম হয়। এ সময় তার পকেটে থাকা মহিষ বিক্রির বায়না বাবদ ১৫ হাজার টাকাও নিয়ে যাওয়া হয়।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে শারীরিক অবস্থার অবনতি ও বমি হওয়ায় চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেন। পরে তাকে ঢাকার উত্তরার বাংলাদেশ ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার বিকেলে তার মৃত্যু হয়।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তবে ঘটনাটি ফেনীর সোনাগাজী থানার আওতাধীন এলাকায় হওয়ায় বিষয়টি সেখানকার পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।

সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল হাসিম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তিনিও ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পীরগঞ্জে "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) অনুষ্ঠিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পীরগঞ্জে  "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) অনুষ্ঠিত

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

মো. আরফান আলী | পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি 

পীরগঞ্জে গুড নেইবারস বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে ‘চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৪ নভেম্বর বুধবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে পীরগঞ্জে শিশুদের সূরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গুড নেইবারস বাংলাদেশ, পীরগঞ্জ সিডিপির (Pirganj CDP) আয়োজনে "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) শীর্ষক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বারে  প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল—"শিশুর সুরক্ষা, আমাদের অঙ্গীকার"।  

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম রাব্বানী সরদার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেণ ঠাকূরগাঁও -৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান,  সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জিয়াউর ইসলাম জিয়া, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জিন্নাতারা ইয়াসমিন, প্রমুখ।

​অনুষ্ঠানে বক্তারা শিশুদের নিরাপত্তা, অধিকার এবং তাদের সুরক্ষায় সমাজের সকল স্তরের মানুষকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। এ সময় স্থানীয় বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধি, আয়োজক সংস্থার কর্মকর্তা, সুধীবৃন্দ এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

ছবিতে গ্রেফতারকৃরা

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে নাশকতা, জুয়া ও অন্যান্য মামলায় মোট ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে ও বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।

থানা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের গড়েরআবাদ এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসআই নুরে আলমের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স অভিযান চালিয়ে টাকার বিনিময়ে তাস খেলার সময় ছয়জনকে আটক করে। এ সময় জুয়ার টাকা ও খেলার সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন-মৃত আবতাপ গাজীর ছেলে রশিদ গাজী (৫৫), আবুল কাসেমের ছেলে আমিরুল (৩৮), মৃত সামাদের ছেলে সফিকুল (৬০), জব্বার গাজীর ছেলে আব্দুর রহমান, জনাব মোল্লার ছেলে খানজাহান মোল্লা (৬২) এবং জামান মোল্লার ছেলে সাইফুল (৩৫)। এ ঘটনায় পাইকগাছা থানায় জুয়া আইনে মামলা হয়েছে। মামলার নম্বর ৪/২৬।

এদিকে, মঙ্গলবার রাতে নগরশ্রীরামপুর গ্রামের আব্দুল মজিদ হাজরার ছেলে হরিঢালী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মুজাহিদুল হাজরা (৪৮) এবং বুধবার সকাল ১১টার দিকে গদাইপুর ইউনিয়নের রফিকুল ইসলামের ছেলে ছাত্রলীগের সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মো. ফারজাহান পারভেজ ওরফে রুমি (২৫)-কে নাশকতা মামলায় আটক করা হয়েছে বলে জানিয়ে পুলিশ।

অন্যদিকে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে পরোয়ানাভুক্ত ও অন্যান্য মামলায় আরও ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।

পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবির আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মাদক ও জুয়া নির্মূলে পুলিশ সুপারের কঠোর নির্দেশনা বাস্তবায়নে পাইকগাছা থানা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করছে।