খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২ আশ্বিন, ১৪৩৩

যুবদল নেতার বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের দেয়াল ভাঙার অভিযোগ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:০৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
যুবদল নেতার বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের দেয়াল ভাঙার অভিযোগ

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় একটি বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর ভাঙাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। হায়াতুন্নেচ্ছা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন দেয়াল ভেঙে ফেলার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা যুবদলের সভাপতি গাজী গিয়াস উদ্দিনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

শনিবার (১ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে কালাইয়া বন্দরের মহাজনপট্টি বড় জামে মসজিদসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশিদ জানান, প্রায় ৫০ থেকে ৬০ বছর আগে বিদ্যালয়ের নামে কালাইয়া মৌজায় ১১ দশমিক ৭০ শতাংশ জমি কেনা হয়। দীর্ঘদিন সেখানে দোকানঘর নির্মাণ করে ভাড়া দেওয়া হলেও ভবনগুলো জরাজীর্ণ হয়ে পড়ায় নতুন করে উন্নয়নকাজ শুরু করা হয়। এর অংশ হিসেবে শ্রমিকরা সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করছিলেন।

তার অভিযোগ, প্রায় ৮ ফুট উঁচু ও ৩৫ ফুট দীর্ঘ দেয়াল নির্মাণের সময় গাজী গিয়াস উদ্দিন কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে হাতুড়ি ও শাবল দিয়ে দেয়ালটি ভেঙে ফেলেন।

ঘটনার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতির কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রধান শিক্ষক। তিনি বলেন, এ ঘটনায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন অভিভাবক অভিযোগ করেন, বিদ্যালয়ের নিজস্ব জায়গায় নির্মাণকাজে বাধা দিয়ে দেয়াল ভেঙে ফেলা হয়েছে। তাদের দাবি, যাতায়াতের জন্য পর্যাপ্ত রাস্তা থাকা সত্ত্বেও অযৌক্তিকভাবে নির্মাণকাজে বাধা দেওয়া হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপজেলা যুবদলের সভাপতি গাজী গিয়াস উদ্দিন। তিনি বলেন, যেখানে দেয়াল নির্মাণ করা হচ্ছিল সেটি গুরুত্বপূর্ণ জনসাধারণের চলাচলের পথ। আশপাশে দুটি মসজিদ, দুটি মন্দির ও দুটি মার্কেট থাকায় ওই সড়কে প্রতিদিন অনেক মানুষের যাতায়াত হয়। দেয়াল নির্মাণ করলে রাস্তা আরও সংকুচিত হয়ে পড়ত। এ কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করেন এবং তারাই দেয়ালটি ভেঙেছেন। তিনি কেবল ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন বলে দাবি করেন।

এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আহমেদ জানান, বিষয়টি জানার পর সহকারী কমিশনার (ভূমি)কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রোববার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

তিন বছর পর গোপালগঞ্জ স্টেডিয়ামে আবারও ফিরছে প্রিমিয়ার লিগ ফুটবল

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:২৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তিন বছর পর গোপালগঞ্জ স্টেডিয়ামে আবারও  ফিরছে প্রিমিয়ার লিগ ফুটবল

ছবিতে ঝাড়ু হতে মাঠে পরিচ্ছন্নকর্মীগণ

সাইফুল ইসলাম | গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি :

২০২৩ সালের পর দীর্ঘ বিরতি শেষে আবারও গোপালগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামে ফিরছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ফুটবল। ব্রাদার্স ইউনিয়ন এবং আরামবাগ ক্রীড়া সংঘের হোম ভেন্যু হিসেবে বিপিএলের পঞ্চম আসর বসছে এখানে।  

আগামীকাল শুক্রবার বিকেল ৩টায় ব্রাদার্স ইউনিয়ন ও সিটি ক্লাবের ম্যাচের মধ্য দিয়ে গোপালগঞ্জে শুরু হচ্ছে এবারের আসার। খেলা উপলক্ষে স্টেডিয়ামে চলছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ।

প্রস্তুত করা হয়েছে মাঠ ও গ্যালারি। এ ছাড়া এ মাঠে ফেডারেশন কাপের ম্যাচও অনুষ্ঠিত হবে।  
গোপালগঞ্জ ক্রীড়া সংস্থার সদস্যসচিব এস এম জাহিদুল হক কচির সঙ্গে কথা হলে তিনি শুক্রবারের খেলার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান।  

সূচি অনুযায়ী, এবারের বিপিএল ও ফেডারেশন কাপের মোট ২০টি ম্যাচ এ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও শৃঙ্খলা জোরদারে গোপালগঞ্জে পুলিশে মাস্টার প্যারেড ও অপরাধ কল্যাণ সভা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:১৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও শৃঙ্খলা জোরদারে গোপালগঞ্জে পুলিশে মাস্টার প্যারেড ও অপরাধ কল্যাণ সভা

ছবিতে নারী পুলিশ সদস্যকে সম্মাননা পুরস্কার দিচ্ছেন পুলিশ সুপার মোঃ হাবীবুল্লাহ

সাইফুল ইসলাম | গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:

গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশ লাইন্সে মাস্টার প্যারেড, কল্যাণসভা ও মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এসব কর্মসূচির আয়োজন করে জেলা পুলিশ।

সকালে অনুষ্ঠিত মাস্টার প্যারেডে সালামি গ্রহণ ও প্যারেড পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার মোঃ হাবীবুল্লাহ। পরিদর্শন শেষে তিনি পুলিশ সদস্যদের শারীরিক সক্ষমতা, পোশাক-পরিচ্ছদ ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

