খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১ আশ্বিন, ১৪৩৩

গাছ লাগানোর পাশাপাশি পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১১ আগস্ট ২০২৬, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গাছ লাগানোর পাশাপাশি পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় শুধু বৃক্ষরোপণ করলেই হবে না, রোপণ করা প্রতিটি চারার সঠিক পরিচর্যা ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে কেরানীগঞ্জের নয়াবাজার ডিগ্রি কলেজ মাঠে রোটারি ক্লাব অব গুলশান এভিনিউ আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, সরকারের কাঙ্ক্ষিত পাঁচ কোটি গাছ টিকিয়ে রাখতে হলে এর চেয়ে বেশি পরিমাণে গাছ লাগানোর পাশাপাশি রোপণ করা প্রতিটি চারার নিবিড় পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে। একটি চারা রোপণের পর সেটিকে বাঁচিয়ে রাখার দায়িত্বও নিতে হবে। গাছ বড় হওয়ার আগ পর্যন্ত নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সুফল দীর্ঘমেয়াদে পাওয়া সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব, চরম আবহাওয়া ও পরিবেশগত ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকার সারাদেশে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি প্রতিটি গাছকে বাঁচিয়ে রাখার দায়িত্বও সবাইকে নিতে হবে।

অনুষ্ঠানে ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য আমান উল্লাহ আমান বলেন, পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে এখন থেকেই বেশি করে গাছ লাগানোর পাশাপাশি রোপণ করা গাছগুলোর সংরক্ষণ করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে এ ধরনের কর্মসূচিতে আরও বেশি সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আমান উল্লাহ আমান আরও বলেন, একটি গাছ শুধু পরিবেশের ভারসাম্যই রক্ষা করে না, মানুষের জীবন ও প্রকৃতির সঙ্গেও এর নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। তাই বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বাড়ানোর মাধ্যমে গাছের প্রতি দায়িত্ববোধ তৈরি করা জরুরি।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের পরিবেশ ক্রমেই ঝুঁকির মুখে পড়ছে। এ পরিস্থিতিতে বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষ সংরক্ষণে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তি পর্যায়েও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

অনুষ্ঠান শেষে পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম ও ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য আমান উল্লাহ আমান নয়াবাজার ডিগ্রি কলেজ প্রাঙ্গণে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ গাছের চারা রোপণ করেন। এ সময় কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুক, কেরানীগঞ্জ মডেল থানা বিএনপির সভাপতি শামীম হাসান, নয়াবাজার ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল রাজ্জাক মিয়া, কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, রোটারি ক্লাব অব গুলশান এভিনিউর নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজকরা জানান, বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি রোপণ করা চারাগুলোর নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে, যাতে এসব গাছ ভবিষ্যতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

গাজীপুরে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে তালা, কাটাতার ভেঙে প্রবেশ করলেন এমপি, পেলেন না চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:১৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গাজীপুরে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে তালা, কাটাতার ভেঙে প্রবেশ করলেন এমপি, পেলেন না চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মী

কাঁটাতারের বেড়া সরিয়ে ভেতরে প্রবেশ করছেন গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম বাচ্চু। ছবি যোগফল

মো: সজিব | শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র হঠাৎ পরিদর্শনে গিয়ে প্রধান ফটক তালাবদ্ধ অবস্থায় পান গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম বাচ্চু। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর কাঁটাতারের বেড়া সরিয়ে তালা ভেঙে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করেন তিনি।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গাজীপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
এমপি রফিকুল ইসলাম বাচ্চু জানান, স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রবেশের সময় প্রধান ফটকে তালা ঝুলতে দেখেন। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও কেউ গেট খুলতে না আসায় একপর্যায়ে দেয়াল টপকে কাঁটাতারের বেড়া সরিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন তিনি।
ভেতরে গিয়ে কোনো চিকিৎসক, মেডিকেল অফিসার বা সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মীকে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় পাননি বলে জানান তিনি। তবে চারজন স্বাস্থ্য সহকারীকে সেখানে বসে গল্প-আড্ডা দিতে দেখেছেন বলে দাবি করেন এমপি।
রফিকুল ইসলাম বাচ্চু বলেন, “হাসপাতালের গেট দেখে মনে হয়েছে, এই তালা কত বছর আগে লাগানো হয়েছে! তালাটিতে একেবারে মরিচা ধরে গেছে। অনেক সময় অপেক্ষা করে একপাশের দেয়াল টপকে কাঁটাতারের বেড়া সরিয়ে ভেতরে প্রবেশ করি। এখানে কোনো স্বাস্থ্যকর্মী নেই, চিকিৎসক নেই, মেডিকেল অফিসারও নেই। কয়েকজন কর্মচারী ভেতরে বসে গল্প-আড্ডায় মেতেছেন।”
তিনি আরও বলেন, “গাজীপুর ইউনিয়ন একটি প্রত্যন্ত অঞ্চল। এখানকার মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া অত্যন্ত জরুরি। উপজেলা শহর কিংবা জেলা শহরে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়াও তাদের জন্য কষ্টসাধ্য। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে মহাপরিচালকের সঙ্গে কথা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
এ বিষয়ে ইউনিয়ন ফ্যামিলি প্ল্যানিং ইনস্পেক্টর হাসান আল মামুন বলেন, “স্বাস্থ্যকেন্দ্রের প্রধান ফটকের চাবি ভুলবশত বাড়িতে রেখে আসছি।”
অন্যদিকে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. আপেল মাহমুদ বলেন, “স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পাঁচটি পদের বিপরীতে বর্তমানে একজনও নেই। কয়েকজন মাঠকর্মী মাঠে যাওয়ার আগে সেখানে মিটিং করেন। হঠাৎ করে এমপি সেখানে যাওয়ার কারণে এমন পরিস্থিতি হয়েছে।”
স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হওয়ায় নিয়মিত কার্যক্রম ও জনবল সংকট নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে।

যোগফল অনলাইন নিউজ ডেস্ক 

যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৪১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

ছবিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দল ও মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক | যোগফল অনলাইন

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, এমপি এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রীর নিজ দপ্তরে তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন, পর্যটন এবং দুই দেশের বাণিজ্যিক ও কৌশলগত সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। আকাশপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নে সরকার এভিয়েশন মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নে কাজ করছে। বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সম্প্রতি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অত্যাধুনিক এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম উদ্বোধন করা হয়েছে। পাশাপাশি বগুড়ায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে বিশ্বখ্যাত লিগ্যাসি এয়ারলাইন্স হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বহরে নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ ক্রয়ের চুক্তি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যিক ও কৌশলগত সহযোগিতার ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, বোয়িং কোম্পানির তৈরি উড়োজাহাজগুলোর ডেলিভারি দ্রুত করা অত্যন্ত জরুরি। যুক্তরাষ্ট্রে সরাসরি বাণিজ্যিক ফ্লাইট পরিচালনার ক্ষেত্রে FAA International Aviation Safety Assessment (IASA) Category-1 Status গুরুত্বপূর্ণ। ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি নাগরিকের যাতায়াতের সুবিধা বিবেচনায় আগামী বছর ঢাকা-নিউইয়র্ক (JFK) রুটে সরাসরি ফ্লাইট চালুর লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

পর্যটন খাতের উন্নয়ন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আধার। দেশের প্রায় ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন স্পটকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তুলতে বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত করছে বর্তমান সরকার।

সাক্ষাৎকালে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বলেন, বাংলাদেশের এভিয়েশন হাব হিসেবে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র পাশে থাকবে। দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অটুট থাকবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করায় এ সময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন খাতের উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ রয়েছে। ঢাকা-নিউইয়র্ক রুটে সরাসরি ফ্লাইট চালুর ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।

এ ছাড়া বাংলাদেশের পর্যটন খাতের প্রচারে রাষ্ট্রদূতের বিভিন্ন পর্যটন স্পট সফরের বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।

যোগফল অনলাইন নিউজ ডেস্ক 

যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

ছবিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দল ও মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক | যোগফল অনলাইন

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, এমপি এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রীর নিজ দপ্তরে তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন, পর্যটন এবং দুই দেশের বাণিজ্যিক ও কৌশলগত সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। আকাশপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নে সরকার এভিয়েশন মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নে কাজ করছে। বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সম্প্রতি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অত্যাধুনিক এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম উদ্বোধন করা হয়েছে। পাশাপাশি বগুড়ায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে বিশ্বখ্যাত লিগ্যাসি এয়ারলাইন্স হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বহরে নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ ক্রয়ের চুক্তি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যিক ও কৌশলগত সহযোগিতার ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, বোয়িং কোম্পানির তৈরি উড়োজাহাজগুলোর ডেলিভারি দ্রুত করা অত্যন্ত জরুরি। যুক্তরাষ্ট্রে সরাসরি বাণিজ্যিক ফ্লাইট পরিচালনার ক্ষেত্রে FAA International Aviation Safety Assessment (IASA) Category-1 Status গুরুত্বপূর্ণ। ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি নাগরিকের যাতায়াতের সুবিধা বিবেচনায় আগামী বছর ঢাকা-নিউইয়র্ক (JFK) রুটে সরাসরি ফ্লাইট চালুর লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

পর্যটন খাতের উন্নয়ন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আধার। দেশের প্রায় ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন স্পটকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তুলতে বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত করছে বর্তমান সরকার।

সাক্ষাৎকালে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বলেন, বাংলাদেশের এভিয়েশন হাব হিসেবে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র পাশে থাকবে। দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অটুট থাকবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করায় এ সময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন খাতের উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ রয়েছে। ঢাকা-নিউইয়র্ক রুটে সরাসরি ফ্লাইট চালুর ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।

এ ছাড়া বাংলাদেশের পর্যটন খাতের প্রচারে রাষ্ট্রদূতের বিভিন্ন পর্যটন স্পট সফরের বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।

যোগফল অনলাইন নিউজ ডেস্ক