পুলিশ সুপার বলেন, দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা, পেশাদারিত্ব ও জনসাধারণের সঙ্গে ভালো আচরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখতে প্রত্যেক সদস্যকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

প্যারেড অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন সহকারী পুলিশ সুপার (শিক্ষানবিশ প্রবেশনার) রনি হাওলাদার।

পরে কল্যাণসভা ও মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়। দায়িত্ব পালনে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে সম্মাননা দেওয়া হয়।

মাদকদ্রব্য উদ্ধার, ডাকাতি ও হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নিষ্পত্তি, ওয়ারেন্ট তামিল এবং দাপ্তরিক কার্যক্রম যথাযথভাবে সম্পাদনের জন্য বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের পুরস্কৃত করা হয়।

এ ছাড়া পুলিশ সুপার পুলিশ লাইন্সের রেশন স্টোরসহ বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেন। পুলিশ সদস্যদের জন্য মানসম্মত রেশন সামগ্রী সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে বদলিজনিত কারণে সহকারী পুলিশ সুপার (শিক্ষানবিশ প্রবেশনার) রনি হাওলাদারকে বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়। পুলিশ সুপার জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তাঁকে শুভেচ্ছা স্মারক দেন এবং তাঁর ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের সাফল্য কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ কাজী হুমায়ুন রশীদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ সাখাওয়াত হোসেন সেন্টু, সহকারী পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ নাফিসুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার (মুকসুদপুর সার্কেল) মোঃ হাসানুর রহমানসহ জেলার বিভিন্ন থানার অফিসার ইনচার্জ, ফাঁড়ি ও ক্যাম্প ইনচার্জ এবং জেলা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

রূপপুরের বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে দিতে আইএইএ’র সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:২০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রূপপুরের বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে দিতে আইএইএ’র সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ

ছবিতে বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম

যোগফল প্রতিবেদন :

অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মহাপরিচালক রাফায়েল মারিয়ানো গ্রোসির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। বৈঠকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ দ্রুত জাতীয় গ্রিডে সরবরাহে আইএইএ’র সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ভিয়েনায় আইএইএ’র সদর দপ্তরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী।

বৈঠকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের পাশাপাশি পারমাণবিক প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার সম্প্রসারণ, পারমাণবিক নিরাপত্তা জোরদার এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে আইএইএ’র কারিগরি সহযোগিতা কর্মসূচির মাধ্যমে স্বাস্থ্য, কৃষি, খাদ্য, পানি ব্যবস্থাপনা, শিল্প ও জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে সুফল পেয়ে আসছে। সম্প্রতি ২০২৬-২০৩২ মেয়াদের কান্ট্রি প্রোগ্রাম ফ্রেমওয়ার্ক (সিপিএফ) স্বাক্ষর হয়েছে, যা আগামী বছরগুলোতে প্রযুক্তিগত সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি করবে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ইউনিট-১ এ ফুয়েল লোডিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ কার্বনমুক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করেছে। এর মাধ্যমে বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জ্বালানি নিরাপত্তা ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, পারমাণবিক নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও দায়িত্বশীল ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পারমাণবিক বর্জ্য ও স্পেন্ট ফুয়েল ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত যৌথ কনভেনশনে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি নিরাপদ ও দায়িত্বশীল পারমাণবিক কর্মসূচির প্রতি দেশের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

বৈঠকে ক্যানসার চিকিৎসায় আইএইএ’র ‘Rays of Hope: Cancer Care for All’ উদ্যোগ নিয়েও আলোচনা হয়। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ ২০২৫ সালে এই উদ্যোগে যুক্ত হয়েছে এবং জাতীয় পর্যায়ে কার্যকর কর্মসূচি হিসেবে এটি বাস্তবায়নে আইএইএ’র সঙ্গে কাজ করছে।

এর আওতায় একটি সমন্বিত ওয়ান-স্টপ ক্যানসার কেয়ার সেন্টার প্রতিষ্ঠাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি ক্যানসার চিকিৎসায় সক্ষমতা বৃদ্ধি, জ্ঞান বিনিময় এবং টেকসই চিকিৎসাব্যবস্থা গড়ে তুলতে আইএইএ’র কারিগরি সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন।

মন্ত্রী জানান, নভেম্বর ২০২৬ সালে অনুষ্ঠেয় IAEA–WHO–IMPACT Review Mission-এর দিকে বাংলাদেশ আগ্রহের সঙ্গে তাকিয়ে আছে। এ মিশনের মাধ্যমে দেশের জাতীয় ক্যানসার নিয়ন্ত্রণ সক্ষমতার প্রমাণভিত্তিক মূল্যায়ন এবং চিকিৎসাব্যবস্থার বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার নির্ধারণের সুযোগ তৈরি হবে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ফকির মাহবুব আনাম বলেন, পারমাণবিক প্রযুক্তির ব্যবহার শুধু প্রযুক্তিগত অগ্রগতিতে সীমাবদ্ধ না রেখে মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি, কৃষি ও খাদ্য উৎপাদনশীলতা বাড়ানো এবং স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণে কাজে লাগাতে হবে।

এ ছাড়া তরুণ গবেষক ও বিজ্ঞানীদের জন্য শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, ফেলোশিপ ও যৌথ গবেষণার সুযোগ বাড়াতে আইএইএ’র সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

বৈঠকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন, ভিয়েনায় বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত তৌফিক হাসান, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ড. এম. মঈনুল ইসলাম এবং যুগ্মসচিব শেখ মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।